শিরোনাম
◈ লড়াই ক‌রেও ফাইনালে ওঠা হলো না বাংলা‌দেশ এইচপি দ‌লের ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ ◈ ‘৬ মাস চলে গেল, আর কয় মাস লাগবে?’—সংসদে স্পিকারের প্রশ্ন ◈ বিপিএল ইস‌্যু‌তে বিসিবির ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট ক্রিকেটাররা ◈ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা বেড়ে ২৬ হাজার কোটি টাকা ◈ ই-কমার্সে প্রতারণার জাল ভাঙতে ৩ নির্দেশনা, গ্রাহকের পাওনা প্রায় ৩,৮৬৯ কোটি টাকা ◈ তফসিলের আগেই মাঠে বিএনপি প্রার্থীরা, একক প্রার্থী নির্ধারণে বাড়ছে চ্যালেঞ্জ ◈ ৭৫ লাখ পাউন্ডে চেলসির গোলপোস্টের নতুন প্রহরী আ‌র্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ◈ ছিনতাইকারীর টানে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু, গ্রেফতার আসামিদের নিয়ে যা জানালো র‌্যাব ◈ সংসদে মির্জা ফখরুলের চেয়ারে বসছেন সালাহউদ্দিন আহমদ, উপনেতা হচ্ছেন কি

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:০১ সকাল
আপডেট : ১৪ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:০১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনার প্রভাবে শিশুশ্রম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশে ধীরে ধীরে শিশুশ্রম কমে এলেও করোনা ভাইরাসের প্রভাবে তা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। শিশুশ্রম বিশেষত ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। ইত্তেফাক

গতকাল বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানায়। ভার্চুয়ালি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমানে শ্রম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়াও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন শিশু অধিকার ফোরামের আব্দুস সহিদ মাহমুদ। এ সময় বলা হয়, ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুযায়ী, দেশে শিশুশ্রমিক ১৭ লাখ। এর মধ্যে ১২ লাখ ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে রয়েছে। তবে এ তালিকায় বেশির ভাগ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত নেই। এছাড়া করোনা ভাইরাসের কারণে ফের শিশুশ্রমিক বেড়ে যাবে। চলতি ২০২১ সালকে জাতিসংঘ শিশুশ্রম নিরসনের বছর হিসেবে ঘোষণা করেছে।

এছাড়া টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করতে হলে চলতি বছরের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন ও আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সব খাতের শিশুশ্রম নিরসন করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক খাতের বাইরে অন্যান্য খাতকেও শিশুশ্রম নিরসনের কার্যক্রমের আওতায় আনতে হবে।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ১ লাখ শিশুকে শিশুশ্রম থেকে বের করে আনার লক্ষ্যে তার দায়িত্বের সময়ে ২৮৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন হয়। কিন্তু বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্তরা গত দুই বছরেও এনজিও সিলেকশন করতে না পারায় এ কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। এটিকে মন্ত্রণালয়ের আন্তরিকতার অভাব বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় আইএলওর ন্যাশনাল প্রোগ্রাম কো অর্ডিনেটর সৈয়দা মুনিরা সুলতানা শিশুশ্রম নিরসনে তাদের নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যত্ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করেন।

  • সর্বশেষ