শিরোনাম
◈ জামায়াতকে ‘বন্ধু’ হিসেবে চায় যুক্তরাষ্ট্র, ক্ষমতায় গেলে নজরদারির হুঁশিয়ারি মার্কিন কূটনীতিকের ◈ রাঙামাটির সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ◈ ট্রাম্পের নেতৃত্বে শান্তি পর্ষদ, স্বাক্ষর করলেন ২০ দেশের নেতা ◈ এক বৈঠকেই ১১ অধ্যাদেশ অনুমোদন: আইন, শিক্ষা ও অর্থনীতিতে বড় সিদ্ধান্ত উপদেষ্টা পরিষদের ◈ তাদের প্রটোকল দরকার হলে তিন ডাবল করে দেন: তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ নির্বাচন সামনে রেখে মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শনে সেনাপ্রধান ◈ সরকারের একটি মহল কিছু কিছু প্রার্থীকে জয়ী করার চেষ্টা করছে: মির্জা আব্বাস ◈ ডোনাল্ড ট্রা‌ম্পের গ্রিনল্যান্ড দখ‌লের প‌রিকল্পনার প্রতিবা‌দে বিশ্বকাপ ফুটবল বয়কটের ডাক জার্মানির! ◈ বিশ্বকাপ জয়ের দাবিদার দল নয় বাংলা‌দেশ, না খেললে ক্রিকেটের ক্ষতি হবে না : অতুল ওয়াসান ◈ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলো বাংলাদেশ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৩ অক্টোবর, ২০২০, ১১:১৩ দুপুর
আপডেট : ২৩ অক্টোবর, ২০২০, ১১:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রুহুল আমিন: শেখ হাসিনা কারও হাতে খান না, নিজের হাতেই খান, নিজের পায়েই হাঁটেন

রুহুল আমিন: আমি প্রায়ই বলে থাকি, শেখ হাসিনা কারও হাতে খান না, নিজের হাতেই খান, নিজের পায়েই হাঁটেন। বাংলাদেশের প্রশাসন, প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র কোন বিষয়ে শেখ হাসিনা অন্যকারো কথায় কোন সিদ্ধান্ত নেন না। তিনি বাংলাদেশের স্বার্থ দেখেই সিদ্ধান্ত নেন। রাজনৈতিকভাবে চরম ঝুঁকি থাকা সত্যেও বঙ্গবন্ধু ভারতের সাথে অতিরিক্ত সম্পৃক্ততা দূর করতে নিকটতম কাউকে কাউকে মন্ত্রী সভা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন, তেমনটি করেছেন শেখ হাসিনাও। নাম বলে কাউকে বিব্রত করতে চাই না।

শেখ হাসিনার ক্ষমতায় টিকে থাকার কারণটা বিদেশে নয়, দেশের মাটিতে। তার পা বিদেশের মাটিতে নয়, তার পা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের মাটির উপর। মাঝে মাঝে তিনি হাটতে যান, চীন, ভারত, সৌদি আরব, রাশিয়া, আমেরিকা, তুরস্ক বা ব্রিটেন।

দিন শেষে তিনি উদ্দিপ্ত করেন বাংলাদেশের জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে। বঙ্গবন্ধুর পরে সবাই জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যবহার করেছে কিন্তু শেখ হাসিনা তাদের উদ্দীপ্ত করে রাখেন, জাতীয়তাবাদী আদর্শ আর একটার পর একটা লক্ষ্য ও কর্মসূচি দিয়ে। সেটা সামরিক ও বেসামরিক সর্বত্র। শেখ হাসিনা জলে ও স্থলে সীমান্ত বিষয়ে একটি স্থীর সমাধানে পৌঁছে যাওয়ার সফলতার পর শেখ হাসিনা আন্তরাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিষয়েও সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেছেন। বাংলাদেশ কাউকে আক্রমণ করবে না কিন্তু কেউ আক্রমণ করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এটা শুধু কথায় নয়, কাজেও পরিস্কার করেছে। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কাঠামো এজন্যই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার গর্বের জায়গাটা ফিরে পায়। এটাই শেখ হাসিনার টিকে থাকার মূল কারণ! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়