প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনাকালে পৌর নির্বাচন মন্দের ভালো

শিমুল মাহমুদ: [২] নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ি, প্রথম ধাপে ২৩ পৌরসভায় ভোট পরেছে ৬৫.০৬ শতাংশ। সর্বোচ্চ ৮৫.৩১ শতাংশ ভোট পড়েছে পটুয়াখালীর কুয়াটাকায়। আর সবচেয়ে কম চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ৪০.৮৭ শতাংশ। সব মিলে আওয়ামী লীগ ভোট পেয়েছে ৬৪ শতাংশ। আর বিএনপি সাড়ে ১৩ শতাংশ। বাকি ভোট পেয়েছে চার রাজনৈদিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

[৩] স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, ২০১৩ সালে পর্যন্ত নির্বাচনের কিছুটা গ্রহণযোগ্য ছিলো। এরপর থেকে ভোটরদের অনিহাসহ নানা অভিযোগ ছিলো। পৌর নির্বাচনে যেহেতু কাউন্সিলরা থাকেন, তারা মূলত ভোটদের কেন্দ্রে আসতে সাহায্য করেন। যে কারণে ভোটারের সংখ্যা বেশি থাকে। এবার স্থানীয় নির্বাচনে সব প্রার্থী মোটামোটি ভোট সম্মানজনক ভোট পেয়েছে। এই নির্বাচনে কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে বলে আমি মনে করি।

[৪] আওয়ামী লীগের জাতীয় নিবার্হী কমটির সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এখন আর আগের মতো দুই-নাম্বরি করার সুযোগ নাই। ৩৪ টা মিডিয়া রয়েছে। তারা যেভাবে নির্বাচনী এলাকায় ঘুরাঘূরি করে, এখানে কোনো কিছু করার সুযোগ নেই। ভারত- পাকিস্তানের স্থানীয় নির্বাচনের তুলনায় আমাদের স্থানীয় নির্বাচন অনেক অনেক ভালো। সেখানে খুনা-খুনি মারা-মারি হয় আমাদের এখানে তা নেই। সে দিক থেকে অত্যন্ত সুন্দর ও ভালো নির্বাচন হয়েছে। কোন অবস্থাতে এ নির্বাচনকে খারাপ নির্বাচন বলার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, ২৩ পৌর নির্বানের ২০ টা যদি বিএনপি পেতে তাহলেও তারা বলতো আরো ভালো ও সুষ্ঠ‚ নির্বাচন হলে ২৩ টাতেই বিএনপি পক্ষে থাকতো। আমরা এটা সব সময় দেখে আসছি।

[৫] সিপিবি সম্পাদক রুহিন আহমেদ প্রিন্স বলেন, স্থানীয় নির্বাচনের দিয়ে সকল কিছু বিবেচনা করলে হবে না। আমাদের স্থানীয় সরকার এখনো এমপি তন্তের কাছে বন্দি। পেশি শক্তি ও টাকার উপর দন্ডায়মান হয়ে আছে। বাংলাদেশের দেশের এখন অন্যতম লড়াই হবে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াই।

[৬] বিএনপির ভাইসচেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, স্থানীয় নির্বাচনের বিশ্লেষণ করে যদি সমস্ত নির্বাচনের চিন্তা করি তাহলে আমার মনে সকলেই ভুল করবো। তার কারণ যেখানে জাতীয় নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে যায় না, ভোটের চিন্তাভাবনা ছেড়ে দিয়েছে; সেখানে আমি আশার আলো দেখতে পাই না।

[৭] বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাংসদ রুমিন ফারহানা বলেন, আমরা যদি গত কয়েক বছরের জাতীয় থেকে স্থানীয় পর্যন্ত নির্বাচনের ধারাটা যদি লক্ষ্য করি তাহলে দেখা যায়, একটি দল, একটি মার্কা, একটি দলের কর্মী, একটি দলের ক্যাডার বাহিনী এবং সঙ্গে প্রশাসন। সব মিলিয়ে একটি নির্বাচন। নির্বাচনটি এমন হচ্ছে সাধারণ মানুষ জানে তাদের যাওয়া না যাওয়া, তার ভোট দেওয়া না দেয়া এ নির্বাচনে কোনে পার্থক্য আনবে না। এ কারনে আমরা উপনির্বাচন গুলোতে দেখেছি কিভাবে মানুষ মুভ ফিরিয়ে নিয়েছে। আমি মনে করি স্থানীও নির্বাচনে তার ব্যতিক্রম হয়নি ফলস ভোটর সাজিয়ে রাখা ছাড়া।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত