প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শুক্রবারের ঈদ দুই ঈদের সমান তাৎপর্যময় হাদিসে বলা হয়েছে

মাহামুদুল পরশ: [২] যায়েদ বিন আরকাম (রাঃ) এর হাদিস অনুযায়ি, মুয়াবিয়া (রাঃ) তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, আপনি কি রাসুলুল্লাহ (সা:) এর সময়ে তার সাথে দুই ঈদ (ঈদ ও জুমা) একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে দেখেছেন? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ।

[৩] তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন: তিনি কি করেছিলেন? তিনি বলেন, নবী করীম (সা:) প্রথমে ঈদের নামায আদায় করেন। অতঃপর জুমার নামায আদায়ের ব্যাপারে অবকাশ প্রদান করে বলেন, যে ব্যক্তি তা আদায় করতে চায় সে তা আদায় করতে পারে।

[৪] এ হাদিসটির সমর্থনে অপর হাদিসটি হচ্ছে আবু হুরায়রা (রাঃ) এর হাদিস। হাদিসটিতে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেন, আজকের এই দিনে দুইটি ঈদ (ঈদ ও জুমা) এর সমাগমঘটেছে। কেউ চাইলে ঈদের নামাযে উপস্থিত হওয়া তার জন্য জুমার নামাযে উপস্থিত হওয়ার পরিবর্তে যথেষ্ট হবে। আমরা জুমার নামায পড়ব।

[৫] ইবনে উমর (রাঃ) এর হাদিস মোতাবেক, একবার রাসূলুল্লাহ্ (সা:) সময়ে দুই ঈদ (জুমা ও ঈদ) এর সমাগম হল। তিনি লোকদের নিয়ে ঈদের নামায আদায় করার পর বললেন, যে ব্যক্তি জুমার নামাযে আসতে চায় সে আসতে পারে। আর কেউ না আসতে চাইলে সে না আসতে পারে।

[৬] সুনানে ইবনে মাজাহ তাবারানি তার ‘আল-মুজাম আল-কাবির’ গ্রন্থে হাদিসটি এ ভাষায় বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা:) সময় দুই ঈদের সমাগম হল ঈদুল ফিতর ও জুমার দিন। রাসূলুল্লাহ্ (সা:) লোকদের নিয়ে ঈদের নামায আদায় করলেন। এরপর লোকদের দিকে ফিরে বললেন: ওহে লোকসকল, আপনারা কল্যাণ ও সওয়াব অর্জন করেছেন। আমরা জুমার নামায আদায় করব। যে ব্যক্তি আমাদের সাথে জুমার নামায আদায় করতে চান তিনি আদায় করতে পারেন। আর যে ব্যক্তি তার পরিবারে ফিরে যেতে চান তিনি ফিরে যেতে পারেন।”

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত