শিরোনাম
◈ সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সায় সৌরবিদ্যুৎ কিনবে বিতরণ সংস্থা ◈ ২৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩২ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা ◈ অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন‌্য  বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা, অধিনায়ক জ্যোতি ◈ দেশের যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না ◈ অনুমতি ছাড়া নাম-ছবি ব্যবহারের অভিযোগ, এআই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উর্বশীর ৭ হাজার কোটি টাকার মামলা ◈ ইসিবি চত্বরে হামলার আগের দিন রেস্তোরাঁয় বৈঠকে অংশ নেন অন্তত ১৫ জন ◈ অক্টোবরে কোন জ্বালানি তেলের দাম কত টাকা হবে, সিদ্ধান্ত দিলো সরকার ◈ রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরের পর বিএনপির ঢাকা উত্তর, যুবদল ও ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত, ১০ নেতা বহিষ্কার ◈ ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে পাইলটকে ছুরিকাঘাত, যাত্রীসহ বিমান বিধ্বস্তের চেষ্টা: নেতানিয়াহু ◈ প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলা উচ্চারণ’ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তি, স্কুলশিক্ষক আটক

প্রকাশিত : ২৭ নভেম্বর, ২০২০, ০৬:০৭ সকাল
আপডেট : ২৭ নভেম্বর, ২০২০, ০৬:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে শত কোটি টাকা খোয়া

ডেস্ক রিপোর্ট: তৈরি পোশাক খাতের এক ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এ প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে শত কোটি টাকার ক্ষতির শিকার হয়েছেন তৈরি পোশাক কারখানার মালিক উত্তরার আতিকুর রহমান। গতকাল দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্রাব) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১২ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ২২টি এলসির মাধ্যমে ১৯১ কোটি ৪৭ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সমপরিমাণ এবং আরও ৭টি এলসির মাধ্যমে ৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার বেশ কিছু মেশিনারিজ ক্রয় করেন। ২০১৭ সালের জুন মাসে তার অগোচরে রানিং টাইগার বিডি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক সাইদুর রহমান হাবিব পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে তার কোম্পানির চলমান ১৫০০ মেশিন বন্ধ করে দেয়। এ বিষয়ে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হাবিবকে জানানো হলে তিনি টাকা দাবি করে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরে বাধ্য করান।

এরই ধারাবাহিকতায় ভুক্তভোগী ১৩ নভেম্বর আদালতে সাইদুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে ৬৮৪ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা করেন। ক্ষতিপূরণ মামলা করায় হাবিব ক্ষিপ্ত হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় গত বছরের ৯ ডিসেস্বর একটি মিথ্যা মামলা করেন। মামলাটি পরে ডিবিতে স্থানান্তর করেন।

গত ৬ জানুয়ারি রাত ১১টায় ডিবির কয়েক সদস্য তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে ২ দিনের রিমান্ডে নেয়। রিমান্ড থাকা অবস্থায় ১৪ জানুয়ারি মোকারম হোসেন জিমি নামের এক ব্যক্তি ডিবি অফিসের জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষে প্রবেশ করেন।

তিনি ডিবির লোক পরিচয়ে হাবিবকে টাকা দেওয়ার জন্য নানামুখী চাপ দেন। ওইদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে জিমি ও রানিং টাইগার বিডির হাবিব ডিবি অফিসে যান। হাবিব জিমিকে ইন্টারপোলের লোক বলে পরিচয় করিয়ে দেয়। মোকারম হোসেন জিমি বিভিন্ন সময় নিজেকে বিভিন্ন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিতে থাকেন। আতিকুর বলেন, পরবর্তী সময় জানতে পারি যে, মোকারম হোসেন জিমি রানিং টাইগার বিডির পরিচালক।

গত ১৫ জানুয়ারি ডিবি কার্যালয়ের জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষে দুই পুলিশ কর্মকর্তা, হাবিব ও জিমি টাকার জন্য দিতে চাপ দিতে থাকে। যদি টাকা না দেই, তা হলে আমার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে লাশ গায়েব করে দেবে বলে হুমকি দেয়। তারা হুমকির মুখে ফেলে ৭৬টি চেকে ৬০ কোটি টাকা লিখে নেয়। তারা হুমকি দিয়ে বলে, জামিনে ছাড়া পেয়ে কোথাও যাতে কোনো অভিযোগ না করি। তাদের হুমকির মুখে ভীত হয়ে গত ২৯ জানুয়ারি ২ কোটি টাকা দিতে বাধ্য হই। পরবর্তী সময় তাদের বিভিন্ন হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে বাধ্য হয়ে গত ১ মার্চ আদালতে ৭২টি চেকের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা করি।

  • সর্বশেষ