শিরোনাম
◈ মিয়ানমারে বিয়ের অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিলে জান্তার বিমান হামলা: নারী-শিশুসহ নিহত ২৭ ◈ আমেরিকা তাঁকে ১৫ মিনিট দিয়েছিল সিদ্ধান্ত নিতে – কথামতো চলো, নয়তো মরবে: ভিডিও ফাঁস ◈ যুক্তরাষ্ট্র-চীনের কূটনৈতিক লড়াই বাংলাদেশে কতটা প্রভাব ফেলবে? ◈ বিদেশে কর্মসংস্থান ও শিক্ষায় বাধায় বিপর্যস্ত প্রবাসী বাংলাদেশি ◈ দিল্লি থেকে অডিও বার্তায় বাংলাদেশ রাজনীতি নিয়ে বিস্ফোরক বক্তব্য শেখ হাসিনার ◈ হাসিনা আপার কর্মী-সমর্থকদের বিপদে ফেলে রেখে গেছেন, আমরা তাদের পাশে আছি : মির্জা ফখরুল ◈ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকা‌পে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে সুপার সিক্সে বাংলাদেশ ◈ আইসিজেতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের দাবি নাকচ বাংলাদেশের ◈ বিসিবির আপিল বাতিল, কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন জয় শাহ ◈ পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণে নির্দেশনা জারি ইসির

প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ১২:২৪ দুপুর
আপডেট : ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ১২:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাঙ্গালি বিজ্ঞানীর গবেষণা, করোনায় সহজে ভাঙবে না ইমিউনিটি, অ্যান্টিবডি টিকবে সাত মাস

রাশিদুল ইসলাম : [২] অ্যারিজোনা ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী দীপ্ত ভট্টাচার্যের গবেষণায় নতুন আশা দেখছেন ভাইরোলজিস্টরা। ভারতীয় এ গবেষক দীপ্ত বলেছেন, সার্স-কভ-২ ভাইরাসকে নিষ্ক্রীয় করতে শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে তার স্থায়িত্ব পাঁচ থেকে সাত মাস। এর আগে বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন ভাইরাস হানা দেওয়ার পরে তার প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তিন মাসের বেশি স্থায়ী হবে না। টাইমস অব ইন্ডিয়া

[৩] গবেষক দীপ্ত বলেছেন, যদি রোগীর শরীরে কোনও ক্রনিক রোগ বা জটিল সংক্রমণজনিত রোগ না থাকে তাহলে এই অ্যান্টিবডির স্থায়িত্ব আরও বাড়বে।

[৪] প্রায় ৬ হাজার করোনা রোগীর উপরে পরীক্ষা করে এই দাবি করেছেন গবেষক দীপ্ত ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, করোনার সংক্রমণ হলে ১৪ দিন পর থেকে রক্তরস বা প্লাজমায় অ্যান্টিবডি তৈরি শুরু হয়। সার্স-কভ-২ ভাইরাল স্ট্রেনের স্পাইক গ্লাইকোপ্রোটিন দেহকোষের এসিইটু ও সিডি ১৪৭ রিসেপটর প্রোটিনের সঙ্গে জোট বেঁধে কোষে ঢোকার পরেই প্রতিলিপি তৈরি করে সংখ্যায় বাড়তে থাকে। ভাইরাল প্রোটিন বা অ্যান্টিজেনের খবর পেলেই রক্তের বি লিম্ফোসাইট কোষ উদ্দীপিত হয়ে ওঠে। এই কোষ তখন অ্যান্টিজেনের প্রতিরোধে বিভাজিত হয়ে নিজের অসংখ্য ক্লোন তৈরি করে। এই কোষগুলি থেকেই রক্তরস বা প্লাজমায় অ্যান্টিবডি তৈরি হয় যা অ্যান্টিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাকে নিষ্ক্রীয় করতে পারে।

[৫] করোনা সারাতে এই অ্যান্টিবডিই বড় ভরসা গবেষকদের। ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে এর উপর ভিত্তি করেই। এই অ্যান্টিবডিগুলিকে যদি ধরে রাখা যায়, তাহলে ভাইরাসকে নিষ্ক্রীয় করার মতো রাস্তা খুঁজে পাওয়া যাবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়