প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] তিনদিনব্যাপি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ শুরু

সাইদ রিপন : [২] ‘প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রস্তুতি : দুর্যোগ মোকাবেলায় আনবে গতি’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে সারাদেশে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ থেকে তিনদিনের জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২০ শুরু হয়েছে। ২১ নভেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী এই সপ্তাহ উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে দুর্যোগে প্রথম সাড়াদানকারী প্রতিষ্ঠান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহিদুজ্জামান।
সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার মিরপুর-১০ এ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ট্রেনিং কমপ্লেক্সে সপ্তাহ পালন উদ্বোধন হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন সচিব, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মো. শহিদুজ্জামান। সূচনা বক্তব্য দেবেন অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন।

[৩] বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, অগ্নিনির্বাপণ, অগ্নিপ্রতিরোধ, উদ্ধার ও অন্যান্য সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিতকরণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশব্যাপী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ পালনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

[৪] প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহের সাফল্য কামনা করে বলেন, আমি আশা করি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা নতুন উদ্যমে সাহস, সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সহায়তা করবেন।

[৫] ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, আমরা নিজেদের বিশ্বমানের হিসেবে তৈরি করতে চেষ্টা করছি। বিশেষ করে এশিয়া মহাদেশের যেসব দেশ উন্নতমানের ফায়ার সার্ভিস দেয় বলে স্বীকৃত, আমরা ফায়ার সার্ভিস এ্যান্ড সিভিল স্টেশনকে সেই মানের হিসেবে গড়ে তোলা চেষ্টা করছি। এগারোটি মডেল ফায়ার স্টেশন গড়ে তোলার কাজ এগিয়ে চলছে। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ফায়ার স্টেশন করা হবে। দশ বছর আগে দেশে ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ছিল ২০০টি। বর্তমানে এসে দাঁড়িয়েছে ৪৩৬টিতে। সেবাদানকারী এই প্রতিষ্ঠানটিকে আরও আধুনিকায়ন করার কাজ অব্যাহত আছে। ইতোমধ্যেই মুন্সীগঞ্জে একশ একর জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। জায়গাটিতে ফায়ার সার্ভিসের আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই করা হবে। ইতোমধ্যেই ফায়ার সার্ভিস ৬৮টি মিটার ল্যাডার বা মই কেনার অনুমতি পেয়েছে। এই ল্যাডার দিয়ে ২২ তলা ভবনের ছাদে লাগা আগুন নির্বাপণ করা সম্ভব হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত