শিরোনাম
◈ ‘মহাবিপদের’ আশঙ্কা করছে সৌদি আরব ◈ প্যারেডে হেলিকপ্টার থেকে এন্টি-ট্যাংক উইপন, নজর কেড়েছে কে-৯ ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড ◈ যে কারণে আবারও বাজারে ছাড়া হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট! ◈ ডিজিএফআই ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আসমিকে ছাড়া হতো না: আদালতে মামুন খালেদের দাবি ◈ ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চান ট্রাম্প, সহযোগীদের জানিয়েছেন ইচ্ছার কথা ◈ দেশে জ্বালানি মজুদ বাড়াতে ৩ লাখ টন ডিজেল কিনবে সরকার ◈ স্থল আক্রমণ ঠেকাতে ব্যাপক প্রস্তুতি, ইরানে লাখো যোদ্ধার সমাবেশ ◈ ‘ডিপ স্টেট’ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল: আসিফ মাহমুদ (ভিডিও) ◈ একুশে পদকপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই ◈ ইরান সব ধরনের ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে: জিসিসি মহাসচিব

প্রকাশিত : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৫:১২ সকাল
আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৫:১২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ঘূর্ণিঝড় আম্পানে বাংলাদেশ-ভারতের আর্থিক ক্ষতি প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা

লিহান লিমা: [২] এই বছরের মে মাসে বাংলাদেশ-ভারতের উপকূলে আছড়ে পড়েছে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্পান। বুধবার বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানায়, উত্তর ভারত মহাসাগরে হানা দেয়া এই ঘুর্ণিঝড়ে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস

[৩] ডব্লিউএমও’র প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঁচ মাত্রার ঘূর্ণিঝড় আম্পান দুই দেশের উপকূলবর্তী এলাকার হাজার হাজার বসতি ধ্বংস করে দেয়। প্রাণ হারান ১২৯ জন। বাংলাদেশে ঘরবাড়ি হারান প্রায় ২৫ লাখ বাসিন্দা। ভারতের ২৪ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন, এর মধ্যে বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যার। ঘূর্ণিঝড়ে পর বেশিরভাগই নিজের বাসস্থানে ফিরে আসলেও প্রায় ২৮ লাখ বাড়িঘর সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

[৫] ভারতের আবহাওয়া সংস্থার পরিবেশবিজ্ঞানী রক্সি ম্যাথু কোল বলেন, ‘বিশ্বের মোট সাইক্লোনের মাত্র ৪ ভাগ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়। এই সাইক্লোনগুলো খুব একটা শক্তিশালী ও স্থায়ীও হয় না। কিন্তু এই ৪ ভাগ সাইক্লোনই বৈশ্বিক ক্ষয়ক্ষতির ৮০ শতাংশের জন্য দায়ী এবং মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতি ডেকে আনে।

[৬] ডব্লিউএমও জানায়, ১৮৫০ সালের পর এই প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক তাপমাত্রা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। ২০২০ সাল গত দেড় শতাব্দীর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ তিনটি বছরের একটি। বাকি দুইটি সাল ছিলো ২০১৬ ও ২০১৯।

[৬]জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত জাতিসংঘের আন্ত:দেশীয় সংস্থা (আইপিসিসি) জানায়, ২০২০ সালের অক্টোবরে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ছিলো ১.২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বিশ্ব ভয়ঙ্করভাবে ১.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার কাছাকাছি এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালে পূর্বের তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রী ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে আইপিসিসি। এমনটি হলে তীব্র তাপদাহ, খরা, বন্যা, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, ভূমিধ্বস, দাবানলসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে যাবে এবং পৃথিবী বসবাসের অনুপযুক্তও হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়