শিরোনাম
◈ যে কারণে শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে সরানো হলো নুরকে ◈ সংকট নেই বলছে সরকার, পাম্পে কেন তেলের হাহাকার? ◈ হাইপারসনিক মিসাইল নিয়ে তিন দেশে নতুন হামলা ইরানের, ২২০ মার্কিন সেনা হতাহতের দাবি ◈ মার্চে জ্বালানি সংকট হবে না: আসছে ২.৮০ লাখ টন ডিজেল, পেট্রোল-অকটেনও পর্যাপ্ত ◈ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে ভারত: ইফতার অনুষ্ঠানে প্রণয় ভার্মা ◈ ট্রাম্পের হুমকির জবাবে নতুন মার্কিন স্থাপনা খুঁজছে ইরান ◈ যুদ্ধ উত্তেজনার মাঝেই কাতারের এলএনজি ট্যাংকার বাংলাদেশের পথে: ব্লুমবার্গ ◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে দুবাই থেকে এমিরেটসের সব ফ্লাইট স্থগিত ◈ “বেশি বাড়াবাড়ি করলে দিল্লির সরকার ফেলে দেব”: মমতা ◈ আসিফ নজরুলের দুর্নীতি?

প্রকাশিত : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০২:৪০ রাত
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০২:৪০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১] শঙ্খিনী সাপ কমে যাওয়ায় বাড়ছে রাসেল ভাইপার, মানুষের প্রাণহানিও বাড়ছে

সালেহ্ বিপ্লব: [২] কামড় দিতে রাসেল ভাইপার সময় নেয় ১ সেকেন্ডের ১৬ ভাগের ১ ভাগ।  পৃথিবীতে প্রতি বছর যত মানুষ সাপের কামড়ে মারা যায়, তার উল্লেখযোগ্য একটি অংশ এই ভাইপারের শিকার। মানুষ দেখলেই তেড়ে আসা এদের স্বভাব। ন্যাশনাল জিওগ্রাফি, উইকিপিডিয়া, আইইউসিএন ওয়েব

[৩] রাসেল ভাইপারের বিষের কোনও এন্টিভেনম নেই। সাপটির বিষক্রিয়ায় রক্ত জমা বন্ধ হয়ে যায়; ফলে অত্যধিক রক্তক্ষরণে দীর্ঘ যন্ত্রণার পর মৃত্যু হয়। এদের বিষদাঁত বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বড়। এর বিষ হোমোটক্সিন, যে কারণে কামড় দিলে মানুষের মাংস পচে যায়। ভয়ংকর এই সাপের বাংলা নাম 'চন্দ্রবোড়া'।

[৪] এদের চেহারা অনেকটা অজগরের মত,  দৈর্ঘ্য সাধারণত ৪ থেকে ৫ ফুট হয়। উত্তরবঙ্গের বরেন্দ্র এলাকাসহ পদ্মার তীরবর্তী প্রতিটি এলাকায় এদের দেখা যায়। গত কয়েক বছরে এদের উপস্থিতি খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

[৫] ধারণা করা হতো, বাংলাদেশ থেকে রাসেল ভাইপার বিলুপ্ত হয়ে গেছে। মাঝে ২৫ বছর এদের দেখা মিলেনি, ফের দেখা যাচ্ছে ২০১২ সাল থেকে।

[৬] গবেষকদের ধারণা, বন্যার পানিতে ভেসে ভারত থেকে এই সাপ বাংলাদেশে এসেছে। এরা সাধারণত ঝোপঝাড়, শুকনা গাছের গুড়ি, ডাব গাছের নিচে, গোয়াল ঘর- এই সব জায়গায় থাকতে পছন্দ করে।

[৭] অন্যান্য সাপ সর্বোচ্চ ২০ থেকে ৩০টি ডিম পাড়ে, রাসেল ভাইপার ডিম পাড়ে না। একসঙ্গে ৬০ থেকে ৮০টি বাচ্চা প্রসব করে।

[৮] রাসেল ভাইপারের সাক্ষাৎ যম শঙ্খিনী, দেখতে পেলেই ধরে খেয়ে ফেলে। বিষ-নির্বীষ সব সাপই শঙ্খিনীর খাদ্য। কিন্তু ভয়ংকর বিষধর অথচ নিরীহ সাপটির এখন আর দেখা পাওয়া যায় না। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিন) বলেছে, শঙ্থিনী সাপ বাংলাদেশে বিপন্ন অবস্থায় আছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়