শিরোনাম
◈ ইরান যুদ্ধের অভিঘাত: তেলের দামে উল্লম্ফন, চাপে বিশ্ব অর্থনীতি ◈ ব্যাংকে হামলার পর কড়া বার্তা ইরানের, লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অর্থনৈতিক কেন্দ্র ◈ আপৎকালীন জ্বালানির জন্য ভারতের কাছে ডিজেল চাওয়া হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী ◈ ‘চতুর্থ উত্তরসূরী’: ইরানের দীর্ঘ যুদ্ধের পরিকল্পনা ◈ দায়িত্বের বাইরে মন্তব্য না করতে মন্ত্রী-এমপিদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দেশ ক্রিকেট বো‌র্ডের নির্বাচনে অনিয়ম ও কারসাজি তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ◈ রানার আগুনে বোলিং, পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ ◈ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ◈ বিদেশি ঋণে চাপ বাড়ছে: পাওয়ার চেয়ে পরিশোধেই বেশি ব্যয় ◈ জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৫:২০ সকাল
আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৫:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সীমান্ত হত্যা: ভারত ‘যুদ্ধাপরাধী’ [২] দেশটির বিবেকবান মানুষদের রক্তপাত রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন বাংলাদেশীরা

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৩] ‘নো শ্যুট পলিসি’ সত্ত্বেও বাংলাদেশ-ভারত র‌্যাডক্লিফ লাইনকে বিশ্বের সবচেয়ে রক্তাক্ত সীমান্তে পরিণত করেছে ভারত। জেনেভা কনভেনশনে বলা আছে, নিরস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যা যুদ্ধাপরাধের সমতুল্য।

[৪] এই প্রাণনাশ বন্ধ করতে হলে ভারতের মানুষকেও জেগে উঠতে হবে, এ অভিমত দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ

[৫] তিনি বলেন, চোরাকারবারীও যদি হয়, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী নিরস্ত্র কাউকে হত্যার অধিকার নেই

[৬] প্রতিকারের জন্য বাংলাদেশের জাতিসংঘে যাওয়া উচিত, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

[৭] ডিসেম্বরের ২২ তারিখ বাংলাদেশের ভেতরে থাকা খায়রুল ইসলামকে সীমান্তের ওপার থেকে গুলি করে হত্যা করে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। মাঠে ঘাস খেতে থাকা গরুকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ খায়রুল যখন মরণযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন, তখন বিএসএফ প্রধান সীমান্ত হত্যা বন্ধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিলেন বিজিবি প্রধানকে। আসামের গুয়াহাটিতে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫ দিনের বৈঠক চলছিলো। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদুলু এজেন্সি

[৮] খায়রুলের ছোটভাই দুলাল আনাদুলুকে বলেন, ‘আমি মঙ্গলবার রাতে ভাইয়ের ফোন পাই। গুলিবিদ্ধ খায়রুল কাঁদতে কাঁদতে আমার সাহায্য চাচ্ছিলো। সে সীমান্ত পার হয়নি, কোনও অস্ত্রও বহন করছিলো না।

[৯] আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ মনে করেন, ভারতের জনগণকে অবশ্যই এই ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। মুখ খুলতে হবে ভারতের মানবাধিকার কর্মী, লেখক এবং শিল্পী সমাজকেও। কারণ সে দেশের সংবিধান কিংবা কোনও আইনই বিচার বহির্ভূত এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে না।

[১০] সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বক্তব্য সম্পর্কে অধ্যাপক ইমতিয়াজ বলেন, প্রাণহানির বিষয়গুলো পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাও জানতে পারেন।

[১১] গত জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত র‌্যাডক্লিফ লাইনের পূর্ব অংশে কমপক্ষে ৩৫ বাংলাদেশি গুলিতে এবং ৬ জন নির্যাতনে মারা গেছেন। ২২ জন আহত এবং ২২ জন অপহৃত হয়েছেন। এ পরিসংখ্যান দিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। ২০১৮ সালে ১৮ জন ও ২০১৯ সালে ৪৩ জন খুন হন।

[১২] দুলাল বলছেন, তিনি প্রচুর সীমান্ত হত্যা এবং শারীরিক নির্যাতন দেখেছেন। বিজিবি কঠোরভাবে ‘নো শ্যুট’ পলিসি মেনে চললেও বিএসএফ কখনোই মানেনি। এমন গুঞ্জনও আছে, নতুন সৈনিকদের হাতের টিপ পরীক্ষা করতে প্রায়ই নিরস্ত্র ব্যক্তিদের উপর গুলি চালাতে উৎসাহিত করা হয়। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়