শিরোনাম
◈ বালু থেকে চিপ শিল্পের পথে বাংলাদেশ : ৮ নদীর বালুতে সেমিকন্ডাক্টরের সম্ভাবনা, সংগ্রহ করা হয়েছে ৬৬০০ নমুনা ◈ ২০০ কি.মি.র ভোগান্তি শেষ: যমুনায় ২ নদীবন্দরে বদলে যাচ্ছে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি ◈ আগস্টের ১১ দিনেই রেমিট্যান্স এলো ১৩৯ কোটি ডলার ◈ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার ◈ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল ◈ সি‌রি‌জের প্রথম টেস্টে বৃহস্প‌তিবার বাংলা‌দেশ-অ‌স্ট্রেলিয়া মু‌খোমু‌খি, ৪ পেসার নিয়ে খেলবে টাইগাররা ◈ পুলিশে বড় রদবদল, কমিশনার-ডিআইজি-এসপিসহ বদলি ২৩ কর্মকর্তা ◈ ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন রাজনৈতিক জোকার: চিফ প্রসিকিউটর (ভিডিও) ◈ বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর দিলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ◈ বিপ্লব কুমারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০৮:৫১ সকাল
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০৮:৫১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেলকুচিতে আজ উদ্বোধন দৃষ্টিনন্দন মসজিদের

ডেস্ক রিপোর্ট: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে দৃষ্টিনন্দন আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ। সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কের বেলকুচি পৌর সদরে অবস্থিত। আজ জুমার নামাজের মধ্য দিয়ে এর উদ্বোধন করা হবে। ইত্তেফাক

২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসের দিকে মুকুন্দগাতী গ্রামের কৃতী সন্তান শিল্পপতি আলহাজ মোহাম্মদ আলী সরকার বেলকুচি পৌর ভবনসংলগ্ন দক্ষিণে এক একর জায়গার ওপর তার ছেলে আল-আমান ও মা বাহেলা খাতুনের নামে ‘আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ’ কমপ্লেক্স নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদটি নির্মাণ করেন। এটি নির্মাণে সময় লেগেছে ৯ বছর। শুরু থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪৫ জন শ্রমিক কাজ করেছেন। রহমত গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ আলী সরকার এ মসজিদ কমপ্লেক্সসহ বাহেলা খাতুন চক্ষু হাসপাতাল নির্মাণ করেছেন। এই হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে বিনা মূল্যে এলাকার অসহায় দুস্থ রোগীদের সেবা দিয়ে আসছে। এই শিল্পপতি গত বছরের আগস্ট মাসে ইন্তেকাল করেছেন। এরপর তার পরিবার মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ করেছেন।

মসজিদের খাদেম আব্দুল মান্নান বলেন, এ মসজিদে ছাই রঙের বিশাল আকৃতির মনোরম একটি গম্বুজ রয়েছে। এছাড়া মেঝেতে সাদা রঙের ঝকঝকে তকতকে টাইলস ও পিলারগুলোতে মার্বেল পাথর জড়ানো। তৃতীয় তলায় গম্বুজের সঙ্গে লাগানো চায়না থেকে আনা একটিসহ অন্যান্য স্থানে বেশ কয়েকটি আলোঝলমল ঝাড়বাতি লাগানো হয়েছে। দুই পাশে নির্মাণাধীন ১১ তলা (১১০ ফিট) উচ্চতার মিনার।

মসজিদ নির্মাণের মূল দায়িত্বপালনকারী আলহাজ ওয়াজেদ আলী জানান, এখানে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের থাকার জন্য মসজিদের পাশে ১০ তলা ভবনে নিজস্ব কোয়ার্টার। পাঠাগার ও শৌচাগার রয়েছে। সেই সঙ্গে মসজিদের প্রবেশ পথের দুই সিঁড়ির পাশে কাচে ঘেরা অটো ফিল্টার করা পানি দিয়ে ওজুর ব্যবস্থা আছে।

এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাজেদুল জানান, প্রথম দেখাতেই যে কারো দৃষ্টি কাড়ে এ মসজিদটি। এটা নিছক উপাসনালয় নয়। পর্যটকের কাছে এই মসজিদের নির্মাণশৈলী বেশ আকর্ষণীয়। ব্যস্ত সড়কে যাতায়াতকারী যে কেউ প্রথম দেখাতেই থমকে দাঁড়ান। পৌর সদরে হওয়ায় এরই মধ্যে মসজিদ কমপ্লেক্স ঘিরে পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়