শিরোনাম
◈ ময়মনসিংহ মেডিকেলের ময়লার সঙ্গে ‘কায়দা করে’ পাচার করা হয় সিরিঞ্জ-ক্যানুলা-স্যালাইন, পরে পাইকারি দরে বিক্রি ◈ চার জেলার ২৯ বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়াতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের, অগ্রাধিকার পাবে গাড়ি ও জ্বালানি খাত ◈ সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, চলছে নিরাপত্তা যাচাই ◈ পিএইচপি কী, এটি ঘিরে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা-সংকট সৃষ্টি হয়েছে কেন? ◈ বিশ্বে প্রথমবার মানুষের শরীরে শামোন্ডা ভাইরাস শনাক্ত, ফ্রান্সে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ বিফ‌লে গে‌লো ইংল‌্যা‌ন্ডের ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরী, ৪২৯ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার রেকর্ড জয়  ◈ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চাইতে থানায় রুমিন ফারহানা, ওসির সাথে তুমুল বাগবিতণ্ডা (ভিডিও) ◈ থাইল্যান্ডে ‘সয়েল ফিভারে’ ৪৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৭০ জন ◈ এবার বাংলাদেশের দুর্গাপূজার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ!’

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০২১, ১২:১০ দুপুর
আপডেট : ২১ মে, ২০২১, ১২:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুভমেন্ট নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ার অপেক্ষায় নির্মাতারা

ইমরুল শাহেদ: চলচ্চিত্রের এক চরম সময়ে শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার সেলিম খান একশ’ ছবি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। তাতে তিনি প্রশংসিতও হয়েছেন অনেক। কিন্তু এই কেউ কেউ তার নেতিবাচক আলোচনাও করছেন। তবে প্রশংসার পাল্লাটাই ভারী বেশি।

পরিকল্পিত এই একশ’ ছবির মধ্যে প্রথম ধাপে কাজ শুরু হয়ে যায় দশ জন পরিচালকের। কিন্তু পরিচালক সমিতির নির্বাচন থাকায় পরের ধাপে যাদের কাজ করার কথা ছিল তারা থেমে যান। পরে কোভিড মহামারিতে ম্যুভমেন্ট নিষেধাজ্ঞা শুরু হলে কাজ থেমে থাকে। প্রশ্ন হচ্ছে, কবে নাগাদ আবার কাজ শুরু হবে বলে মনে হয়। এ বিষয়ে পরিস্কার কোনো জবাব কেউ দিতে পারছেন না।

একজন নির্মাতা বলেছেন, ম্যুভমেন্ট নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেই আবার কাজ শুরু হবে। উল্লেখ করার বিষয় হলো, পরিচালক সোলায়মান আলী লেবু এফডিসির নয় নাম্বার ফ্লোরে ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’ নামে একটি ছবির কাজ শুরু করেছেন। এতে অংশ নিচ্ছেন অপু বিশ্বাস, জয় চৌধুরী ও মিশা সওদাগর। এই ছবিটির বড় ধরনের সেট পড়েছে ষ্টুডিও চত্বরেও। ফ্লোরের কাজ শেষ করেই শুরু হবে বড় আকারে বাইরের কাজ।

তাহলে একশ’ ছবির কাজ শুরু হতে বাধা কোথায়? প্রশ্ন হচ্ছে, এখানে ঈদের ছুটিও একটা কারণ হতে পারে। মহামারি ছাড়াও এখনো ঈদের ছুটির আমেজ কাটেনি। অনেকে কর্মস্থলেও আসেননি। এফডিসি গেলে একটি ফ্লোর ছাড়া আর কোথাও কোনো তোড়জোড় চোখে পড়ে না। একটি ফ্লোর দেওয়া আছে এটিএন বাংলাকে। সেটি এমন কি ঈদের দিনও খোলা থাকে। কিন্তু রেকর্ডিংয়ের কাজ তেমন একটা দেখা যায় না। চলচ্চিত্র সংগঠনগুলোর সব অফিস এখনো খোলেনি। যাহোক, ঈদের আগে একশ’ ছবির কাজ নিয়ে কয়েকজন পরিচালককে বেশ ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে।

একজন পরিচালক বলেন, তাড়াহুড়ো করে ডাবিংয়ের কাজটা ঈদের আগে শেষ করলাম। কিন্তু কোনো লাভ হলো না।

  • সর্বশেষ