প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইমতিয়াজ মাহমুদ: ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কি অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটির নমুনা হাতে পেয়েছেন?

ইমতিয়াজ মাহমুদ: বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কি আসলেই ভারতে উৎপাদিত অক্সফোর্ড,এস্ট্রোজেনেকার টিকা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে? নাকি শুধু আমদানি করার জন্য অনাপত্তি পত্র প্রদান করেছে? ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কি টিকাটির নমুনা হাতে পেয়েছেন? পরীক্ষা করে দেখেছেন? ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ঠিক কে কে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে জড়িত? কোনো বিশেষ কমিটি কি হয়েছে? কমিটিতে কারা কারা ছিলেন? কমিটি কবে কবে মিটিং করেছে? কোন বিবেচনায় কী সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে? না, টিকার ব্যাপারে আমার আগ্রহ বেশ প্রবল। আমি জানতে চাই কোন টিকা কবে আসছে, কোন টিকার কী বৈশিষ্ট্য, এসব সবকিছু এবং আমি নিজে টিকা গ্রহণের ব্যাপারেও অত্যন্ত আগ্রহী। এমনকি সেটি যদি পরীক্ষামূলক পর্যায়েও হয়, সুযোগ থাকলে আমি পরীক্ষার জন্য স্বেচ্ছাসেবকও হতে আগ্রহী। কিন্তু আমি জানতে চাই, জানতে চাই আমাদের বিশেষজ্ঞরা কোন টিকার ব্যাপারের কী মতামত দিচ্ছেন এবং কারা এই বিশেষজ্ঞরা। দেখতে চাই যে আমাদের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর তাড়াহুড়া করতে গিয়ে বা বড় কোন কোম্পানির চাপে পড়ে কোন ভুল সিদ্ধান্ত নিবে না।

অক্সফোর্ড এস্ট্রোজেনেকার টিকাটি নিয়ে বিশ^জুড়ে মানুষের অনেক প্রত্যাশা। আমরা যারা এদেশের মানুষ আমাদেরও ধারণা এইটা একটা ভালো টিকা হবে। কিন্তুু সরকার এবং ওষধ প্রশাসন অধিদপ্তর তাদেরকে তাদের কাজটা নির্মোহ হয়ে করতে হয়। সেই সঙ্গে সাংবাদিক যারা আছেন, তাদেরকেও একটু তৎপর হতে হয়। খবর যেটা করবেন সেটা স্পষ্ট করে পুরো তথ্য দিয়ে তবেই রিপোর্ট করা উত্তম। আপনারা স্পষ্ট করে লিখছেন না তাদের কী টিকাটি মানবদেহে প্রয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে?
নাকি শুধু আমদানির জন্য অনাপত্তি প্রদান করা হয়েছে? দুইটার মধ্যে পার্থক্য আছে না? যতোটুকু জানি যুক্তরাজ্য ছাড়া এই টিকাটি মানব দেহে প্রয়োগের জন্য আর কেউ অনুমোদন দেয়নি। ভারতের অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানতাম, এর মধ্যে দিয়ে দিয়েছে কিনা জানি না। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত