প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সুলতান মির্জা: নিহত ৫৭ সেনা কর্মকর্তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করছি

সুলতান মির্জা: ২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হলেও গেজেট নোটিফিকেশন, মন্ত্রিসভা গঠন, মন্ত্রীদের শপথ শেষে সরকার গঠন বলা যায় ২০০৯ সাল আওয়ামী লীগ মাত্র ক্ষমতায় এলো, শেখ হাসিনার সরকারের মাথায় অগ্রাধিকার বিদ্যুৎ সমস্যা, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, অর্থনৈতিক অবকাঠামোর ভঙ্গুর পরিস্থিতিসহ নানান মাথায় নানান বোঝা। প্রথম ১০০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা হলো, বিদ্যুৎ সমস্যা থেকে কীভাবে দ্রুত বের হওয়া যায়, ভাঙাচোরা রাস্তা ঘাট নির্মাণ, বাজারের লাগাম টেনে ধরাসহ প্রয়োজনীয় সকল পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের পথ চলা শুরু, মন্ত্রীরা মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছে তবে অনেক কাজ বুঝেই উঠতে পারেনি। ঠিক ওই সময়ের মধ্যেই ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদরদপ্তরে সংগঠিত হলো ইতিহাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ড।

২৫ ফেব্রুয়ারি ১২ বছরপূর্ণ হলো বিডিআর পিলখানার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের। সেদিন এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ প্রাণ হারান মোট ৭৪ জন। তারপরে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোট ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে হত্যার এক মামলায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ২৭৭ জনকে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ২৬২ জনকে তিন মাস থেকে ১৯ বছর করে কারাদণ্ড এবং বিএনপির প্রয়াত নেতা নাসিরুদ্দিন আহমেদ পিন্টুও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীসহ ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে বিদ্রোহের জন্য দায়ের করা ৫৭ মামলায় বিডিআরের মোট পাঁচ হাজার ৯২৬ জন সদস্যের বিভিন্ন মেয়াদে (চার মাস থেকে সাত বছর) কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি বহুল আলোচিত পিলখানা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। রায় প্রদানকারী তিন বিচারপতির স্বাক্ষরের পর ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার এ রায়টি প্রকাশ করা হয়। রায়ের দৈর্ঘ্য এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যার দিক থেকে এটিই বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ রায়। নিহত ৫৭ সেনা কর্মকর্তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করছি। পাশপাশি খুব দ্রুত রায় বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অপরাধীদের বিচার নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত