শিরোনাম
◈ পুঁজিবাজারে নতুন বড় কোম্পানি: বিআরবি ক্যাবলের আইপিওর প্রস্তুতি শুরু ◈ বাংলাদেশে ধর্ষণ ও হত্যার আলোচিত ছয়টি মামলা কী অবস্থায় আছে?  ◈ কোরবানির পরবর্তী সাতদিন ঢাকার বাইরে থেকে চামড়া ঢাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে ◈ ট্রাম্পের 'পাগলামি' ও বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকার একাকীত্ব  ◈ কুয়েতে ২৪০ টন খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ চিনিযুক্ত পণ্যে কর কমানোর ভাবনা, স্বয়ংক্রিয় ট্যাক্স রিফান্ড চালুর পরিকল্পনা এনবিআরের ◈ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রডবোঝাই ট্রাক খাদে উল্টে নিহত ১৫ ◈ ঈদে জাতীয় ঈদগাহে থাকছেন তারেক রহমান, নিজ নিজ এলাকায় নামাজ পড়বেন মন্ত্রীরা ◈ স্পেন-ফ্রান্স-যুক্তরাজ্যে অস্বাভাবিক গরম, সতর্কতা জারি! ◈ ‘চীনের এই বিপদে বাংলাদেশ পাশে আছে’, শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর, নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:৩০ সকাল
আপডেট : ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লকডাউনে যা যা করা যাবে, যা করা যাবে না

অনলাইন ডেস্ক : দেশে মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ায় আগামী বুধবার থেকে সারা দেশে ‘কঠোর লকডাউন’ শুরু হচ্ছে। এই বিধিনিষেধ ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। লকডাউনের এ সময়ে দেশের নাগরিকরা কী কী করতে পারবে আর কী কী করতে পারবে না সে বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ জার্নাল

করোনার বিস্তার রোধে সাতদিনের বিধিনিষেধের মধ্যে জরুরি পণ্য পরিবহন সড়কে চলবে। উৎপাদন ব্যবস্থা চালু থাকবে। জরুরি সেবা দেয়া যাবে। শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু রাখতে পারবে, সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান থেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শ্রমিকদের আনা-নেয়া করা যাবে।

জরুরি পরিষেবাও দেয়া যাবে। এর মধ্যে রয়েছে- কৃষি উপকরণ, খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম চালু থাকবে।

টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি) সেবা দেয়া যাবে। গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া) কর্মীরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

এদিকে প্রজ্ঞাপনে সুপ্রিম কোর্ট তার অধস্তন আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা আছে। তবে গতকাল আদালতগুলোর জন্য রমজানের নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মরদেহ দাফন/সৎকার সংশ্লিষ্ট কাজ করা যাবে। টিকা কার্ড দেখিয়ে টিকা নেয়ার জন্য যাতায়াত করা যাবে।

যা করা যাবে না

সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকলেও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে, কোনোভাবেই কর্মস্থল ছেড়ে যাওয়া যাবে না। এ সময়ের মধ্যে জনসাধারণকে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা এবং সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁ খোলা রাখা যাবে না।

শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখতে হবে। কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টার আগে এবং বিকেল ৩টার পর বিক্রি করা যাবে না।

জুমা ও তারাবির নামাজে জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে এক নির্দেশনায় জুমার আগে ও পরে জনসমাগম না করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

শুক্রবার দুপুরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, দেশে করোনা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার। মানুষকে ঘরে থাকতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে আসতে পারবে না, এটা এবার নিশ্চিত করা হবে। জরুরি সেবা ছাড়া, সব ধরণের অফিস আদালত, গণপরিবহন, দোকানপাট, মার্কেট সব কিছুই বন্ধ থাকবে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের তথ্য জানায় সরকার। করোনায় প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। এরপর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল। প্রথমে ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হলেও পরে কয়েক দফায় বাড়িয়ে টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ছিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়