শিরোনাম
◈ কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাও করার চেষ্টা ◈ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট ◈ সাড়ে ৬ লাখ জেলে পরিবারকে ‘বড় সুখবর’ দিলো সরকার ◈ আসছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টানা ছুটি, সর্বোচ্চ ১৬ দিন ◈ ফুটপাত উন্মুক্ত করা হবে, দখল হলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএনসিসি প্রশাসক ◈ হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৫২ ◈ শাহজালালে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে ◈ ‘ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না’—শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে ত্রিবেদী ◈ বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আসছে : আইনমন্ত্রী ◈ সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগের অধিকার, কার্যকর নতুন আইন

প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট, ২০২০, ০৮:৩৬ সকাল
আপডেট : ৩০ আগস্ট, ২০২০, ০৮:৩৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] টেকনাফে বিজিবি’র অভিযানে ৪ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার

সুজন কৈরী : [২] টেকনাফ এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার রাতে ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বিজিবি।

[৩] বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, গোপন তথ্যে জানা যায়, শনিবার রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ খারাংখালী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১৫ এবং ১৬ এর মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ১০টার দিকে খারাংখালী বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল অভিযান চালায়। এ সময় একজন ইয়াবা কারবারিকে দুটি প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে সাঁতরিয়ে বিআরএম-১৫ থেকে আনুমানিক ১০০ গজ উত্তর দিক দিয়ে নদীর তীর থেকে বেড়ী বাঁধে উঠতে দেখে চ্যালেঞ্জ করেন বিজিবি সদস্যরা। ওই চোরাকারবারি দূর থেকে টহলদলের উপস্থিতি বুঝতে পেরে বস্তা দুটি ফেলে লাফ দিয়ে নাফ নদীতে নেমে সাঁতরিয়ে শুন্য রেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলে যায়। পরে টহলদল পাচারকারীর ফেলে যাওয়া প্লাষ্টিকের বস্তা দুটি উদ্ধার করে। বস্তার ভেতর থেকে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। এরপর ইয়াবা পাচারকারীকে আটকের জন্য ওই এলাকা ও নদীর তীর এবং আশপাশের স্থানে রাতভর তল্লাশী চালানো হলেও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে চোরাকারবারি ও তার সহযোগীদের সনাক্ত ও আটকের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রম চলছে।

[৪] বিজিবি’ন এ কর্মকর্তা বলেন, উদ্ধার ইয়াবাগুলো বর্তমানে ব্যাটালিয়ন সদরের ষ্টোরে জমা রাখা হবে। প্রয়োজনীয় আইনী কার্যক্রম গ্রহণ শেষে সেগুলো উর্ধতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।

  • সর্বশেষ