শিরোনাম
◈ ‘আমরা থানা পুড়িয়েছি, এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’ : বৈষম্যবিরোধী নেতা ◈ টিকে থাকলেও থমকে গেল গতি—২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির বাস্তব চিত্র ◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণে নতুন রেকর্ড ◈ অধ্যাদেশ জারি: অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ব্যাংক গ্যারান্টি এক কোটি টাকা ◈ এ মাসের মধ্যেই হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে: নৌ উপদেষ্টা ◈ বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ‌লে নেই শান্ত ◈ হলফনামায় চমক: জোনায়েদ সাকির চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ অনেক বেশি ◈ নি‌জের মাঠেই হোঁচট খে‌লো লিভারপুল ◈ বাছাইয়ের প্রথম দিনে বিএনপি-জামায়াতসহ হেভিওয়েট যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলো ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী পাবেন, ‘না’ দিলে কী পাবেন না

প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:০৩ বিকাল
আপডেট : ০৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:০৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বৈশাখী উপলক্ষে সহস্রাধিক শিখ পুণ্যার্থীকে ভিসা দিল পাকিস্তান

রাশিদুল ইসলাম : [২] সম্প্রীতির আলো দেখছে ভারত ও পাকিস্তান। সেপিয়ানের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গত দুই মাস গোলাগুলির আওয়াজ ভেসে আসেনি। সীমান্ত সংঘর্ষে কেঁপে ওঠেনি বানিহালও। দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার জেরে উপত্যকা এখন আগের চাইতে অনেক শান্ত। স্বীকার করেছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নাভরানে। টাইমস অব ইন্ডিয়া

[৩] বৈশাখী পার্বণ। শিখদের পবিত্র উৎসব। আগামী ১২ থেকে ২২ এপ্রিলের মধ্যে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা অগণিত শিখ ধর্মাবলম্বী মানুষ মেতে ওঠেন নববর্ষের এই পরবে। পাকিস্তানেও বৈশাখী ধুমধাম করে পালিত হয়। কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে। এবছরও বিশেষ ‘পিলগ্রিম ভিসা’ পেলেন ভারতের ১১শ শিখ পুন্যার্থী।

[৪] ১৯৭৪ সাল থেকে দ্বিপাক্ষিক প্রোটোকল মেনে বছরের এই বিশেষ দিনে প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তানে ভারতের অনেক পুণ্যার্থী পাড়ি দেন। দিন দশেক ধরে চলে নানান অনুষ্ঠান ও আয়োজন।

[৫] ১৬৯৯ সালে এই দিনেই শিখ সম্প্রদায়ের দশম গুরু গোবিন্দ সিং খালসা প্রতিষ্ঠা করেন। সাধারণত ১৩ এপ্রিল, বৈশাখী অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেক গুরুদুয়ারাতে এদিন পবিত্র ‘গ্রন্থসাহেব’ পাঠ করা হয়। ইদানীং ব্যক্তিগত কিংবা কোনও সংস্থার উদ্যোগে গ্রন্থসাহেব নিয়ে আয়োজিত হয় শোভাযাত্রাও। তরোয়াল হাতে পাঁচ জন ধর্মীয় নেতা (‘পঞ্চ পেয়ারে’) তার নেতৃত্ব দেন। কীর্তন, তলোয়ার খেলা এবং ভাংরা নাচের মাধ্যমে দিনটি আনন্দময় হয়ে ওঠে।

[৬] অবিভক্ত পাঞ্জাবে কাটাস রাজের মাজারে বসত বৈশাখীর মেলা। যোগ দিতেন ১০ হাজার ভক্ত। একইভাবে বৈরাগী বাবা রাম থামানের মাজারেও নতুন বছরের মেলায় ৬০ হাজারেরও বেশি পুণ্যার্থী পা বাড়াতেন বলে জানা গিয়েছে। পাকিস্তান সৃষ্টি হবার পর হিন্দু জনস্রোত এদেশে চলে এলেও পীঠস্থানগুলির অধিকাংশই রয়ে গিয়েছে। আগের মতো ততটা বর্ণোজ্জ্বল জমায়েত না হলেও ভক্তমহলে টান কিন্তু এতটুকু কমেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়