প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ৩৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ক্রয় কমিটিতে চারটি প্রস্তাব অনুমোদন

সোহেল রহমান : [২] ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকার উন্নয়নসহ চারটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন এবং একটি প্রস্তাব বাতিল করেছে ‘সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’। অনুমোদিত চার প্রস্তাবে মোট ব্যয় হবে ৩৩৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এসব অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সভায় সভাপতিত্ব করেন।

[৩] বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী এক ভার্চুয়াল ব্রিফিং-এ সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন’ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘ঢাকা সিটি নেইবারহুড আপ-গ্রেডিং প্রজেক্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যৌথভাবে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান এটি বাস্তবায়ন করবে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে ‘দোহা ইঞ্জিনিয়ারিং’, কোরিয়ার জাংলিম আর্কিটেকচার কোম্পানি লিমিটেড’ ও ‘দেব কনসালটেন্টস লিমিটেড’, ‘ডিজাইন প্ল্যানিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্টস লিমিটেড’ ও ‘তনয়া করিম এনআর খান অ্যান্ড এসোসিয়েটস’। এতে ব্যয় হবে ৪৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

[৪] তিনি জানান, ‘বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন’ (বিসিআইসি)-এর আওতাধীন ‘ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড’ (ডিএপিএফসিএল)-এর জন্য ৩০ হাজার মেট্রিকটন ফসফরিক এসিড আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৮৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

[৫] অর্থমন্ত্রী জানান, কাতার-এর ‘মুনতাজাট’ থেকে ২৫ হাজার মেট্রিকটন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ‘বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন’ (বিসিআইসি) এই সার আমদানি করবে। এতে ব্যয় হবে ৬১ কোটি ২১ লাখ টাকা।
তিনি জানান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক ‘ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া-পাকশী-দাশুরিয়া জাতীয় মহাসড়ক-এর কুষ্টিয়া শহরাংশ চারলেনে উন্নীতকরণসহ অবশিষ্টাংশ যথাযথ মানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের (প্যাকেজ নং-ডব্লিউডি-০৩) পূর্ত কাজের জন্য সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘জহিরুল লিমিটেড’- কে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৪১ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

[৬] অর্থমন্ত্রী জানান , এছাড়া বৈঠকে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক ‘শরীয়তপুর (মনোহর বাজার)-ইব্রাহিমপুর ফেরীঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের (প্যাকেজ নং- ডব্লিউপি-০৩) পূর্ত কাজ বাস্তবায়নে ১টি মাত্র দরপত্র জমা পড়ায় প্রস্তাবটি বাতিলপূর্বক নতুনভাবে ক্রয়কার্য পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের প্রস্তাবটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১০৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

 

 

 

 

সর্বাধিক পঠিত