প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মৌলভীবাজারের জলের গ্রাম অন্তেহরী পর্যটনের সম্ভাবনা

স্বপন দেব:[২]  জেলাজুড়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে হাতছানি পযর্টকদের এখানে বারবার টেনে আনে। এ জেলার সাতটি উপজেলায় রয়েছে পাহাড়, ঝর্ণা জলপ্রপাত, সবুজ গালিচার অপূর্ব চা বাগান, লাউয়াছড়া ও মাধবকুন্ড ইকোপার্ক, বিশাল হাকালুকি হাওরসহ ছোটবড় হাওর বাওর আর মিঠাপানির মৎস ভান্ডার। এখানে আরও রয়েছে নদ-নদী, নানা জাতের বৃক্ষরাজী, জলাবন।

[৩] কি নেই এ জেলায়। শুধু চোখ দিয়ে দেখা যাবে প্রকৃতি যেন দু’হাত দিয়ে সাজিয়ে দিয়েছে গোটা জেলাকে। তাইতো প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই ছোটে আসেন হাজার হাজার দেশী বিদেশী পযর্টক। সিলেট বিভাগের অন্য তিনটি জেলার মতো মৌলভীবাজারে প্রাকৃতিক মনোমুগ্ধ রুপের সাথে রয়েছে প্রতিটি ধর্মের আধ্যাত্বিক তীর্থস্থান যা ধর্মপ্রাণ মানুষকে এ বিভাগে আসতে আকৃষ্ট করে।

[৪] তেমনি অদেখা একটি জলের গ্রাম মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার অন্তেহরী। বছরের প্রায় ৭-৮ মাস এ গ্রামটির মানুষ পানিবন্দি থাকেন। যেদিকে চোখ যায় শুধু পানি আর পানি তার মধ্যে ছবির মতো ভেসে আছে ছোট ছোট গ্রাম। অনেক পর্যটকের কাছে এই জলের গ্রামটি এখনো রয়ে গেছে অচেনা অজানা। রাজনগর উপজেলার কাওয়াদীঘী হাওড়ের কোল ঘেষে জলের গ্রাম অন্তেহরীর অবস্থান।

[৫] গ্রামটি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন এ জেলার সাবেক জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরীণ ও এডিসি(রাজস্ব) মল্লিকা দে। জেলা প্রশাসনের আগ্রহে স্থানীয় এমপি নেছার আহমদ এ গ্রামটি ঘুরে দেখার জন্য একটি আধুনিক নৌকা ঘাট নিমার্ণ করে দিয়েছেন। চলমান রয়েছে আরো উন্নয়ন কর্মকান্ড।

[৬] বছরের বেশিটা সময় জলমগ্ন এ গ্রামটি বাংলাদেশের অন্যান্য গ্রাম থেকে অনেকটা আলাদা। পুরো গ্রাম যেন পানির ওপর ভাসছে। গ্রামের প্রতিটি বাড়ির ফাকে ফাকে রয়েছে নানান প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ যেন অন্য ধরণের মনমুগ্ধকর দৃশ্য।
অন্তেহরী গ্রামে আছে সোয়াম ফরেস্টে হিজল-তমাল-করছসহ বিভিন্ন গাছগাছালি। এ গ্রামের আশপাশের অনেকগুলো গ্রামে জলাবন রয়েছে। দুচোখ জুড়িয়ে যায় এ গ্রামগুলো দেখে। কোনো গাছের অর্ধেকটা ডুবে আছে সেই পানিতে।সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

সর্বাধিক পঠিত