প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মুনশি জাকির হোসেন: পলিটিক্যাল ইসলামের বহুমাত্রিকতা

মুনশি জাকির হোসেন: জিন্নাহ, পাকিস্তান, জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া সকলেই ধর্মের কার্ড খেলেছিলো। কিন্তু নিজেদের ব্যক্তি জীবনে সকলেই  ধর্মচর্চা ছাড়াই চলেছে, এটাই পলিটিক্যাল ইসলাম। শরিয়া আইনের প্রয়োগ ব্রুনাই কিংবা সৌদিতে আছে। অথচ শরিয়া আইনের যথাযথ প্রয়োগ হলে ওই দুই দেশের রাজ পরিবারের প্রায় সকলকেই পাথর ছুড়ে হত্যা করার কথা। কারণ তারা ব্যাভিচারে লিপ্ত। এটাও পলিটিক্যাল ইসলামের একটি দিক। বাংলাদেশের হেফাজতের নেতাদের অপকর্মের ক্ষেত্রেও একই বক্তব্য। তারা ধর্মটাকে নিজেদের আরাম, আয়েশ, বিনোদনের অন্যতম পাথেয় বানিয়েছে। তারা নিরীহ, এতিম বাচ্চাদের আগুনের মুখে ঠেলে দেয়। অথচ নিজ সন্তানদের নিরাপদে রাখে। এটিও পলিটিক্যাল ইসলাম। পলিটিক্যাল ইসলামের বাংলাদেশে নব্য খতিব হিসাবে নূরা নতুন ফতোয়া দিচ্ছে।

আওয়ামী লীগের কেউ সহিহ মুসলিম না। কারণ তাদের ঈমান, আকিদা, নামাজ, রোজা নাকি প্রশ্নবিদ্ধ। অথচ এই নূরা যাদের সঙ্গে এখন ঘষাঘষি করে তাদের বেশির ভাগের জীবনাচরণ ইসলাম ধর্মের নীতি বিরুদ্ধ। জোনায়েদ সাকি, ড. আসিফ নজরুলসহ বামাতি পাড়ার যারা আছে তাদের কেউই তো ধর্মানুরাগী নয়। আজকের বাংলাদেশে ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির টাকায় মসজিদ, মাদ্রাসা হচ্ছে। ক্ষেত্র বিশেষে সরকারের খাস জমি দখল করে মসজিদ/মাদ্রাসার সাইন বোর্ড টানানো হচ্ছে এক অংশে বাকিটুকু দখল করছে। এটিও পলিটিক্যাল ইসলাম। পলিটিক্যাল ইসলাম সবচেয়ে বিষাক্ত এবং বিষের কার্যকর (জনগনকে বিভ্রান্ত করার অর্থে) ব্যবহার করেছে জামায়াত/শিবির। বর্তমানে করছে হেফাজত। একসময়ে এটি করত বিএনপি।  ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত