প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মোট দেশজ উৎপাদনের জিডিপি বৃদ্ধিকে রাজনৈতিক সংখ্যা বলে সমালোচনা করেছে সিপিডি

বিশ্বজিৎ দত্ত : [২] পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম বলেছেন, সিপিডি যাই বলুক আমরা মাঠের তথ্য দেখে প্রেকটিক্যাল কাজ করি। বড় অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে তর্কে যাব না।

[৩] সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড.ফাহমিদা খাতুন পরিসংখ্যান ব্যুরোর জিডিপির হিসাব নিয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলন সংসয় প্রকাশ করে বলেন, নীতিনির্ধারকদের প্রবৃদ্ধি নিয়ে মোহ সৃষ্টি হয়েছে। তারা তথ্যকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে।

[৪] তিনি মনে করেন, বিবিএসের স্বাধীনতা দিন দিন খর্ব করা হচ্ছে। বিবিএসের দেওয়া জিডিপির প্রাক্কলনে করোনার প্রভাব প্রতিফলিত হয়নি। সিপিডি এই দূর্বলতা দূর করতে একটি কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছে।

[৫] তাজুল ইসলাম বলেন, এটি করোনার আগের ৯ মাসের তথ্য।তখন অর্থনীতি ভালছিল। জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.১৫ শতাংশ। করোনার সময়ে সার্ভিস সেক্টর ও রপ্তানি সেক্টর খারাপ করেছে।তাই সময়িক বৃদ্ধির হার কমে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ হয়েছে।

[৬] সিপিডি, হিসাব করে দেখিয়েছে যদি গত বছর ৫.২৪ প্রবৃদ্ধি হয় তবে ৯মাসে প্রবৃদ্ধি হতে হবে ১১ শতাংশ হারে। তাদের মতে আগের ৯ মাসেও প্রবৃদ্ধি ভাল ছিল না। অবকাঠামো ছাড়া কৃষি, শিল্প, কর্মসংস্থান সবজায়গাতেই প্রবৃদ্ধি কম ছিল। সিপিডির হিসাবে গত বছরের প্রবৃদ্ধি হওয়ার কথা ২ থেকে ৩ শতাংশ।

[৭] সিপিডির বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রবৃদ্ধির হিসাব বাস্তবতার সঙ্গে মিলছে না। যা নীতিনির্ধারকদের ভুল বার্তা দিচ্ছে। এত বিনিয়োগ হলে তো ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা রাখার জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়ার দরকার হতো না।

 

সর্বাধিক পঠিত