শিরোনাম
◈ বুধবারে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি জেলার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ◈ মেসির জাদুতে মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তন, কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা ◈ মেসির জাদুতে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন, ২–০ থেকে ৩–২ আর্জেন্টিনা ◈ বিশ্বের তৃতীয় সর্বনিম্ন বাসযোগ্য শহর ঢাকা ◈ পুলিশ তো আমার হাতে নেই, তবে মুরগি আছে: সংসদে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর মন্তব্যে হাসির রোল ◈ ভূ‌মিক‌ম্পে ভেনেজুয়েলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩৭ বিলিয়ন ডলার ◈ ভারত-চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে কৌশলগত ভারসাম্য গড়ছে বাংলাদেশ: জন ড্যানিলোভিচ ◈ টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে রেললাইন, এক হাজার যাত্রী নিয়ে আটকা পর্যটক এক্সপ্রেস ◈ সাঙ্গু-মাতামুহুরীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, বান্দরবানে ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত ◈ ভারি বৃষ্টিতে শাহ আমানতে অবতরণ করতে পারেনি তিন ফ্লাইট

প্রকাশিত : ১১ মে, ২০২১, ০৫:৩৭ সকাল
আপডেট : ১১ মে, ২০২১, ০৫:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জসিম মল্লিক: আমি যখন আমার মাকে নিয়ে লিখি

জসিম মল্লিক: আমি যখন আমার মাকে নিয়ে লিখি তখন একটা ঘোরের মধ্যে চলে যাই। নিজের অজান্তেই একটার পর একটা শব্দ বসতে থাকে। একধরনের আবেগ আর ভালোলাগায় ভেতরটা বিবশ হয়ে যায়। একটা চাঞ্চল্য তৈরি হয় ধমনীতে। পারিপার্শ্বিক সবকিছু বিস্মৃত হয়ে যাই। অন্য এক জগতে চলে যাই যেন। গল্প, উপন্যাস বা অন্য কোনো কিছু লেখার সময় আমার এমন হয় না। শুধু মাকে নিয়ে লেখার সময় হয়। মা এসে আমার সামনে দাঁড়ায়। আমি স্পষ্ট মাকে দেখতে পাই। কথা বলি। মনে হয় আমি লিখছি না, অন্য কেউ লিখছে। আমি নিজেও জানি না কী লিখছি। লেখার পর কেউ যখন বলে, আপনার লেখা পড়ে চোখে পানি এসে গেছে তখন আমি খুব অবাক হই। মাঝে মাঝে আমিও আমার লেখা পড়ে কাঁদি। এসব আমি লিখেছি। বিশ্বাস হয় না। মনে হয় কেউ আমার হয়ে লিখেছে। অলৌকিক কোনো কিছু ভর করেছিল আমার মধ্যে। প্রতিবার আমার এমন হয়। ‘আমার মা’ নামে একটা বই আছে আমার। প্রায় দেড়শ পৃষ্ঠার বই।

২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছে। তারপর আরো অনেক লেখা লিখেছি মাকে নিয়ে। আমার মা ছিল খুব সাধারণ এক নারী। আমি ছিলাম তার সাধারণ সন্তান। কিন্তু আমাদের স্মৃতিগুলো ছিল অসাধারণ। সে সব স্মৃতি নিয়ে হয়তো আরো লিখব। প্রতিবার আমার মধ্যে একটা ঘোর তৈরি হবে, অদ্ভুত এক সুখানুভূতি হবে, প্রতিবার ঐশ্বরিক কোনো শক্তি আমার মধ্যে ভর করবে।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ৪৫১টি হাদিস ইংরেজি অনুবাদ করে স্যার আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী ‘দ্য সেইংস অব মুহাম্মদ (সা.)’ নামে একটি সংকলন প্রস্তুত করেন। প্রকাশিত হয় ১৯০৫ সালে, লন্ডন থেকে। রুশ সাহিত্যিক ও দার্শনিক লিও তলস্তয়ের মৃত্যুর পর তার ওভারকোটের পকেটে বইটির একটি কপি পাওয়া গিয়েছিল। বাণীগুলোর নৈতিক মাধুর্য, সৌন্দর্য, সাধারণ জ্ঞান, প্রায়োগিক দিক ও চিন্তাশীলতা বিভিন্নভাবে মনকে আলোড়িত করে। বইটিতে একটি হাদিসে আছে মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত।  ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়