প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পদ্মাসেতুর সাথে সংযুক্ত রেললাইন খুলে দেয়া হবে: রেলমন্ত্রী

মাদারীপুর প্রতিনিধি: [২] ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পদ্মাসেতুর সাথে সংযুক্ত রেললাইন জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হবে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পাঁচ্চরে এ্যামিটি ক্যাফেতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন সুবিধার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রদান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন এমপি। এসময় মাদারীপুরে ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ জন ব্যক্তির মাঝে ১ কোটি ১২ লাখ টাকার পুনর্বাসন সুবিধার চেক প্রদান করা হয়।

[৩] রেলমন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মা সেতু হয়ে রেলসংযোগ বরিশাল-কুয়াকাটা-পায়রা বন্দর পর্যন্ত নেয়া হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে (পিবিআরএলপি) ক্ষতিগ্রস্ত ৭৭০৫ জনের মধ্যে ৩৯৮৯ জনকে পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় ইতোমধ্যে অতিরিক্ত অনুদান হিসাবে ১০৭ কোটি ৪১ লক্ষ ৪ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।

[৪] এর মধ্যে মাদারীপুর জেলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ২৩৪৯ জনের মধ্যে ১৩৯৪ জনকে এ পর্যন্ত ৩৬ কোটি ৪৩ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকার পুনর্বাসন সুবিধার চেক প্রদান করা হয়েছে। বাকী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তাও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

[৫] বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর- কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি) ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সহযোগিতায় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী বেসরকারী সংস্থা ডরপ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে চেক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

[৬] অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামছুজ্জামান। প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব প্রকৌশলী গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিএসসি’র প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেন, ডরপ চেয়ারম্যান মো. আজহার আলী তালুকদার, মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পক্ষে চৌধুরী সুলতান মাহমুদ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রূপশ্রী চক্রবর্তী।

[৭] অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৮২. ৩৫ কিলোমিটার রেলপথে ৩৫৮.৪১ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। পুনর্বাসন প্রকল্পটি ২০১৭ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে।

[৮] তারই ধারাবাহিকতায় ডরপ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে (ফেইজ-২) ভাঙ্গা থেকে যশোর ৮২ কিলোমিটার রেলপথে ৫১১৮ পরিবারের পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ডরপ প্রকল্প এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা জরিপসহ জেলা প্রশাসন কর্তৃক্ষ প্রদত্ত নগদ ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে সহায়তা, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং জীবিকায়ন প্রশিক্ষণ সহায়তা প্রদান করছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত