শিরোনাম
◈ ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ৩২ রুটে বাস ফ্র্যাঞ্চাইজি চালুর নির্দেশ সরকারের ◈ যে ৪ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে ◈ ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন মানবাধিকারকর্মী নাভি পিল্লাই ◈ চালের বাজারে অস্থিরতা: পরিবহন ব্যয় ও ধানের দাম বৃদ্ধিতে কেজিতে বেড়েছে ২-৪ টাকা! ◈ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ◈ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যার ঘটনায় অটোরিকশার চালক সুমন গ্রেপ্তার ◈ বাংলাদেশ পুলিশে বড় নিয়োগ, আবেদন যেভাবে ◈ ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পোস্টাল ভোটিং প্রযুক্তি নিতে চায় নেপাল-শ্রীলঙ্কা ◈ ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ডিএনএ অধিদপ্তরে জনবলসংকট, ৬৪ পদের ৫৯টিই শূন্য ◈ মাইক্রোসফট-অ্যাডোবিসহ মার্কিন ও ভারতীয় ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:১৮ সকাল
আপডেট : ২৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:১৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ম ইনামুল হক: বাংলাদেশের গরিব খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠীর কথা বলতে গেলে বুক ভারী হয়ে যায়

ম ইনামুল হক : আওয়ামী লীগ এই সংকট থেকে বেরুতে পারবে না, স্বাস্থ্য গুরুদের প্ররোচনায় আওয়ামী লীগ দেশব্যাপী কড়া লকডাউন দিয়ে এক অভূতপূর্ব সংকট সৃষ্টি করেছে। এ থেকে সে আর বেরুতে পারবে না। এর আগে, সহনীয় লকডাউন দেয়োর সাথে সাথেই জনগণ প্রতিবাদ করে বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। তখন কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করা হয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় থাকার উদগ্র আকাক্সক্ষায় আওয়ামী লীগ যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তত, তাই সে করেছে। আওয়ামী লীগের সমর্থক বীর মুক্তিযোদ্ধা, আমলা ও রাজনীতিবিদরা বিগত ১২ বছরে পাহাড় প্রমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে শহরের দালান কোটায় নিশ্চিন্তে আছে। তাদের সন্তানরা রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন পদে নিয়োজিত হয়ে নিশ্চিত বেতন ভাতা পেয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এবারের কড়া লকডাউন দেশবাসীর নিম্ন মধ্যবিত্ত সমাজের মাজা ভেঙে দিয়েছে। মধ্যবিত্ত হুমকির মধ্যে পড়েছে। তারা আর উঠতে পারবে না। বাংলাদেশের গরিব খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠীর কথা বলতে গেলে বুক ভারী হয়ে যায়।
মিথ্যাচার ও প্রতারণাপূর্ণ সংস্কৃতির সমাজে পরস্পরের পকেট মারা অর্থনীতিতে তারা কোনক্রমে বেঁচে ছিলো। এখন তাদের দিকে তাকিয়ে দেখার কেউ নেই। শহরে বিত্তশালীরা করোনার টিকা নিয়ে কাতারে কাতারে মরছে। তাদের মৃত্যুর হিসেব হচ্ছে, কিন্তু গ্রামে কতো লোক না খেয়ে মরছে, তার কোনো হিসেব নেই। আওয়ামী লীগ এই সংকট থেকে বেরুতে পারবে না। ঈদের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চাইলেও স্বাভাবিক হবে না। তার শাসনামলে সৃষ্ট সুবিধাভোগী উচ্চবিত্তের মধ্যেও একধরনের অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সারা দেশের জনগণ থেকে দল ও রাষ্ট্রীয় প্রশাসন বিচ্ছিন্ন, ফলে পরিস্থিতি যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে। আওয়ামী লীগকেই এর পরিণতির দায় বহন করতে হবে।
লেখক : প্রকৌশলী আহবায়ক, সর্বজন বিপ্লবী দল

  • সর্বশেষ