প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]চলনবিলে বন্যায় কাজ না থাকায় তারা এখন হরেক রকমের ফেরিওয়ালা

জাকির আকন : [২] সিরাজগঞ্জের চলনবিল অধূষিত তাড়াশ উপজেলায় কয়েক বারের বন্যায় ফসল না থাকায় শ্রম জীবি মানুষের কোন কাজ না থাকায় তারা এখন“ হরেক রকম মালের ফেরিওয়ালা”।

[৩] সরজমিনে ফেরিআলাদের সাথে কথা বলে জানা যায় , চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলায় পর পর তিন বারের বন্যায় রোপা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হওয়ায় আর সেই সাথে আশ্বিন কার্র্ত্তিক মাসে এ অঞ্চলের শ্রমজীবি কৃষি শ্রমিকদের কোন কাজ না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন। জীবন-জীবিকার তাগিদে অনেকেই বেছে নিচ্ছে হরেক রকম মালের ফেরিওয়ালার পেশা।

[৪] চলনবিল এলাকার সিংড়া থেকে হরেক রকম মালের ব্যবসা করতে তাড়াশে এসছেন মো.আইয়ুব আলী।

[৫] তিনি বড় বড় শহর থেকে হরেক রকম মালামাল এনে পাইকারী বিক্রি করেন। নিজ এলাকা থেকে ৫ জনকে এনে ফেরিওয়ালা এনে ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে তাড়াশ অঞ্চলে কাজ না থাকায় প্রতিদিন নতুন নতুন ফেরিওয়ালা আগমন বাড়ছে বলে তিনি জানান। ফেরিওয়ালারা সকালের খাবার খেয়ে হরেক রকম মালের পরশা নিয়ে বেড়িয়ে পরেন এলাকার বিভিন্ন গ্রামে।

[৬] মেয়েদের দুল, গার্ডার,ক্লিপ,ব্যান্ড ,টিপ,ফিতা,আলতা,চুড়ি,স্নো,পাউডার,স্যাম্পু,শিশুদের বিভিন্ন ধরনের খেলনা,মহিলাদের রান্না বান্নার ছোট ছোট পাতিল,চামচ,কড়াই,কলস,ডিস,বাটি সহ হরেক রকম মালামাল বিক্রি করে সন্ধ্যার পুর্বেই বাড়ীতে ফিরে আসেন।

[৭] হরেক রকম ফেরিওয়ালা আফজাল হোসেন জানান,আমি আগে মানষের বাড়ীতে ( লেবার ) কামলার কাজ করতাম কিন্তু এ বছরে মাঠে এখন কাম নাই , বয়স কারণে ভ্যান ও চালাবার পারি না, গায়ে আগের মত বল ( শক্তি) পাইনা। তাই হরেক রকম ফেরিওয়ালা হইছি। পয়লা পয়লা সরম লাগছিল । এখন ভালই লাগে খারাপ লাগেনা । সারা দিনে ৪/৫শ টেকা লাভ থাকে।

[৮] মহাজন আইয়ুব আলী জানান, করোনার কারনে ৬মাস ব্যবসা বন্ধ থাকায় আমার ব্যবসা ও হরেক রকম মালের ফেরিওয়ালাদের চরম ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন ব্যবসা পুনরায় চালু হয়েছে। কিন্তু মানুষের কাজ না থাকায় নতুন ফেরিওয়ালাদের চাপ বাড়ছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত