শিরোনাম
◈ কলকাতার আনন্দপুরে মোমো গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: উদ্ধার একাধিক দেহাংশ, ২০ শ্রমিক নিখোঁজ ◈ রাজশাহী বিভাগে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: শীর্ষে বগুড়া ও রাজশাহী ◈ বাড়িতে চলছে সংস্কারের কাজ, তবে কি দেশে ফিরছেন সাকিব ◈ বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙল বিসিসিআই ◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাদ, মিরসরাইয়ে অস্ত্র বানাবে বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি ◈ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা ◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১০:৪০ দুপুর
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১০:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আরিফ রহমান : বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট এয়াকুবু গওনের দেখা এবং সাক্ষাতের গল্প

আরিফ রহমান : ১৯৭৩ সালে কমনওয়েলথের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর সাথে নাইজেরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এয়াকুবু গওনের দেখা। তিনি ছিলেন পাকিস্তানের পরম বন্ধু আর কমনওয়েলথে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রবল বিরোধী। বঙ্গবন্ধুকে পেয়েই তার একটু অপমান করার চেষ্টা।

গওন : আচ্ছা বলুন তো প্রধানমন্ত্রী, অবিভক্ত পাকিস্তান ছিলো একটি শক্তিশালী দেশ। কেন আপনি সেই দেশটিকে ভেঙে দিতে গেলেন।

বঙ্গবন্ধু : শুনুন মহামান্য রাষ্ট্রপতি, আপনার কথাই হয়তো ঠিক। অবিভক্ত পাকিস্তান হয়তো শক্তিশালী ছিলো, তার চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়তো হতো অবিভক্ত ভারত। কিন্তু সেসবের চাইতেও শক্তিশালী হতো সংঘবদ্ধ এশিয়া। আর মহাশক্তিশালী হতো একজোট এই বিশ্বটি। কিন্তু মহামান্য প্রেসিডেন্ট, সব চাইলেই কী পাওয়া যায়? বঙ্গবন্ধুর এই উত্তরে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। বঙ্গবন্ধু তার সাদা চাদরটি গওনের হাতে দিয়ে বললেন। এই নিন বাংলাদেশের জনগণের তরফ থেকে আমার এই ক্ষুদ্র উপহার। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়