প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পশ্চিমবঙ্গে টানা ৩য় বারের মতো জিতেছে তৃণমূল, নন্দীগ্রামে হার মমতার, বিজেপি’র অভিনন্দন

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২]তৃণমূল কংগ্রেস ২০৯ আর বিজেপি ৮১ আসনে জয়ী বিজেপি, মাত্র ২ আসনে জিতেছে কংগ্রেস-বাম জোট।

[৩] পশ্চিমবঙ্গে কাজ করলো না মোদি-অমিত শাহ ম্যাজিক, টিকলো না হিন্দৃত্বের ট্রাম্প কার্ডও। ৭৫ শতাংশ হিন্দু জনসংখ্যা অধ্যুষিত রাজ্যটির নাগরিকদের অধিকাংশই পদ্ম প্রতীকে ভোট দেননি। তবে দলটির অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে। এর আগের নির্বাচনে দলটি জয় পেয়েছিলো মাত্র ৩ আসনে। আর প্রায় অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়ে গেছে কংগ্রেস-বাম জোট।

[৪] পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটে বিজেপি’র বিপর্যয়ের কারণ জানতে চেয়েছেন অমিত শাহ। রোববার এ কথা জানান, রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গী। নির্বাচনী প্রচারণায় রাজ্যটিতে এসে একাধিক বার ২০০ আসনে জেতার দাবি করেছেন বিজেপি-র সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত।

[৫] জয়ের ব্যাপারে তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘এই জয়ে কোনও বিজয় মিছিল হবে না। এটা আনন্দ করার সময় নয়। রাজ্যে কত মানুষ মারা যাচ্ছেন। আমার নিজের অনেক আত্মীয় মারা গিয়েছেন। এমনকি যারা আমাকে ভোট দিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই নেই। এই অবস্থায় বিজয় মিছিল বা আনন্দ করার মতো মানসিক অবস্থা নেই আমার।’

[৬] পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা নন্দীগ্রামে হেরে গেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। প্রথমে ভারতের একটি গণমাধ্যম জানায়, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পরে ১২০০ ভোটে জিতেছেন মমতা। কিন্তু পরে জানা যায় শুভেন্দু জিতেছেন। এই ঘটনা নিয়ে কমিশনের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করছেন মমতা। বলেছেন, ‘নন্দীগ্রামের মানুষের রায় মেনে নিচ্ছি। কিন্তু ওখানে ভোট লুঠ হয়েছে। আদালতে যাব আমরা।’

[৭] পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও বলেছিলেন, ২০০-র কাছাকাছি আসন পাবে বিজেপি। কিন্তু ফলাফলে তিন অঙ্কেও পৌঁছাতে পারেনি তার দলএরপরেই দিলীপ বলেন, ‘আমরা মাত্র ৩ আসনে জিতেছিলাম ২০১৬ সালে। সেই জায়গায় ৫ বছরে আমরা যেখানে পৌঁছেছি সেটা কম নয়। তবে এটা ঠিক, যে লক্ষ্য আমরা নিয়েছিলাম তার তুলনায় আমাদের সাংগঠনিক ক্ষমতা কম।’

[৮] তিনি আরও বলেন, ‘লোকসভা আর বিধানসভা নির্বাচনের ফলের মধ্যে পার্থক্য ছিলো। আমরা অনেক শক্তি বাড়িয়েছি। কিন্তু রাজ্যের মানুষ আমাদের বিরোধী দল হিসেবেই দেখতে চাইছে। আমরা সেই দায়িত্ব পালন করব।’

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত