প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] যশোরে বিষাক্ত মদপানে তিনজনের মৃত্যু মামলায় আদালতে চার্জশিট, প্রধান অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী হাসান

যশোর প্রতিনিধি: [২] বিষাক্ত মদপানে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। পৃথক মামলায় ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে আলাদা এই চার্জশিট জমা দেয়া হয়। মাদক ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসান ওরফে হাসানকে তিনটি মামলার চার্জশিটেই প্রধান আসামি করা হয়েছে।

[৩] তিনি শহরের হরিনাথ দত্ত লেনের (নিরালাপট্টি) আনোয়ার হোসেনের ছেলে। চার্জশিটে অভিযুক্ত অপর ১৫ জন আসামি হচ্ছেন-শহরের লালদিঘির পূর্বপাড় এলাকার আব্দুল জলিল শেখের ছেলে আমির হোসেন বাবু, তার ভাই বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার বাসিন্দা শাহেদ হোসেন সাজু, হাটখোলা রোড সরদার মার্কেটের মহিউদ্দিন শেখের ছেলে খোকন শেখ, উমেশচন্দ্র লেনের (হোমিওপ্যাথিক কলেজের পেছনে) মৃত কওছার শেখের ছেলে আব্দুল শেখ, ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের মৃত জাফর খাঁ’র ছেলে চাঁন খাঁ, সদর উপজেলার সীতারামপুর গ্রামের নরেন পালের ছেলে পিন্টু পাল, শহরের হাটখোলা রোডের মৃত গোলাম বিশ্বাসের ছেলে আবু বক্কার রতন, সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত দ্বীন আলী বিশ্বাসের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, শেখহাটি কালীতলা তরফদারপাড়ার নিমাই হালদারের ছেলে তপন হালদার, শহরের বেজপাড়া বি কে রোডের মৃত বশিরাম চন্দ্র ঘটকের দুই ছেলে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবসায়ী কাজল কুমার ঘটক ও বিশ্বজিৎ চন্দ্র ঘটক, ভোলা সদরের গজারিয়া এলাকার মৃত হানিফ মালের ছেলে বর্তমানে যশোর শহরের খালধার রোডের বাসিন্দা মহসিন পাল, যশোর শহরতলীর শেখহাটি হঠাৎপাড়ার মৃত দ্বীনেশ সাহার ছেলে রফিকুল ইসলাম ওরফে কৃষ্ণ ওরফে ফারুক শেখ, শহরের রেল রোডের মৃত দাউদ রহমানের ছেলে আনিচুর রহমান পিকুল এবং বেজপাড়া গয়ারাম রোডের মৃত হরেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে মিন্টু রায়।

[৪] উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিলের শেষের দিকে বিষাক্ত মদপানে শেখহাটি কালীতলা কাজীপাড়া এলাকার খন্দকার আরশাদ আলীর ছেলে খন্দকার শাহিনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই সুজন খন্দকার কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। এই মামলার তদন্ত শেষে উল্লিখিত ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার এসআই হারুন অর রশিদ।

[৫] এছাড়া ওই সময় বিষাক্ত মদপানে মারা যান সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা মান্দারতলা এলাকার ফজলুর রহমান চুক্কি। এ ঘটনায় তার স্ত্রী কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শরিফুল ইসলাম ওই ১৬জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন । এছাড়া শহরের ঘোপ নওয়াপাড়ার শরিফ উদ্দিন ওরফে মনিবাবু মদপানে মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন সদর পুলিশ ফাঁড়ির সম্প্রতি বদলি হয়ে যাওয়া এসআই কাইয়ুম মুন্সী। এ মামলার চার্জশিটেও হাসানকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত