প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তাইওয়ানের উপহার বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি করবে না

ডেস্ক রিপোর্ট : তিনজন মন্ত্রী ও তিনজন সচিবের উপস্থিতিতে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় তাইওয়ান উপহার হিসাবে মেডিক্যাল সামগ্রী দিয়েছে বাংলাদেশকে। দেশটির এই উপহার বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের উপস্থিতিতে তাইওয়ান এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এই মেডিক্যাল সামগ্রী উপহার দেয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. নূর-উর-রহমান বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক ও কম্পিউটার বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী লিয়াকত আলী, ঢাকাস্থ তাইওয়ান এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের পরিচালক তিথমি ডব্লিউ ডি সো এবং ম্যানেজার রঞ্জন চক্রবর্তী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, এটি মধ্যস্থতা করেছে ওয়ালটন এবং তাদের মাধ্যমে এটি এসেছে। এটি একটি খুব সাধারণ একটি উপহার। এটির সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি নিয়ে দুদেশের মধ্যে কোনও অস্বস্তি হবে না। তাইওয়ানের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা আছে এবং আমরা আমদানি করি বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, অনুষ্ঠানটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অর্গানাইজ করেছে এবং ওই মন্ত্রণালয় আমাদের জানিয়েছে এবং সেজন্য আমরা ছিলাম।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুনশি ফায়েজ আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ওয়ান চায়না নীতি সবসময়ে অনুসরণ করে আসছে। তিনি বলেন, তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রে চীন নিষেধ করে না কিন্তু তারা চায় সবদেশ যেন এটিকে তাদের একটি প্রদেশ হিসাবে বিবেচনা করে। এমনভাবে সম্পর্ক না রাখে যাতে করে মনে হয় এটি একটি স্বাধীন দেশ।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মাদ শহীদুল হক কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছা জানিয়ে চীনে কূটনীতিক হিসাবে কাজ করেছেন এমন একজন বলেন, তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া দরকার। এক্ষেত্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করলে ভালো হতো।’ গত বিএনপি সরকারের আমলে তাইওয়ানকে কনসুলেট ও ভিসা ইস্যু করার ক্ষমতা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তবে এই সরকারের নীতি অনেক বিচক্ষণ (প্রুডেন্ট)’। বাংলা ট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত