প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মূর্তির দেহ থেকে ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি, আটক ৪

ডেস্ক রিপোর্ট: মন্দিরের মূর্তির শরীরে পরানো ছিল ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার। ১৩ লাখ টাকা দামি এসব অলংকার চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা। বরিশালের উজিরপুরের শিকারপুর ইউনিয়নের তাঁরাবাড়ির উগ্রতাঁরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মন্দির কর্তৃপক্ষ এ ঘটনা টের পায়। দুপুরে সন্দেহজনকভাবে চারজনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হচ্ছেন পরিমল মাঝি, তার ভাই সঞ্জয় মাঝি, গোপাল গাইন ও রনজিৎ দাস। এদের সবাই উজিরপুরের বাসিন্দা।

মন্দির কমিটির সহ-সভাপতি দেবাশীষ দাস ও সাধারণ সম্পাদক অমল দাস গুপ্ত জানান, সোমবার সকালে সেবায়েত গৌরাঙ্গ চক্রবর্তী মন্দিরের একটি দরজা খোলা দেখতে পান। এরপর ভেতরে ঢুকে তিনি দেবীর শরীরে পরিহিত স্বর্ণালংকার দেখতে না পেয়ে স্থানীয়দের অবহিত করেন। দেবীর শরীরে ৩০ ভরি স্বর্ণ ছিল। যার বর্তমান মূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা।

তারা আরও জানান, মন্দিরের একটি দরজার তালা খোলা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই দরজার তালা খুলে সেদিক দিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। মন্দিরের চারদিক সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত এবং ভেতরেও দুটি সিসি ক্যামেরা রয়েছে। দুর্বৃত্তরা বাইরের সিসি ক্যামেরাগুলো ঘুরিয়ে দিয়ে মন্দিরে ঢোকে, তবে ভেতরের ক্যামেরাগুলো সঠিক স্থানে থাকায় সোনা চুরির ঘটনা ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বলে দাবি করেন তারা।

সেবায়েত গৌরাঙ্গ চক্রবর্তী জানান, রবিবার রাতে দেবীর পূজা দিয়ে মন্দিরের প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে বাড়ি যান। সোমবার সকালে গেট খুলে দেবীর সোনার মুকুটসহ শরীরের অলংকার দেখেননি। এমনকি মন্দিরে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরা চালু থাকলেও সেগুলো উল্টানো ছিল। তার ধারণা রবিবার রাতের যে কোনও সময়ে দুর্বৃত্তরা ওই মন্দিরে প্রবেশ করে মূর্তির স্বর্ণ চুরি করে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইমুল হক জানান, প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে আটক করা হয়েছে। স্বর্ণ উদ্ধারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রাচীন এই মন্দিরটি ২০১৬ সালে বরিশালের বিশিষ্ট চিকিৎসক পিযুষ কান্তি দাস এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দারের আর্থিক সহায়তায় পুনর্নির্মান করা হয়। ওই বছরই মূর্তির শরীরে ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার পরানো হয়। -বাংলা ট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত