শিরোনাম
◈ নবম পে-স্কেলের বেতন কাঠামো প্রকাশ ◈ লর্ডসে পাকিস্তানের ভরাডুবি, সি‌রিজ জিত‌লো ইংল‌্যান্ড ◈ মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম পে-স্কেলের প্রস্তাব অনুমোদন, জানুন প্রজ্ঞাপন ও বেতন কার্যকরের তারিখ ◈ আসিম মুনিরের অস্ত্র কারখানা পরিদর্শন : পূজার আগে পাকিস্তানের হামলার শঙ্কা, নজরদারি বাড়িয়েছে ভারত ◈ ‘পরীক্ষিত’ সিল ছাড়া মাংস বিক্রি করলে দোকান বন্ধ: ডিএসসিসি প্রশাসক ◈ সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত জ্বালানি তেলের দাম ◈ যুব এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে রাতে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তান ◈ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে মূল টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকেরা ◈ রা‌তে নারী এশিয়া কা‌পে ইন্দোনেশিয়ার বিরু‌দ্ধে ম্যাচ দিয়ে লড়াই শুরু বাংলা‌দে‌শের ◈ পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে বাস উল্টে আহত ৮

প্রকাশিত : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৫৬ দুপুর
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৫৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রাজশাহীতে পানির দামে বিক্রি হচ্ছে টমেটো

মঈন উদ্দীন : [২] যে টমেটো গত বছর জমিতে বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে। এবার সেই টমেটো চাষিরা বিক্রি করছেন মাত্র ৫ টাকায়।

[৩] ভরা মৌসুমে টমেটো বিক্রি করতে না পেরে ফেলে দিচ্ছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ীর শত শত টমেটো চাষি।

[৪] চাষিদের অভিযোগ, সস, ক্যাচাপ ও অন্যান্য খাদ্য উপজাত পণ্য প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোর কারসাজিতে রাজশাহীর টমেটো চাষিদের পথে বসার উপক্রম হয়েছে।

[৫] অর্থকরী কৃষিপণ্য হিসাবে টমেটোর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ও চাষিদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কথা দাবি করে কিছু এগ্রো কোম্পানি নিজেদের অবদান প্রচার করলেও মাঠের পরিস্থিতি পুরোপুরি ভিন্ন। পানির দামে টমেটো কিনে নিজেদের মুনাফা বাড়াতেই এসব কোম্পানি পরিকল্পিতভাবে টমেটো চাষিদের ক্ষতির কারণ হয়েছে বলে ভুক্তভোগী একাধিক চাষি অভিযোগ করেছেন।

[৬] কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, দেশে উৎপাদিত উন্নত জাতের টমেটোর অর্ধেকই উৎপন্ন হয় গোদাগাড়ীতে। রাজশাহী অঞ্চলে এগ্রো কোম্পানির কয়েকটি কারখানা চালু হওয়ায় গত কয়েক বছরে গোদাগাড়ীতে টমেটোর আবাদ বেড়েছে। কোম্পানিগুলো চাষিদের কাছ থেকে চুক্তি ভিত্তিতে টমেটো কিনে কারখানায় প্রক্রিয়া করে। আমের মৌসুমে এসব কারখানায় পাল্পও তৈরি করা হয়।

[৭] কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক বছরে কয়েকটি কোম্পানি এগ্রো কারখানা করায় চাষিরা চুক্তিভিত্তিতে টমেটো বিক্রি করে চাষাবাদের খরচ তুলেও আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। তবে এবার এসব কোম্পানির পরিকল্পিত কারসাজিতে প্রতারিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন চাষিরা।

[৮] খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক বিঘা টমেটো আবাদে খরচ হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় ফলন আসে ৪০ থেকে ৪৫ মণ।

[৯] ১৮ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলে এই পরিমাণ টমেটো থেকে চাষির ৫০ হাজার টাকার কিছু বেশি টাকা আসে। পরিবহণ ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে চাষির ঘরে ওঠার কথা সাত থেকে আট হাজার টাকা। কিন্তু এবার অনেক চাষি খরচই তুলতে পারছেন না। সম্পাদনা: জেরিন

 

  • সর্বশেষ