শিরোনাম
◈ কীসের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ আগামীর বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র: প্রধানমন্ত্রী ◈ সম্পর্ক স্বাভাবিকের চেষ্টার মধ্যে ঢাকায় ‘র’ প্রধান পরাগ জৈন, বাংলাদেশে আসার আগে করেছেন চীন সফর ◈ ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ ◈ যে কারণে কারাগারে পাঠানো হয়েছে ‘ভাইরাল মিজানকে’, জানা গেল নেপথ্যের ঘটনা ◈ ভারতে ফের ছাত্র আন্দোলন, ব্যারিকেড ভেঙে বিধানসভা অভিমুখে শিক্ষার্থীরা (ভিডিও) ◈ আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ◈ ‘মরার আগে কেউ আমেরিকা ছাড়ে না’, যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছরের প্রবাসী জীবনের গল্প শোনালেন সাবেক ব্যাংকার হাবিব ◈ গণতান্ত্রিক দেশে ইস্যু থাকবে, আলোচনায় সমাধান হবে: ভারতের হাইকমিশনার

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫০ রাত
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কোভিড পরিস্থিতিতে জীবন যাত্রার ব্যয় কমিয়েছে ৯২ শতাংশ গার্মেন্ট শ্রমিক

বিশ্বজিৎ দত্ত : [২] ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ব্যয় বিষয়ে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

[৩] দক্ষিণ এশিয়া স্টাডিজের নির্বাহি পরিচালক সঞ্চিতা ব্যানার্জি বলেন, মার্চে কোভিড ১৯ শুরু হওয়ার থেকে গত কয়েক মাসে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ৭৭ শতাংশ আর্থিক টানপোড়েনে ৩ বেলা খাবার খেতে পারছে না। ৬৯ শতাংশ মাছ, মাংস ও ডিম তাদের খাবার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। ৬০ শতাংশ অন্যান্য ব্যয় কমিয়েছেন শুধুমাত্র খাদ্য খরচের জন্য।

[৪] একই রিপোর্টে বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হকের বরাত দিয়ে বলা হয়, কোভিডের কারণে বায়াররা তাদের অর্ডার বাতিল করেছে। অনেকে স্থগীত করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। এই অবস্থায় গার্মেন্ট কারখানাগুলো পুরো মাত্রায় চালু হতে সময় লাগবে। সুতরাং শ্রমিকদের অবস্থাও টানপোড়েনের ভিতর দিয়েই যাবে।

[৫] জুলাই পর্যন্ত গার্মেন্টের ২৬১১০ জন শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছেন। ১৪১৩২ জন শ্রমিক কারখানা লে অফের কারণে বেকার হয়েছেন। এর বাইরে ১৫৫০০০ হাজার শ্রমিক যেকোন সময় কর্মচ্যুত হতে পারেন বলে আশংকা করা হচ্ছে।

[৬] বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহম্মদ হাতেম বলেন, গার্মেন্ট অর্ডার ৫০ ভাগ কমে গেছে। সেপ্টেম্বরে কোন গার্মেন্ট বিদেশি অর্ডার পায়নি।এই মাসে রপ্তানিমুখী ২৭টি কারখানা একোবরে বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি প্যাকেজে মালিকরা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রমিকদের বেতন দিতে পেরেছে। কিন্তু এরপরে এটি দেওয়াও অসম্ভব হয়ে যাবে। এখনো ৪০ শতাংশ গার্মেন্ট এক ইউনিট ২ইউনিট চালু রেখে কাজ করছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়