শিরোনাম
◈ নবম পে-স্কেলের বেতন কাঠামো প্রকাশ ◈ লর্ডসে পাকিস্তানের ভরাডুবি, সি‌রিজ জিত‌লো ইংল‌্যান্ড ◈ মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম পে-স্কেলের প্রস্তাব অনুমোদন, জানুন প্রজ্ঞাপন ও বেতন কার্যকরের তারিখ ◈ আসিম মুনিরের অস্ত্র কারখানা পরিদর্শন : পূজার আগে পাকিস্তানের হামলার শঙ্কা, নজরদারি বাড়িয়েছে ভারত ◈ ‘পরীক্ষিত’ সিল ছাড়া মাংস বিক্রি করলে দোকান বন্ধ: ডিএসসিসি প্রশাসক ◈ সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত জ্বালানি তেলের দাম ◈ যুব এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে রাতে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তান ◈ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে মূল টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকেরা ◈ রা‌তে নারী এশিয়া কা‌পে ইন্দোনেশিয়ার বিরু‌দ্ধে ম্যাচ দিয়ে লড়াই শুরু বাংলা‌দে‌শের ◈ পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে বাস উল্টে আহত ৮

প্রকাশিত : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৫:১২ সকাল
আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৫:১২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ঘূর্ণিঝড় আম্পানে বাংলাদেশ-ভারতের আর্থিক ক্ষতি প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা

লিহান লিমা: [২] এই বছরের মে মাসে বাংলাদেশ-ভারতের উপকূলে আছড়ে পড়েছে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্পান। বুধবার বৈশ্বিক জলবায়ু নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানায়, উত্তর ভারত মহাসাগরে হানা দেয়া এই ঘুর্ণিঝড়ে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস

[৩] ডব্লিউএমও’র প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঁচ মাত্রার ঘূর্ণিঝড় আম্পান দুই দেশের উপকূলবর্তী এলাকার হাজার হাজার বসতি ধ্বংস করে দেয়। প্রাণ হারান ১২৯ জন। বাংলাদেশে ঘরবাড়ি হারান প্রায় ২৫ লাখ বাসিন্দা। ভারতের ২৪ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন, এর মধ্যে বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যার। ঘূর্ণিঝড়ে পর বেশিরভাগই নিজের বাসস্থানে ফিরে আসলেও প্রায় ২৮ লাখ বাড়িঘর সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

[৫] ভারতের আবহাওয়া সংস্থার পরিবেশবিজ্ঞানী রক্সি ম্যাথু কোল বলেন, ‘বিশ্বের মোট সাইক্লোনের মাত্র ৪ ভাগ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়। এই সাইক্লোনগুলো খুব একটা শক্তিশালী ও স্থায়ীও হয় না। কিন্তু এই ৪ ভাগ সাইক্লোনই বৈশ্বিক ক্ষয়ক্ষতির ৮০ শতাংশের জন্য দায়ী এবং মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতি ডেকে আনে।

[৬] ডব্লিউএমও জানায়, ১৮৫০ সালের পর এই প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক তাপমাত্রা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। ২০২০ সাল গত দেড় শতাব্দীর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ তিনটি বছরের একটি। বাকি দুইটি সাল ছিলো ২০১৬ ও ২০১৯।

[৬]জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত জাতিসংঘের আন্ত:দেশীয় সংস্থা (আইপিসিসি) জানায়, ২০২০ সালের অক্টোবরে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ছিলো ১.২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বিশ্ব ভয়ঙ্করভাবে ১.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার কাছাকাছি এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালে পূর্বের তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রী ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে আইপিসিসি। এমনটি হলে তীব্র তাপদাহ, খরা, বন্যা, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, ভূমিধ্বস, দাবানলসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে যাবে এবং পৃথিবী বসবাসের অনুপযুক্তও হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • সর্বশেষ