প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]কারাবাখে আজারবাইজানের পক্ষে যুদ্ধ করছে পাকিস্তানি সেনারা! তুরস্কের বিরুদ্ধে ৪ হাজার যোদ্ধা পাঠানোর অভিযোগ

সিরাজুল ইসলাম: [২] আর্মেনিয়ায় অস্ত্র ও সেনা পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান। প্রতিবেশী আজারবাইজানকে তেহরান বলছে, তারা এ অঞ্চলে শান্তি চায়। তারা কখনও এ অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা চায় না। প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানী আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।

[৩] আজারবাইজানের দুই স্থানীয় ব্যক্তির টেলিফোনে আলাপচারিতায় পাকিস্তানি সেনাদের উপস্থিতি রয়েছে। তারা একে অপরকে বলছেন-আমরা কীভাবে লিখতে পারি? আমাদের টাকা নেই। আমরা ভালো আছি, চিন্তার কিছু নেই। ৭ থেকে ৮টি গ্রাম মুক্ত করা হয়েছে। ভয় পেও না। হ্যাঁ, আমি জানি। আমি ইনস্টাগ্রামে দেখেছি। ফিজুলি, আগদাম দখল থেকে মুক্তি পেয়েছে। আমাদের পক্ষ বলছে, মার্ভ পর্বতও আমরা দখলে নিয়েছি। আগদাম থেকে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সেনাদের একত্রিত করে আগদামের দিকে নেয়া হয়েছে। ফ্রিনিউজ ডটএম

[৪] রোববার থেকে বিতর্কিত অঞ্চলটিতে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে লড়াই চলছে। এখন পর্যন্ত সেখানে শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান বলেছেন, আজারবাইজান বিমান ও গোলন্দাজ হামলা শুরু করেছে। আজারবাইজান বলেছে, পুরো সীমান্তজুড়ে শুরু হওয়া গোলাবর্ষণের জবাব দিচ্ছে তারা।

[৫] রাশিয়ায় আর্মেনিয়ার রাষ্ট্রদূত অভিযোগ করেছেন, ওই অঞ্চলে ৪ হাজার সিরিয় যোদ্ধা পাঠিয়েছে তুরস্ক। এছাড়া অস্ত্র ও ড্রোন পাঠিয়েছে দেশটি। তারা আজারবাইজানের হয়ে লড়াই করছে। লেবানন থেকেও যোদ্ধা পাঠানোর অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেফ তায়্যেব এরদোগান বলেছেন, তিনি আজ্রাবাইজানকে সমর্থন করেন। এটা অব্যাহত থাকবে। আলজাজিরা

[৬] নাগারনো-কারাবাখ মুসলিম প্রধান দেশ আজারবাইনে অবস্থিত। বিচ্ছিন্ন অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে জাতিগত আর্মেনিয়রা। আর্মেনিয়া খ্রিস্টান প্রধান দেশ। অঞ্চলটি নিয়ে দেশ দুইটির মধ্যে দ্বন্দ্ব বহু পুরনো। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তারা যুদ্ধে লিপ্ত ছিলো। নাগারনো-কারাবাখের অধিবাসীরা আর্মেনিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে চায়।

 

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত