প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন স্থানে হামলা ভাংচুর, রেলস্টেশনে অগ্নিসংযোগ

তৌহিদুর রহমান : [২] ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকায় সফরকে কেন্দ্র্র করে ও ঢাকা, চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে মাদ্রাসা ছাত্রসহ মুসল্লিদের উপর হামলার প্রতিবাদে উপ্তত্ত হয়ে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

[৩] শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় শহরের প্রধান সড়ক টিএ রোডে মাদ্রাসরা ব্যাপক বিক্ষোভ করে। এসময় প্রধান সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধরা সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।

[৪] পরে রেল স্টেশনে বিক্ষোভ করে আগুন ধরিয়ে দেয়। রেল স্টেশনের সিগন্যাল, মাস্টার রুম, কন্ট্রোল রুম অন্যান্যদের কর্মকর্তাদের কক্ষ ব্যাপক ভাংচুর করে। সিগন্যাল বক্স ভেঙ্গে ফেলায় ঢাকার সাথে সিলেট ও চট্টগ্রামের সাথে সকল প্রকার ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। ঢাকাগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে প্রবেশ করার সময় বিক্ষুব্ধরা পাথর নিক্ষেপ করলে ট্রেনটি ফিরে যায়। জেলা পরিষদ কার্যালয় বিকেল সোয়া ৫টায় ব্যাপক হামলা চালানো হয়।

[৫] শহরের কাউতলী, ভাদুঘরে ব্যাপক ভাংচুর চালানো হয়। সড়কে আগুন ধরিয়ে রাস্তায় অবরোধ করা হয়। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিশ^রোড, কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুহিলপুর, নন্দনপুর, মজলিশপুর, ঘাটুরাসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়।

[৬] এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লা সকল যানবাহন বন্ধ রয়েছে। শহরের জেলা পরিষদ, পৌর মুক্ত মঞ্চ, পৌর মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে ফেলে। শহরের বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা সিসিটিভি ক্যামেরা ভাংচুর করা হয়। উগ্র বিক্ষুব্ধরা নরেন্দ্র মোদী বিরোধী শ্লোগান দেয়।

[৭] এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান সহ বিভিন্ন উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের মুঠোফোন রিসিভ করেননি। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বাধিক পঠিত