প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন বাজিয়ে পাখি তাড়াচ্ছে রাজশাহী শাহমখদুম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ

মঈন উদ্দীন: [২] পাখির সঙ্গে বিমানের ধাক্কা বা বার্ড স্ট্রাইকের মতো বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে রাজশাহী শাহ্ মখদুম বিমানবন্দরে। এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আসছে শীতে বিমানবন্দর রানওয়ে এলাকায় পাখির উপদ্রব বাড়লে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। পাখি তাড়ানোর উপকরণ না থাকায় বাধ্য হয়েই অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন বাজিয়ে পাখি তাড়াচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

[৩] রাজশাহী শাহ্ মখদুম বিমানবন্দওে বাংলাদেশ বিমান, নভোএয়ার ও ইউএস-বাংলা এই রুটে বিমান পরিচালনা করে। এই বিমানবন্দরের আশপাশে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের গাছ ও ফসলি জমি। সেখানে সব সময়ই থাকে অগণিত পাখি। এসব পাখির অবাধ বিচরণ বিমানবন্দরের রানওয়ে ও আশপাশে। রানওয়ের জন্য ভয়ংকর ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত পাখি। এ জন্য রানওয়ে থেকে পাখি তাড়ানোকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা।কিন্তু রাজশাহীতে পাখি তাড়াতে কোনো আধুনিক প্রযুক্তি তো নেইই উল্টো একটি বন্দুক ছিল সেটাও নষ্ট পড়ে আছে অনেক দিন ধরে। এমনকি বার্ড শুটারও নেই। ফলে বিমানবন্দর এলাকায় পাখি তাড়ানোর কাজে হিমশিম খাচ্ছেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত সদস্যরা।

[৪] বাংলাদেশ বিমান প্রশিক্ষণ একাডেমির পাইলট ফারহান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা প্রতিদিনই পাখির সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি। রাজশাহীর রানওয়ের একদিকে ১৭, একদিকে ৩৫। ৩৫ অঞ্চলে প্রতিদিন অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি বাজ পাখি বসে থাকে। ১৭ সাইডে একটি নদীর মতো লেক আছে। সেখানে অনেক মাছও আছে। এ জন্য সেখানেও পাখি থাকে। এখন অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে সাইরেন বাজানো হচ্ছে এটিও বিপজ্জনক। আমাদের ধসব সময় নামা ও ওঠার সময় এভোয়েড করে চলতে হয়। যেকোনো সময় এগুলো বড় দুর্ঘটনা ঘটাতে সক্ষম।

[৫] রাজশাহী শাহ্ মখদুম বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সেতাফুর রহমান এই সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আপাতত আনসার দিয়েই কাজ চলছে। বন্দুক কেনার জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। সম্পাদনা : জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত