শিরোনাম
◈ ‌বিশ্বকা‌পে এবার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা কতদূর যাবে,জা‌নি‌য়ে দি‌লো সুপারকম্পিউটার  ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নতুন পরিকল্পনা ◈ বিশ্বের ১০ জনবহুল দেশের ৮টিই নেই বিশ্বকাপে: কেন পিছিয়ে বাংলাদেশ-ভারত? ◈ মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে ৫ জেলায় বন্যার সতর্কতা জারি ◈ আওয়ামী লীগের বিচার কিভাবে করতে চাইছে সরকার ◈ মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণিত হলে নিষিদ্ধ হতে পারে আওয়ামী লীগ: চিফ প্রসিকিউটর ◈ ট্রাম্প-পুতিন ৯০ মিনিটের ফোনালাপ, যে কথা হলো ◈ হামের সংক্রমণ অব্যাহত, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ◈ করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর, জারি ৪ নির্দেশনা ◈ ব্যবসায়ীর অ.ণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরালের পর অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ২২ অক্টোবর, ২০২০, ০২:০২ রাত
আপডেট : ২২ অক্টোবর, ২০২০, ০২:০২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পার্বতীপুরে বনবিভাগের জমি দখল করে গোডাউন, দোকান ঘর ও বাসাবাড়ী নির্মাণ

সোহেল সানী : [২] দিনাজপুরের পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে এরশাদনগরে বনবিভাগের জমি দখল করে গোডাউন, দোকান ঘর ও বাসাবাড়ী নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে জনৈক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। তিনি উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া গ্রামের ওয়াহেদুল ইসলামের ছেলে। বনবিভাগের দখল করা জমিতে গুদাম, দোকান ও ঘর-বাড়ী বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি সেখানে বসবাস করছেন ও ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

[৩] বুধবার বিকেলে সরেজমিন ঘটনাস্থল গিয়ে দেখা যায়, মেসার্স আরজিনা ট্রের্ডাসের মালিক রবিউল ইসলাম উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের হাবড়া মৌজায় তার প্রতিষ্ঠানে বসে নতুন একটি গোডাউন ও পাকা বাসাবাড়ী নির্মাণ কাজ তদারক করছেন। সড়কের দক্ষিণ ধারে হাবড়া মৌজার ৪০৫ দাগে প্রায় ৫২ একর জমিতে সরকারি বনভূমি রয়েছে। ইতিপূর্বে সেখানে একটি গোডউন ঘর ও অফিস নির্মাণ করে ধানের ব্যবসা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে পাকা বসত বাড়ী নির্মাণ করে সেখানেই বসবাস করছেন। বর্তমানে তিনি ওই এলাকায় নতুন করে আরও একটি বড় গোডাউন ও পাকা বাসাবাড়ী নির্মানের কাজ চালাচ্ছেন। নির্মানাধীন গোডাউন, বাসা-বাড়ী ও পূর্বের বাসাবাড়ী, অফিস, গোডাউন ঘর, তিনটি দোকান ঘরসহ মোট ভোগদখলীয় জমির পরিমান প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতক।

[৪] বনবিভাগের জমি দখল করে বেআইনি ভাবে বসতবাড়ী ও গোডাউন ঘর নির্মাণের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মেসার্স আরজিনা ট্রের্ডাসের মালিক রবিউল ইসলাম বলেন, হাবড়া মৌজায় ৪৪ দাগে আমার ৩ শতক জমি রয়েছে। এছাড়া, জেলা পরিষদের অধিন সড়ক ও জনপদ বিভাগের কিছু জমি আজীবনের জন্য লীজ নিয়ে আমি বাসা-বাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। আমি বনবিভাগের কোন জমি দখল করিনি। তবে তিনি লীজের কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

[৫] হাবড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারি ভূমি কর্মকর্র্তা (তশীলদার) মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আলোচিত এলাকার জমি বনবিভাগের অর্ন্তভূক্ত। তবে এ বিষয়ে আমি আর কিছু বলতে পারছিনা।

[৬] মধ্যপাড়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার মোহাম্মদ মোখছেদুল আলম বলেন, বনবিভাগের জমি দখল করে গোডাউন, বাসাবাড়ী ও অফিস ঘর নির্মানের বিষয়ে এখনও আমি কিছু জানতে পারিনি। খোঁজ ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা : জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়