শিরোনাম
◈ ‘আমরা থানা পুড়িয়েছি, এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’ : বৈষম্যবিরোধী নেতা ◈ টিকে থাকলেও থমকে গেল গতি—২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির বাস্তব চিত্র ◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণে নতুন রেকর্ড ◈ অধ্যাদেশ জারি: অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ব্যাংক গ্যারান্টি এক কোটি টাকা ◈ এ মাসের মধ্যেই হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে: নৌ উপদেষ্টা ◈ বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ‌লে নেই শান্ত ◈ হলফনামায় চমক: জোনায়েদ সাকির চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ অনেক বেশি ◈ নি‌জের মাঠেই হোঁচট খে‌লো লিভারপুল ◈ বাছাইয়ের প্রথম দিনে বিএনপি-জামায়াতসহ হেভিওয়েট যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলো ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী পাবেন, ‘না’ দিলে কী পাবেন না

প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর, ২০২০, ০৩:২১ রাত
আপডেট : ১৯ নভেম্বর, ২০২০, ০৩:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সারাদেশে মানসিক নিরাময় কেন্দ্র ও রিহ্যাব সেন্টারের হিসেব নেই: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল পরিচালক

লাইজুল ইসলাম: [২]লাইসেন্স না থাকলেই সিলগালা। [৩] মাদক নিরাময় কেন্দ্র বা রিহ্যাব সেন্টারে যাদের ভর্তি করা হয়, তারা বেশিরভাগই মাদক গ্রহণের কারণে মানসিক ভারসাম্যহীন। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ বহু পুরোনো।

[৪] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল পরিচালক ডা. ফরিদ মিয়া বলেন, শুধু ঢাকায় কিছু সংখ্যক মাদক নিরাময় কেন্দ্র ও রিহ্যাব সেন্টারের তালিকা আছে। তবে দেশে কতগুলো প্রতিষ্ঠান আছে তা বলা যাবে না। এটা নিয়ে আমাদের আরো কাজ করতে হবে। এতোদিন আমরা এসবের প্রতি ততটা নজরদারি করতাম না। তবে এখন কঠোরভাবে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

[৫] তিনি বলেন, সাধারণ হাসপাতাল আমাদের কাছ থেকে যেভাবে অনুমোদন নেয়, সেভাবেই এই প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদন বা লাইসেন্স নিতে হয়। যদিও হাসপাতালের মতো এত কিছু এদের থাকে না। তারপরও লাইসেন্স নিতে হয়।

[৬] তিনি বলেন, পুলিশের কর্মকর্তা যে হাসপাতালে মারা গেছেন তা ইতোমধ্যে সিলগালা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছ থেকে নেয়া কোনো লাইসেন্সও ছিলো না তাদের। এই হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আইনী প্রক্রিয়া চলমান। সম্পাদনা: বাশার নূরু

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়