প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শেরপুরে ১৯৭১ সালে ঝাউগড়া হত্যাকান্ডে শহীদদের স্মৃতিসৌধ উদ্ধোধন

তপু সরকার: [২] ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে পাকহানার বাহিনী এদেশীয় দোসরদের সহযোগিতায় শেরপুর শহরের ৮ জনকে ঝাউগড়া গ্রামের মৃগী নদীর পারে দাড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই নৃশংস গণহত্যার দীর্ঘ ৫০ বছর পর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় স্মৃতি সৌধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।

[৩] রোববার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের কুঠুরাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে নিয়ে ওই স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব।

[৪] ওইসময় অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওয়ালীউল হাসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তোফায়েল আহম্মেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোক্তাদিরুল ইসলাম, শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রশিদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফিরোজ আল মামুন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মাহমুদুল হাসান মাহমুদ, সাদিক আল সাফিন, শহীদ চৌথমল কারুয়ার ছেলে শেরপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক শিব শংকর কারুয়া শিবু, তার স্ত্রী করুনা দাস কারুয়া, ভাতশালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাজমুন নাহার, শহীদ নিবারণ চন্দ্র সাহার স্ত্রী বিনা পানি সাহা, ছেলে মানষ সাহা, কন্যা ভুবনি সাহাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সম্পাদনা: সাদেক আলী
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তৎকালীন শেরপুর থানা শহরের নয়আনী বাজারের বাসিন্দা হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসায়ী চৌথমল কারুয়া, নিবারণ চন্দ্র সাহা, গোপেশ্বর সাহা, নিহার বসাক ভারতে না গিয়ে আত্মরক্ষা ও নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ঝাউগড়া গ্রামে আশ্রয় নেন। এদিকে যুদ্ধকালীন সময়ে ১০ মে পাকহানাদার বাহিনীর দোসর ফজলুর রহমান ওরফে ফজু মুন্সীসহ অপরাপর দোসররা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সদস্যদের সাথে নিয়ে ঝাউগড়া গ্রামে আশ্রয়ের থাকা ওই হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসায়ীদের ধড়িয়ে দেন। তাদের সাথে ঝাউগড়া গ্রামের বাসিন্দা ভক্ত রাম বিশ্বাস, চিত্ত বিশ্বাস, নেপাল বিশ্বাস কেউ পাকহানাদার বাহিনীর সদস্যরা প্রথমে শারীরিক নির্যাতন ও পরে মৃগী নদে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত