প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আরিফুজ্জামান তুহিন: বিজেপি ভ্যাকসিন পলিটিক্স করতে গিয়ে বাংলাদেশকে যেমন পথে বসিয়ে দিয়েছে, তেমনি নিজ দেশের মানুষকেও পথে বসিয়েছে!

আরিফুজ্জামান তুহিন: মৃত্যুর মিছিল থামাতে কিছু একটা করুন সরকার বাহাদুর। সাহস থাকলে ফেসবুক টুইটারে # indianeedoxygen হ্যাশট্যাগ ক্লিক করে একবার ঘুরে আসেন। কী ভয়াবহ মানবিক বির্পযয়ের চিত্র। যে পাকিস্তানিদের নাম মুখে নিলে আমাদের জাফর স্যাররা মুখ পরিষ্কার করতে বলেছিলেন, সেই পাকিস্তানের হাজার হাজার তরুণ-তরুণী ভারতের জন্য দোয়া করছেন। ভারতকে সহায়তা দিতে ইমরান খানকে অনুরোধ জানাচ্ছেন। আর আমরা পারলে বিষ পাঠাতাম। এতো ঘৃণা নিয়ে আমরা নাকি বিপ্লব করবো, আমরা নাকি খেলাফত কায়েম করবো। যদি সেটা কেউ পারেও, সেই সমাজ হবে দুনিয়ার নিকৃষ্ট জালেমের সমাজ। আমাদের সামর্থ্য নেই জানি, কিন্তু মানুষ যখন মরে, শ্বাস কষ্টে মরছে সেই সময়টা কল্পনা করুন। নিজে, সন্তান, বাবা-মা বা স্ত্রী কিম্বা ভাই বোনের কথা কল্পনা করুন।

আপনার যদি শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাহলে ভাববেন এখনো আপনি মানুষ আছেন। তৃতীয় এই স্টেন্টটা যদি ভারত থেকে বাংলাদেশে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ে ভারতের চেয়ে মারাত্মক পরিস্থিতি দেশে ঘটবে। এই মৃত্যুর ঢল আমরা সামলাতে পারব না। অর্থনীতি বাঁচবে না, ওমুক বাঁচেব না, গার্মেন্টস বাঁচবে না, রপ্তানি থাকবে না-এসব ভুয়া কথাবার্তা শুনে আমাদের লাভ নেই। যদি আমরা জনগণ না বাঁচি তাহলে এসব চুলের (পড়ুন হিন্দি শব্দে) অর্থনীতি বাঁচিয়ে কার লাভ? টাকা নিয়ে ব্যবসায়ীরা মঙ্গলে বসতি গড়বে? কোভিড মোকাবেলা সরকার বাহাদুর কেরালা মডেল ফলো করেন।

বিসনেসের দিকে তাকাইয়েন না। মানুষ বেঁচে থাকলে পরে আমাদের রক্ত টেনে ব্যাগ ভইরেন, পরে তা বেঁচে দিয়েন। শক্ত হাতে মনিটরিং করুন প্রধানমন্ত্রী। এটা ছেলে খেলা না। বিজেপি ভ্যাকসিন পলিটিক্স করতে গিয়ে বাংলাদেশকে যেমন পথে বসিয়ে দিয়েছে, তেমনি নিজ দেশের মানুষকেও পথে বসিয়েছে। আঞ্চলিক পরাশক্তির জোসটা না দেখালে আমরা সহজে চীন, রাশিয়ার কাছ থেকে ভ্যাকসিন পেতে পারতাম। আমাদের কী কী রিসোর্স আছে হিসেব করুন। অক্সিজেনের উৎপাদন দ্রুততার সাথে কীভাবে বাড়ানো যায় ভাবুন। আমাদের ব্যাংকে প্রচুর রিজার্ভ, দরকার হলে বিমানে করে দ্রুত চীন থেকে আইসিইউ বেড কিনে আনুন। দশটা কার্গো বিমানে  আইসিইউ আসুক।

বিদেশ থেকে অক্সিজেন কিনুন, জাহাজে রওনা দিক। আমরা আগে বাঁচি, তারপর বিস্নেস, রাজনীতি সব কইরেন।  গুজরাটে মসজিদকে করা হয়েছে অস্থায়ী হাসপাতাল। এক ব্যবসায়ী তার কারখানার অক্সিজেন ফ্রিতে দেওয়া শুরু করেছেন। এ দেশে কোনো সশস্ত্র গ্রুপ নেই যে, তারা বন্দুক হাতে এরকম পরিস্থিতিতে ক্ষমতা নেবে। ফলে ভয় পাবার কিছু নেই। যা করার এখনই করেন। মৃত্যুর মিছিল বন্ধের চেষ্টা করেন। আমরা জনগণ আপনার আপনাদের পাশে থাকবো। ঝগড়া ফ্যাসাদ পরে করা যাবে। যদি মানুষ না বাঁচে তাহলে আপনাদের সরকারের উন্নয়নের বিজ্ঞাপন দেখে শেষ মানুষটাও বেঁচে থাকবে না হাততালি দেবার জন্য। indianeedoxygen, WeStandWithIndia, GetWellSoonIndia, ফেসবুক থেকে, মামুন

সর্বাধিক পঠিত