শিরোনাম
◈ 'গুপ্ত' নিয়ে উত্তপ্ত বিভিন্ন ক্যাম্পাস ◈ চাক‌রি হারা‌নো আর খারাপ জায়গায় বদ‌লির ভ‌য়ে পুলিশে আবার অস্থিরতা! ◈ ইরানকে বাদ দি‌য়ে ইতালিকে বিশ্বকাপে খেলা‌নোর প্রস্তাব উড়িয়ে দিলেন ইতালির ক্রীড়ামন্ত্রী ◈ রাজশাহীর কলেজে ঢুকে শিক্ষিকাকে জুতাপেটা করলেন বিএনপি নেতা, ভিডিও ভাইরাল ◈ ঢাকাবাসীর জন্য তাপমাত্রা নিয়ে দুঃসংবাদ, গরম আরও বাড়ার শঙ্কা ◈ স্রেফ টাকার জন্য ক্রিকেটার‌দের হত‌্যা কর‌ছে ভারতীয় বোর্ড, বিসিসিআইকে এক হাত নি‌লেন ললিত মোদি ◈ বড়পুকুরিয়া কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব ইউনিট বন্ধ ◈ ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি, দুই লক্ষ্য নির্ধারণ ইসরাইলের ◈ হাই পারফরম‌্যান্স দ‌লের প্রধান কোচ হচ্ছেন ‌মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ◈ নতুন যুগে ইরান: দেশ পরিচালনার মূল সিদ্ধান্তে এখন জেনারেলরা

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৯:৪৪ সকাল
আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৯:৪৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কামরুল হাসান মামুন: গণিত অলিম্পিয়াডে সাফল্যের নেপথ্য নায়ক মাহবুব মজুমদার

কামরুল হাসান মামুন: আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে (আইএমও) দলীয় সর্বোচ্চ নম্বর ও সব সদস্যের পদকপ্রাপ্তির জন্য টীম বাংলাদেশকে congratulations! এরা হলো আমাদের ভবিষ্যৎ হিরো। এদের সফলতার পেছনের কারিগর কে? একদল কারিগরদের কারিগর মাহবুব মজুমদার (Mahbub Majumdar) হলো এই সফলতার পেছনের নায়ক। তাই congratulations মাহবুব মজুমদার।
প্রতি বছরই গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে ভালো করে আমাদের ছেলেমেয়েরা বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয় যেমন এমআইটি, হার্ভার্ড, স্ট্যানফোর্ড, অক্সফোর্ড ইত্যাদি বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাচ্ছে। এরাই হলো বাংলাদেশের আসল এম্বাসেডর। এখন কথা হলো যাচ্ছে ভালো কথা ফিরে আসছে কতজন? মাহবুব মজুমদারও এমআইটিতে undergraduate করে কেমব্রিজ থেকে পিএইচডি ও ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে পোস্ট-ডক করে বাংলাদেশে চলে এসেছে। খেয়াল করে দেখুন মাহবুব ফিরে আসেনি কারণ তার স্কুল কলেজও আমেরিকায়। এইবার বা বুঝুন একজন মাহবুব মজুমদার কি ইমপ্যাক্ট ফেলছে। তাকে কিন্তু কোন সরকার বা প্রতিষ্ঠান আনেনি। যদি কেউ এনে থাকে তাহলে তার বাবা সুজনের বদিউল আলম মজুমদার। এমন বাবাতো খুব বেশি নাই আর এমন ছেলেও খুব বেশি নাই। কিন্তু মাহবুব মজুমদার বাংলাদেশে আসার পর কি এমন হয়েছে যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় তাকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য কাড়াকাড়ি লেগে গেছে? উল্টো না নেওয়ার জন্য বরং ষড়যন্ত্র হয়েছে।
একই কথা খাটে আমাদের ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের প্রধান আর্চিটেক্ট আরশাদ মোমেনের ক্ষেত্রে। সেও আমেরিকায় পিএইচডি করে, অক্সফোর্ডে পোস্ট-ডক করে স্বেচ্ছায় দেশে চলে এসেছে। আসার পর কি এমন হয়েছিল যে তাকে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কাড়াকাড়ি লেগে গেছে? বরং তার মাস্টার্স নেই বলে না নেয়াওর চেষ্টা হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে আরশাদ বিএস করেই আইসিটিপিতে ডিপ্লোমা করতে চলে গিয়েছিল। তখন যদি হারুন স্যার না থাকতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকা একটু কষ্টই হতো। যোগ দিয়েছিল ঠিকই কিন্তু আমাদের বর্তমান পরিবেশে, যেখানে মেধাকে মূল্যায়নতো করেই না উল্টো অপমান আর অবহেলা করে, টিকতে না পেরে চলেই গেল।
এই যে শত শত ছাত্রছাত্রী প্রতিবছর আমেরিকায় পিএইচডি করতে যাচ্ছে তাদের ফিরিয়ে আনার কোন প্রকার চেষ্টা আছে? আমার ইনবক্সে অনেক মেসেজ আছে যেখানে পিএইচডি করে ফিরে এসে কি পরিমান অপমান আর অবহেলা সহ্য করতে হচ্ছে সেই বিবরণ দিয়ে। এখানে পিএইচডি করতে ইউরোপ আমেরিকায় গেলে তাদেরকে থ্রেট মনে করে। সহজ হলো সিম্পলি মাস্টার্স পাশকে নেওয়া। তাদেরকে সহজে হ্যান্ডেল করা যায়, রাজনীতি করানো যায়। এই মেসেজটা তারা পেয়ে যায় ফলে কেউ আর সহজে দেশে ফিরে আসে না। অথচ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি নিয়োগ বিজ্ঞাপনে একটা পরিবর্তন আনে যে যারা বিদেশে রেঙ্কিং-এ ৪০০-র মধ্যে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করবে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে বিশেষ অগ্রাধিকার দিবে। একটা নিয়মই অনেক সুফল দিবে। ভারত এই কাজ করেছে। ফেসবুক থেকে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়