প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে দেয়া করের চেয়ে চীনে ৫০ গুণ বেশি কর দেন অভিযোগ বাইডেনের

রাশিদুল ইসলাম/সালেহ্ বিপ্লব: [২] ৩ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছেন দুই প্রার্থী।  সূচনা বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কথা বলেন কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে। তিনি বলেন, যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে তিনি মানুষের জীবন রক্ষা করেছেন। বিবিসি

[৩] ট্রাম্পের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জো বাইডেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে ছোট করে দেখেছেন। মহামারী পরিস্থিতিতে তার আচরণ দায়িত্বপূর্ণ ছিলো না বলে দাবি করেন বাইডেন।

[৪] বিতর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন চীনের বিরুদ্ধে ভ্রমণে বিধিনিষেধ আরোপ করলে জো বাইডেন আমাকে ‘জেনোফোবিক’ বলেছিলেন। আমি খুব দ্রুত তা করেছিলাম। কিন্তু গত এপ্রিলের শুরুতে বাইডেন তার প্রচারভিযানে চীনে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে নয় বরং বাইডেন গত ৩১ জানুয়ারি বলেন ট্রাম্পের ‘ভয় দেখানোর’ রেকর্ড রয়েছে। সেখানে চীনে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞার কথা ছিল না। চীনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গোপন ব্যাংক এ্যাকাউন্টের সমালোচনা করে বাইডেন বলেন আমি আমার জীবনে বিদেশের কোনো সূত্র থেকে একটি পেনি নেইনি। আমরা শুনেছি যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে পরিমান কর দেন তার চেয়ে ৫০ গুণ বেশি কর তিনি চীনে দেন।

[৫] বাইডেন বলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আপনি হয় আপনার কর প্রদান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিন না হলে দুর্নীতি নিয়ে কথা বলা বন্ধ করুন। বাইডেন প্রশ্ন করেন আপনি কেন গোপন করছেন, আপনি কেন কর প্রদানের তথ্য দিতে রাজি নন?

[৬] প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেনকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইরান ও রাশিয়ার হস্তক্ষেপ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে বাইডেন বলেন পরিস্কার বলছি যে কোনো দেশ এধরনের অপচেষ্টা করলে তাকে এজন্যে মূল্য দিতে হবে, সে যে দেশই হোক না কেনো। যদি আমি নির্বাচিত হই তাহলে এধরনের কাজের জন্যে তাদের মূল্য দিতে হবে। চীন, রাশিয়া বা ইরান এধরনের চেষ্টা করলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করছে।

[৭] নির্বাচনে অন্য দেশের হস্তক্ষেপ সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন আমি বিষয়টি জানি। জন র‌্যাটক্লিফ আমাকে বলেছে এসব দেশ আমাকে নির্বাচনে হারানোর জন্যেই এধরনের হস্তক্ষেপ করছে।

[৮] বিবিসির এন্থনি জারচার এই বিতর্ককে প্রথমবারের চেয়ে অনেক ভদ্রোচিত বলে উল্লেখ করেছেন। একজন কথা বলার সময় অন্যজনের মাইক বন্ধ থাকার নিয়ম করায় উভয় প্রার্থীই খুব নমনীয় ভাষায় কথা বলছেন। এমনকি পরষ্পরকে আক্রমণের সময়ও দুজনে সংযত থাকছেন বলেেএন্থনি তার রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত