শিরোনাম
◈ মাদরাসায় বলাৎকার: কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার ◈ কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কে ১০০ কোটি ডলারের নয়, ১০ কোটি ডলারে ক্যান কারখানা গড়ছে চীনা প্রতিষ্ঠান ◈ গাজীপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের কার্টন গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিট ◈ যে কারণে বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসা, জানাল দূতাবাস ◈ ইতালিসহ ইউরোপে চাকরির সুযোগ: বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ পাবেন ৩ হাজার বাংলাদেশি, আবেদন করবেন যেভাবে ◈ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ পাঠ্যবই, বদলাবে শিখনপদ্ধতি ◈ লন্ডন হাইকমিশন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, ভিসা সার্ভার নিয়ে সতর্কবার্তা ◈ পঞ্চগড়ে এক টাকায় চারটি লাউ, ২ টাকায় ১ কেজি পেঁপে; উৎপাদন খরচ না পেয়ে গাছ কাটছেন কৃষক ◈ উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে লালমাই পাহাড় কাটা, হুমকিতে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও জীববৈচিত্র্য ◈ দেশে গ্যাস উৎপাদনে বড় ধস, এক বছরে কমেছে ৬৮ বিলিয়ন ঘনফুট: এলএনজি আমদানিনির্ভরতা বাড়ার শঙ্কা

প্রকাশিত : ১১ মে, ২০২১, ০৫:৩৭ সকাল
আপডেট : ১১ মে, ২০২১, ০৫:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জসিম মল্লিক: আমি যখন আমার মাকে নিয়ে লিখি

জসিম মল্লিক: আমি যখন আমার মাকে নিয়ে লিখি তখন একটা ঘোরের মধ্যে চলে যাই। নিজের অজান্তেই একটার পর একটা শব্দ বসতে থাকে। একধরনের আবেগ আর ভালোলাগায় ভেতরটা বিবশ হয়ে যায়। একটা চাঞ্চল্য তৈরি হয় ধমনীতে। পারিপার্শ্বিক সবকিছু বিস্মৃত হয়ে যাই। অন্য এক জগতে চলে যাই যেন। গল্প, উপন্যাস বা অন্য কোনো কিছু লেখার সময় আমার এমন হয় না। শুধু মাকে নিয়ে লেখার সময় হয়। মা এসে আমার সামনে দাঁড়ায়। আমি স্পষ্ট মাকে দেখতে পাই। কথা বলি। মনে হয় আমি লিখছি না, অন্য কেউ লিখছে। আমি নিজেও জানি না কী লিখছি। লেখার পর কেউ যখন বলে, আপনার লেখা পড়ে চোখে পানি এসে গেছে তখন আমি খুব অবাক হই। মাঝে মাঝে আমিও আমার লেখা পড়ে কাঁদি। এসব আমি লিখেছি। বিশ্বাস হয় না। মনে হয় কেউ আমার হয়ে লিখেছে। অলৌকিক কোনো কিছু ভর করেছিল আমার মধ্যে। প্রতিবার আমার এমন হয়। ‘আমার মা’ নামে একটা বই আছে আমার। প্রায় দেড়শ পৃষ্ঠার বই।

২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছে। তারপর আরো অনেক লেখা লিখেছি মাকে নিয়ে। আমার মা ছিল খুব সাধারণ এক নারী। আমি ছিলাম তার সাধারণ সন্তান। কিন্তু আমাদের স্মৃতিগুলো ছিল অসাধারণ। সে সব স্মৃতি নিয়ে হয়তো আরো লিখব। প্রতিবার আমার মধ্যে একটা ঘোর তৈরি হবে, অদ্ভুত এক সুখানুভূতি হবে, প্রতিবার ঐশ্বরিক কোনো শক্তি আমার মধ্যে ভর করবে।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ৪৫১টি হাদিস ইংরেজি অনুবাদ করে স্যার আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী ‘দ্য সেইংস অব মুহাম্মদ (সা.)’ নামে একটি সংকলন প্রস্তুত করেন। প্রকাশিত হয় ১৯০৫ সালে, লন্ডন থেকে। রুশ সাহিত্যিক ও দার্শনিক লিও তলস্তয়ের মৃত্যুর পর তার ওভারকোটের পকেটে বইটির একটি কপি পাওয়া গিয়েছিল। বাণীগুলোর নৈতিক মাধুর্য, সৌন্দর্য, সাধারণ জ্ঞান, প্রায়োগিক দিক ও চিন্তাশীলতা বিভিন্নভাবে মনকে আলোড়িত করে। বইটিতে একটি হাদিসে আছে মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত।  ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ