শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে ঐকমত্য চীন-মালয়েশিয়ার ◈ তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ◈ তাজিয়া মিছিলে অংশ নেওয়া যুবককে ধাওয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যা ◈ দুই বছর পর ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা ফিরছে: আবেদন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখুন এক নজরে ◈ ‘ডিবির হেফাজতে’ ছাত্রলীগ কর্মীর মারা যাওয়া ভিডিও ভাইরাল, কী ঘটেছিল? যা জানাগেল ◈ দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ভারতের ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আত্মগোপনে থাকা সাবেক এমপি ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত (ভিডিও) ◈ চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু ◈ বাংলাদেশ-চীনের যৌথ ঘোষণা: কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার ◈ মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১ মে, ২০২১, ০৫:৩৭ সকাল
আপডেট : ১১ মে, ২০২১, ০৫:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জসিম মল্লিক: আমি যখন আমার মাকে নিয়ে লিখি

জসিম মল্লিক: আমি যখন আমার মাকে নিয়ে লিখি তখন একটা ঘোরের মধ্যে চলে যাই। নিজের অজান্তেই একটার পর একটা শব্দ বসতে থাকে। একধরনের আবেগ আর ভালোলাগায় ভেতরটা বিবশ হয়ে যায়। একটা চাঞ্চল্য তৈরি হয় ধমনীতে। পারিপার্শ্বিক সবকিছু বিস্মৃত হয়ে যাই। অন্য এক জগতে চলে যাই যেন। গল্প, উপন্যাস বা অন্য কোনো কিছু লেখার সময় আমার এমন হয় না। শুধু মাকে নিয়ে লেখার সময় হয়। মা এসে আমার সামনে দাঁড়ায়। আমি স্পষ্ট মাকে দেখতে পাই। কথা বলি। মনে হয় আমি লিখছি না, অন্য কেউ লিখছে। আমি নিজেও জানি না কী লিখছি। লেখার পর কেউ যখন বলে, আপনার লেখা পড়ে চোখে পানি এসে গেছে তখন আমি খুব অবাক হই। মাঝে মাঝে আমিও আমার লেখা পড়ে কাঁদি। এসব আমি লিখেছি। বিশ্বাস হয় না। মনে হয় কেউ আমার হয়ে লিখেছে। অলৌকিক কোনো কিছু ভর করেছিল আমার মধ্যে। প্রতিবার আমার এমন হয়। ‘আমার মা’ নামে একটা বই আছে আমার। প্রায় দেড়শ পৃষ্ঠার বই।

২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছে। তারপর আরো অনেক লেখা লিখেছি মাকে নিয়ে। আমার মা ছিল খুব সাধারণ এক নারী। আমি ছিলাম তার সাধারণ সন্তান। কিন্তু আমাদের স্মৃতিগুলো ছিল অসাধারণ। সে সব স্মৃতি নিয়ে হয়তো আরো লিখব। প্রতিবার আমার মধ্যে একটা ঘোর তৈরি হবে, অদ্ভুত এক সুখানুভূতি হবে, প্রতিবার ঐশ্বরিক কোনো শক্তি আমার মধ্যে ভর করবে।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ৪৫১টি হাদিস ইংরেজি অনুবাদ করে স্যার আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী ‘দ্য সেইংস অব মুহাম্মদ (সা.)’ নামে একটি সংকলন প্রস্তুত করেন। প্রকাশিত হয় ১৯০৫ সালে, লন্ডন থেকে। রুশ সাহিত্যিক ও দার্শনিক লিও তলস্তয়ের মৃত্যুর পর তার ওভারকোটের পকেটে বইটির একটি কপি পাওয়া গিয়েছিল। বাণীগুলোর নৈতিক মাধুর্য, সৌন্দর্য, সাধারণ জ্ঞান, প্রায়োগিক দিক ও চিন্তাশীলতা বিভিন্নভাবে মনকে আলোড়িত করে। বইটিতে একটি হাদিসে আছে মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত।  ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়