প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] তেল-চাল-চিনির দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই, বাড়ার আশংকায় ব্যবসায়ীরা

শাহীন খন্দকার: [২] এক সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। শুক্রবার কারওয়ানবাজার-কৃষি মার্কেট বাজারসহ টাউনহল, শেখেরটেক, নবোদয় এলাকা ঘুরে বাজারের এ চিত্র দেখা গেছে। কারওয়ানবাজার ভোজ্য তৈল ব্যবসায়ি সিদ্দিক মিঞা জানালেন, কোম্পানী ক্রয় ৮ লিটার রূপচাঁদা ৯৮০ টাকা আর ৫ লিটার ৬৫০ টাকা বাজারে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৫ লিটার ৬৭০ থেকে ৬৯০ টাকায়।

[৩] রাইস ব্র্যাণ্ডের সোয়াবিন ৫ লিটার পাইকারি ক্রয় ৬৫০ টাকা খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৬৮০ থেকে ৭শত টাকা। রয়েল শেফ সানফ্লাওয়ার পাইকারি ৫লিটার ৭৫০ টাকা খুচরা ৮৬০ টাকা। পুষ্টির তৈল খুচরা ৮ লিটার বিক্রি হচ্ছে ১হাজার ৬০ টাকায়।

[৪] শ্যামল সরিষার তৈল ৫ লিটার পাইকারি ৮০০ টাকা, খুচরা বিক্রি হচ্ছে৮৫০ টাকা। খোলা সয়াবিন খুচরা প্রতিলিটার ১২৫ থেকে ১৪০ টাকায়। চিনি ৫০ কেজির বস্তা খুচরা দোকানে ৩১৫০ টাকা আর পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৩১০০ টাকা। খুচরা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৬৪ থেকে ৭০ টাকায়।

[৫] মের্সাস মেঘনা ট্রের্ডাস এর চাল ব্যবসায়ী শাজাহান জানালেন, দেশী কাটারি পালকি ২৫ কেজি বস্তায় গত সপ্তাহে ছিলো ১ হাজার ৬০০ টাকা। পূর্বে বিক্রি হয়েছে ১৪২৫ টাকা। ইণ্ডিয়ান চাল ইণ্ডিয়ান চাল প্রতি মনে ১৭৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। খুচরা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৭ টকা থেকে ৬৫ টাকায় নাজির শাইল। মিনিকেট ২৫ কেজি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১৪৩৭ টাকায়। মিনি কেট কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫৭ টাকায়।

[৬] প্রতি কেজি চালের দাম গত এক সপ্তাহে পাইকারী দরে প্রতি কেজি চালের দাম বেড়েছে ১ টাকা থেকে ২ টাকা। আর খুচরা বাজারে বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা। তিনি আরও বলেন, চালের দাম বৃদ্ধি পাবে, কারণ চালের সরবরাহ নেই। দেশি বিআর-২৮ ও গুটি চাল বাজারে না থাকায় চালের মূল্য বৃদ্ধি একথাও বলেন তিনি।

[৭] মিনিকেট ৬৫ থেকে ৬৮ টাকা, নাজির ৬৫ থেকে ৬৮ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪৮ টাকা, পোলাওয়ের চাল ১০৫ থেকে ১৩০ টাকা।

[৬] বেড়েছে ডিমের দামও, ৫ টাকা বেড়ে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়, হাঁসের ডিম ১৫০থেকে ১৬০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগির ডিমের ডজন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়, কোয়েল পাখির ডিম ডজন বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা।

[৭] মুরগী বিক্রেতা আইয়ুব আলী জানালেন, সোনালি মুরগি কেজি প্রতি ২৪০ থেকে ৩শত টাকা ও ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়, লেয়ার পাকিস্তানি মুরগী বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়।

[৮] বেশিরভাগ সবজির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকার মধ্যে, সেখানে পটল ও ঢেঁড়সের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার ওপরে। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে ঢেঁড়স।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত