শিরোনাম
◈ কোনো দেশের মুখাপেক্ষী নয়, সমমর্যাদার অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ দিল্লিতে সিজেপি নেতাদের আটক, আগেই আন্দোলনের পরবর্তী নেতৃত্ব ঠিক করে রেখেছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ◈ মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় যৌথ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের হিরা ◈ শেখ হাসিনার সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা হয়, তিনি দেশে ফিরতে চান: জি এম কাদের (ভিডিও) ◈ মানববর্জ্য ও কৃষিজ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন, গবেষকদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ◈ ‘ভোট চুরির প্রমাণ চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি, আমাদের কাছে তা আছে’: রাহুল গান্ধী ◈ খুলনার চার থানায় বিশেষ অভিযান, পুলিশ সদস্যদের একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ◈ দিল্লিতে ধর্না থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক, কারণ জানাল পুলিশ ◈ ২০২৭ সালের হজ মিশন ভিসা পেতে ২৭০ এজেন্সিকে জরুরি নির্দেশ, তথ্য জমার শেষ সময় রোববার ◈ চুরির অপরাধে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:০৯ বিকাল
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:০৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] অতিমারির মধ্যেও ২০২০ সালে সামরিক খাতে বৈশ্বিক ব্যয় প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার

সুমাইয়া ঐশী:[২] স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) তথ্য মতে, ২০২০ সালে বিশ্ব সামরিক খাতে ব্যয় ২.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ হাজার ৯৮১ ট্রিলিয়ন ডলার। একই সময়ে করোনার কারণে বিশ্বে প্রবৃদ্ধি কমেছে ৪.৪ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে সামরিক খাতে এত বিপুল পরিমাণ খরচকে অনেকে অযাচিত মনে করলেও এর পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন বেশকিছু বিশ্লেষক। ইয়ন

[৩] এই গবেষণার লেখক, ডিগো লোপেজ ডা সিলভা বলেন, করোনা মহামারির মধ্যে যেকেউ ভাবতে পারেন, সামরিক খাতে ব্যয় কমবে। তবে অনেক হিসাব-নিকাশ করে দেখা গেছে, এই দুঃসময়ে অন্তত সামরিক খাতে করোনা কোনও তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব রাখতে পারেনি।

[৪] অবশ্য এনিয়ে সতর্কও করেছেন লোপেজ ডা সিলভা। তিনি বলেন, ‘সামরিক খাতে যে পরিমাণ ব্যয় করা হয়েছে, সে হিসাবে মহামারির ধাক্কা সামলে উঠতে সময় লাগবে দেশগুলোর’। ২০২০ সালে এই খাতে ব্যয়ের পরিমাণ ২.২ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ২.৪ শতাংশ। ২০০৯ সালে অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে এই খাতে ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অঙ্ক এটিই।

[৫] ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোর জন্য একটি গাইডলাইন হলো, মোট জিডিপির ২ শতাংশ সামরিক খাতে ব্যয় করতে হবে। সে অনুযায়ী, ২০২০ সালে ১২টি দেশ এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে, যেখানে ২০১৯ সালে নয়টি দেশ তাদের প্রবৃদ্ধির দুই শতাংশ খরচ করে সামরিক খাতে।

[৬] সামরিক খাতে ব্যয়ের পরিমাণটি পুনর্বিবেচনার বিষয়ে সরাসরিই ঘোষণা দিয়েছে চিলি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো। তবে ব্রাজিল ও রাশিয়ার মতো অনেক দেশ স্পষ্ট কোনও ঘোষণা না দিলেও ২০২০ সালের মোট বাজেটের তুলনায় এসব দেশ সামরিক খাতে যথেষ্ট পরিমাণ কম অর্থ ব্যয় করেছে।

[৭] লোপেজ ডা সিলভা বলেন, ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলো সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে। তবে, এবার তেমন কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

[৮] এখন পর্যন্ত সামরিক খাতে ব্যয় করা সবচেয়ে বড় দুটি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন। ২০২০ সালে ওয়াশিংটন এই খাতে ব্যয় করেছে ৩৯ শতাংশ এবং চীন ব্যয় করেছে ১৩ শতাংশ। ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ফলে গত ২৬ বছর ধরে সামরিক খাতে ব্যয় বাড়িয়েছে চীন। ২০২০ সালে এই ব্যয়ের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ২৫২ বিলিয়ন ডলারে।

[৯] অন্যদিকে, গত তিন বছর ধরে এই খাতে ব্যয় বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র্রও। বাইডেন প্রশাসন সামরিক ব্যয় বাড়াবেন কিনা তা নিয়ে তেমন কিছু জানাননি বলে জানান, লোপেজ ডা সিলভা। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল

  • সর্বশেষ