শিরোনাম
◈ ফের রণক্ষেত্র শাহবাগ, পুলিশের লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ আন্দোলনকারীরা ◈ মালয়েশিয়া ছাড়ছে অবৈধ অভিবাসীরা, শীর্ষে বাংলাদেশিরা ◈ বাংলা‌দেশবী‌হিন বিশ্বকাপের পর্দা উঠ‌ছে শ‌নিবার, জমকা‌লো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা থাকছে ◈ কর্মস্থলে ডে-কেয়ার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির ◈ যমুনার সামনে সংঘর্ষের সময় ‘গুলি ছোড়া হয়নি’, দাবি প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের ◈ উন্নত দেশের সঙ্গে প্রথম পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক চুক্তিতে বাংলাদেশ ◈ জুলাই সনদ জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: তারেক রহমান ◈ ‘উই হ্যাভ আ প্ল্যান’ যে কারণে বলেছিলেন তারেক রহমান ◈ ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা: নয় দফা প্রতিশ্রুতি, পাঁচ ভাগে পরিকল্পনা ◈ ইনকিলাব মঞ্চের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, জাবের-জুমা-আম্মারসহ আহত অনেকে

প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:০৩ বিকাল
আপডেট : ০৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:০৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বৈশাখী উপলক্ষে সহস্রাধিক শিখ পুণ্যার্থীকে ভিসা দিল পাকিস্তান

রাশিদুল ইসলাম : [২] সম্প্রীতির আলো দেখছে ভারত ও পাকিস্তান। সেপিয়ানের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গত দুই মাস গোলাগুলির আওয়াজ ভেসে আসেনি। সীমান্ত সংঘর্ষে কেঁপে ওঠেনি বানিহালও। দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার জেরে উপত্যকা এখন আগের চাইতে অনেক শান্ত। স্বীকার করেছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নাভরানে। টাইমস অব ইন্ডিয়া

[৩] বৈশাখী পার্বণ। শিখদের পবিত্র উৎসব। আগামী ১২ থেকে ২২ এপ্রিলের মধ্যে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা অগণিত শিখ ধর্মাবলম্বী মানুষ মেতে ওঠেন নববর্ষের এই পরবে। পাকিস্তানেও বৈশাখী ধুমধাম করে পালিত হয়। কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে। এবছরও বিশেষ ‘পিলগ্রিম ভিসা’ পেলেন ভারতের ১১শ শিখ পুন্যার্থী।

[৪] ১৯৭৪ সাল থেকে দ্বিপাক্ষিক প্রোটোকল মেনে বছরের এই বিশেষ দিনে প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তানে ভারতের অনেক পুণ্যার্থী পাড়ি দেন। দিন দশেক ধরে চলে নানান অনুষ্ঠান ও আয়োজন।

[৫] ১৬৯৯ সালে এই দিনেই শিখ সম্প্রদায়ের দশম গুরু গোবিন্দ সিং খালসা প্রতিষ্ঠা করেন। সাধারণত ১৩ এপ্রিল, বৈশাখী অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেক গুরুদুয়ারাতে এদিন পবিত্র ‘গ্রন্থসাহেব’ পাঠ করা হয়। ইদানীং ব্যক্তিগত কিংবা কোনও সংস্থার উদ্যোগে গ্রন্থসাহেব নিয়ে আয়োজিত হয় শোভাযাত্রাও। তরোয়াল হাতে পাঁচ জন ধর্মীয় নেতা (‘পঞ্চ পেয়ারে’) তার নেতৃত্ব দেন। কীর্তন, তলোয়ার খেলা এবং ভাংরা নাচের মাধ্যমে দিনটি আনন্দময় হয়ে ওঠে।

[৬] অবিভক্ত পাঞ্জাবে কাটাস রাজের মাজারে বসত বৈশাখীর মেলা। যোগ দিতেন ১০ হাজার ভক্ত। একইভাবে বৈরাগী বাবা রাম থামানের মাজারেও নতুন বছরের মেলায় ৬০ হাজারেরও বেশি পুণ্যার্থী পা বাড়াতেন বলে জানা গিয়েছে। পাকিস্তান সৃষ্টি হবার পর হিন্দু জনস্রোত এদেশে চলে এলেও পীঠস্থানগুলির অধিকাংশই রয়ে গিয়েছে। আগের মতো ততটা বর্ণোজ্জ্বল জমায়েত না হলেও ভক্তমহলে টান কিন্তু এতটুকু কমেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়