শিরোনাম
◈ সিটি করপোরেশন আগে, ধাপে ধাপে ইউপি— আসছে নির্বাচনের রোডম্যাপ ◈ গুলশানে নিজের ফ্ল্যাটে উঠছেন ড. ইউনূস ◈ হালিশহরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ পরিবারের ৯ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু ◈ রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে চার ফ্রন্টে কঠিন পরীক্ষা সরকারের ◈ হেটমায়ারের ঝড়ে রেকর্ড, বড় জয় নিয়ে সুপার এইটে ক্যারিবীয়রা ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল, একযোগে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি ◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট, ২০২০, ১১:৩৪ দুপুর
আপডেট : ২৮ আগস্ট, ২০২০, ১১:৩৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মেহেদী উল্লাহ: সাজানো বুদ্ধিজীবীর সরবতা

মেহেদী উল্লাহ: একজন দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবী মস্তিষ্কে একই বিষয় নিয়ে দুই ধরনের পরস্পর বিরোধী চিন্তা ধারণ করার ক্ষমতা রাখেন। তাঁর কথনে নৈতিকতার সত্য উপস্থিত থাকলে বুঝতে হবে তিনি দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবী। একই বুদ্ধিজীবী সুবিধাবাদের বুলিও আওড়ানোর সক্ষমতা রাখেন। কখনো এমন হতে পারে দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবী পরস্পর বিরোধী চিন্তার কোনোটিই আর প্রকাশ করার সুযোগ পান না। করেন না। এতে আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারি না, বুদ্ধজীবী সুবিধার মধ্যে আছেন নাকি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আছেন!

এমন সময়গুলোর সুযোগ নেন একশ্রেণির ব্যক্তি। দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবীর মস্তিষ্কের যে অংশে নৈতিক সত্যের বাইনারি অপজিট সত্য থাকে, সেই সত্য নিয়েই এরা মিডিয়ায় ঝাঁপিয়ে পড়ে। এরা সাজানো বুদ্ধিজীবী। এদের মস্তিষ্কে একধরনের চিন্তাই হাজির থাকে, একপাক্ষিক। দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবীর সুবিধাবাদী অবস্থান তারা নিয়ে নেয়, যা একজন দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবী প্রকাশ করেন না, মস্তিষ্কে রেখে দিতেন। মিডিয়া জানে পরস্পরবিরোধী চিন্তা ধারণকারী বুদ্ধিজীবী তার দরকার। কারণ যিনি মিথ্যার দিকটা ভালো জানবেন তিনি সত্যের দিকটাও ভালো বলতে পারবেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে মিডিয়া বাইনারি অপজিশনের মুখপাত্র থাকতে চায় না। চায় নিয়ন্ত্রণকে স্বীকার করে নিতে। তাই সাজানো বুদ্ধিজীবী মিডিয়ার ছায়াতলে থেকে মানুষকে ছায়া দিয়ে চায়। মিডিয়ার ছায়া সরে গেলে ব্যক্তির স্বরূপ উন্মোচিত হয়।

আর এককালের দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবী মুখ বন্ধ রেখে সেই মিডিয়ায় সাজানো বুদ্ধিজীবীর পতন সংবাদ দেখে। এইভাবে মিডিয়া নিজেই নিজের পরস্পর বিরোধী কার্যকলাপ দর্শকদের দেখাতে বাধ্য হয়। একজন দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবীই নৈতিক সত্য প্রকাশ করে মিডিয়াকে দ্বিচারিতার হাত থেকে মুক্তি দিতে পারেন। তাই মিডিয়ার উচিত দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবীর মুখ খোলানো। তাঁদের অবসরপ্রাপ্ত হতে না দেওয়া। দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবীর মস্তিষ্কের সুবিধাবাদি চিন্তা ও নৈতিক সত্যচিন্তার মধ্যে মিডিয়া কাজে লাগাবে নৈতিকটাকে। দায়িত্বশীল বুদ্ধিজীবী নৈতিক সত্যকে পরখ করার জন্যই সুবিধাবাদী চিন্তাকে মস্তিষ্কে রাখবেন।

লেখক: কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়