প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এক ক্লিকেই বাংলার ৬৮ হাজার গ্রাম : গিনেজ বুকে স্থান পেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলম

তৌহিদুর রহমান: [২] বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্যাটাগরির ওয়েবসাইট তৈরি করে এবার রেকর্ড গড়লেন আলম কিবরিয়া নামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের এক তরুণ। তার তৈরিকৃত ৫ হাজার ৫’শ ৬৬ ক্যাটাগরির ওয়েবসাইট ‘আমার গ্রাম’কে [www.amargram.xyz] বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্যাটাগরির ওয়েবসাইটের স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ।

[৩] রোববার (৬ অক্টোবর) গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের স্বীকৃতিপত্র হাতে পৌঁছায় কিবরিয়ার। বাংলাদেশের ৬৮ হাজার গ্রামের তথ্য এক ঠিকানায় নিয়ে আসতেই এই ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন তিনি।

[৪] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের গাজীরকান্দি গ্রামের হীরণ মোল্লার ছেলে আলম কিবরিয়া, সাত ভাই-বোনের মধ্যে ষষ্ঠ। বাবা পেশায় কৃষিজীবী। মা খাদিজা বেগম গৃহিণী। ২০১৬ সালে নিজ উপজেলার বীরগাঁও কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ করেন কিবরিয়া। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কোচিং করার জন্য ঢাকায় চলে যান। কোচিংয়ের ফাঁকে কয়েক মাস একটি আইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজ শিখেন কিবরিয়া। তথ্যপ্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ থেকেই নিজ নাম গিনেজ বুকে তোলার ইচ্ছা জাগে তার। তাই করোনাভাইরাস মহামারিকালে ঘরে শুয়ে-বসে সময় নষ্ট না করে ‘আমার গ্রাম’ ওয়েবসাইট তৈরির কাজে হাত দেন। পরিকল্পনা ছিলো, বাংলাদেশের ৬৮ হাজার গ্রামের নামসহ প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফোন নাম্বার এক ঠিকানায় নিয়ে আসা।সেই থেকেই সর্ববৃহৎ ক্যাটাগরির ওয়েবসাইট বানানোর কাজ শুরুর করেন কিবরিয়া। টানা কয়েক মাস প্রতিদিন ১০-১২ ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন ওয়েবসাইট তৈরির কাজে।

[৫] কিবরিয়া বলেন, ‘ওয়েবসাইটের ডোমেইন কিনে নিজেই ডিজাইন ও ডেভেলপিংয়ের কাজ করেছি। পরিবারের কেউ জানত না আমি সারাদিন ঘরে বসে কী কাজ করছি বা কী তৈরি করছি। কারণ আমার পরিবারের কারও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে তেমন ধারণা ছিল না। করোনাভাইরাসের সময়টাতে ঘরেই ছিলাম কিন্তু ঘরে শুয়ে-বসে সময় নষ্ট না করে ওয়েবসাইটের কাজ করেছি।

[৬] তিনি বলেন, ‘আমার ওয়েবসাইটটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্যাটাগরির। পাঁচ হাজার ৫”শ ৬৬টি ক্যাটাগরি যুক্ত করা হয়েছে এই সাইটে। এটিকে প্রবেশ করলেই বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মানচিত্র দেখা যাবে। মানচিত্র অনুযায়ী জেলায় ক্লিক করলেও ওই জেলার সকল উপজেলা ও ইউনিয়ন এবং গ্রামের নামসহ প্রয়োজনী তথ্য চলে আসবে।”আপাতত ৬৮ হাজার গ্রামের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছি। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত