প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারতে ল্যাপটপ ও ট্যাবের বাজার ১’শ বিলিয়ন ডলার

রাশিদ রিয়াজ : ভারতের সেলুলার এন্ড ইলেক্ট্রোনিক্স এ্যাসোসিয়েশন বলছে ২০২৫ সাল নাগাদ দেশটির ল্যাপটপ ও ট্যাবের বাজার এত বিশাল পরিমান ছাড়িয়ে যাবে এবং এই বাজারের চাহিদা পূরণে এখন স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন শুরু করা প্রয়োজন। এখাতে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগে কাজের সংস্থান হবে ৫ লাখ মানুষের এবং এধরনের বিনিয়োগ ভারতের জিডিপি’তে ১.২৬ শতাংশ অবদান রাখবে। একই সঙ্গে ৭৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে। দি প্রিন্ট

বর্তমানে চাহিদার ৮৭ শতাংশ ল্যাপটপ ও ৬৩ শতাংশ ট্যাব চীন থেকে আমদানি করে ভারত। আগামী ৫ বছরে বিশ^বাজারে ল্যাপটপ ও ট্যাবের বাজার দাঁড়াবে ২২০ বিলিয়ন ডলারের। একই সময়ে শুধু ভারতেই এধরনের বাজার চাহিদা হবে ৭ বিলিয়ন ডলারের। এ চাহিদা প্রেক্ষিতে ভারতে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার উৎপাদন ব্যাপক বৃদ্ধি করা সম্ভব না হলে চীনের ওপর এ খাতে নির্ভরশীলতা হ্রাস করা সম্ভব নয়। আগামী বছরের মার্চ নাগাদ ভারতকে চীন থেকে আরো ৫ বিলিয়ন ডলার ল্যাপটপ আমদানি করতে হবে। গত মার্চ পর্যন্ত চীন থেকে শূন্য দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার। ভারতে বিক্রিত দুই-তৃতীয়াংশ ট্যাব চীন থেকে আমদানিকৃত। ল্যাপটপ ও ট্যাব আমদানির চেয়ে ভারতের এধরনের পণ্য রফতানি বৃদ্ধি পায়নি। গত ৫ বছরে ভারতীয় ট্যাব রফতানি ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়ে শূণ্য দশমিক শূণ্য ২৪ থেকে শূণ্য দশমিক শূণ্য ৬বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

আগামী ৩১ মার্চ নাগাদ ভারতের ট্যাব আমদানি বেড়ে দাঁড়াবে শূণ্য দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার কিন্তু একই সময়ে রফতানি হবে শূণ্য দশমিক শূণ্য ২ বিলিয়ন ডলার। মোবাইল ফোন তৈরিতে বেশি নজর দেয়ায় ল্যাপটপ ও ট্যাব উৎপাদনে ভারত পিছিয়ে পড়েছে। বছরে ভারতে মোবাইল ফোন উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৪ শতাংশ। কিন্তু ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত কম্পিউটার হার্ডওয়্যার উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ৩.৮ শতাংশ। এক্ষেত্রে উৎপাদনের ভারসাম্য আনতে নীতিগত হস্তক্ষেপ আনতে বলা হচ্ছে। এবং তা হলে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিশ^বাজারে ভারত অংশীদারিত্ব আরো বৃদ্ধি করতে পারবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে চীনের বাণিজ্যিক টানাপড়েনের মধ্যে এখাতে বিনিয়োগে বিলম্ব না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। তবে ভিয়েতনাম ও চীনের চেয়ে ভারত এধরনের বিনিয়োগে ১০ থেকে ২০ শতাংশ কম প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে ভারতে দ্রুত গতিযুক্ত ইলেক্ট্রোনিক্স উৎপাদনে বাধা অপসারণ করতে বিশ^বাণিজ্য সংস্থার নির্দেশিত মান নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

সর্বাধিক পঠিত