শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের নির্দেশে যেসব ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন ◈ ফিলিং স্টেশন-দোকানে ঝুলছে ‘গ্যাস নেই’, চরম বিপাকে গ্রাহকরা ◈ ৬৬টি আন্তর্জা‌তিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট সরে যাওয়ার কারণে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলা‌দেশ ◈ বিক্ষোভ ছড়িয়ে ক্ষমতায় আসতে চান ইরানের যে নির্বাসিত নেতা ◈ আগামী নির্বাচনের ফলাফলে সুইং ভোটাররা 'প্রভাবক' হয়ে উঠতে পারেন ◈ মুক্ত বিশ্বকোষে উইকিপিডিয়া নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে, মুছে ফেলা হচ্ছে জুলাই শহীদদের পেইজ! ◈ রিয়াল মা‌দ্রিদ‌কে হা‌রি‌য়ে আবারও স্প‌্যা‌নিশ সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা ◈ মার্তিনেল্লির হ্যাটট্রিকের রাতে জয় পে‌লো আর্সেনাল ও লিডস ◈ পাবনায় কারাগারে আ.লীগ নেতা প্রলয় চাকীর মৃত্যু ◈ ট্রাম্পকে ইরানের নেতাদের ‘হত্যা’র আহ্বান মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের

প্রকাশিত : ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:১৫ দুপুর
আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উগ্র ভাষায় ক্যাডার সার্ভিস সদস্যদের বক্তব্য শোভনীয় নয়: আকবর আলী খান

ডেস্ক রিপোর্ট : জাতির পিতা ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতিবাদ সমাবেশকে দোষনীয় মনে করেন না সাবেক শীর্ষস্থানীয় আমলা ও সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব আকবর আলী খান।

উল্লেখ্য, ‘জাতির পিতার সম্মান রাখব মোরা অম্লান’ স্লোগানে শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সরকারি কর্মকর্তা ফোরাম আয়োজিত এক সমাবেশে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

চট্টগ্রামে মানববন্ধন করেছেন একশরও বেশি বিচারক। রাজধানীর বাইরে প্রায় সব জায়গাতেই সরকারি কর্মকর্তাদের একই ধরনের কর্মসূচি পালনের খবর পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশে সরকারি আমলাদের নজিরবিহীন এসব সমাবেশ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য বিরোধী তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। পুলিশ বাহিনীর প্রধান বেনজির আহমেদ বলেছেন তার ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ওপর হামলা মানে দেশের ওপর হামলা তাই সেরকম কিছু হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমলাদের এই সমাবেশ বিষয়ে বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সচিব আকবর আলী খান বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের এই ধরনের সমাবেশ করার অধিকার রয়েছে। এটা নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার। এটাতে আমি দোষনীয় কিছু দেখি না।

তিনি আরও বলেন, আরেকটি ভালো বিষয় যেটা দেখা গেছে, সেটা হলো, সবগুলো ক্যাডার ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। বাংলাদেশে এর আগে সব ক্যাডার অন্তর্দ্বন্দ্বে লিপ্ত ছিল। সুতরাং এটাও একটা ভালো লক্ষণ।

তিনি বলেন, তবে যেটা আমার একটু ভালো লাগেনি, সেটা হলো, তারা যে ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন। এত উগ্রপন্থী ভাষায় ক্যাডার সার্ভিসের সদস্যদের বক্তব্য শোভনীয় নয়। আমার মনে হয় তারা আরেকটু নম্র ভাষায় তাদের বক্তব্য পেশ করতে পারতেন।

সূত্র- দেশ রূপান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়