শিরোনাম
◈ ৩৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের নামে আটকে রাখা ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব ◈ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ◈ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবির মধ্যেই পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন ◈ ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের তৎপরতা, শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন ◈ কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে ৮৭ প্রজাতির প্রজাপতি শনাক্ত, গবেষণায় উঠে এলো ১০৩ পোষক উদ্ভিদের গুরুত্ব ◈ ভারতীয়দের গোমূত্র পান নিয়ে উপহাস ইসরায়েলি পণ্ডিতের! (ভিডিও) ◈ গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ থেকে দুই পুলিশ বক্সে আগুন, মহাসড়ক অবরোধ ◈ বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধার মামলায় জামিন পেলেন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান ◈ ম্যান সিটিকে হারিয়ে কারাবাও কাপের হারের প্রতিশোধ ব্রাইটনের ◈ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে ফের মিরপুর-১০ অবরোধ, যান চলাচল ব্যাহত

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাদিয়া নাসরিন: সঙ-সার, সঙ সাজাই সার

সাদিয়া নাসরীন:  গরুটা ভালোই ছিলো। কিন্তু আমার ‘সমাজ‘ এতো বড় যে প্রতিবছর কমপক্ষে তিনটা গরু কোরবানি দিতে হয়। সেই সমাজ একটা গরু দিয়ে বুঝ দেয়া লাগলে কী অবস্থা হয় ভেবে দেখেন!! অন্যবার যাদের চার পাঁচ কেজি মাংস দিতে পারতাম এইবার সেইটা দুইকেজিতে নেমে আসছে। মন তো ভরেনা।

যাই হোক, আমার এলাকায় কোরবানির অনুমতি ছিলোনা। তাই অফিসে কোরবানি করসি। সকাল থেকে চারবার মিরপুর টু বনানী গাড়ি চালিয়ে আসা যাওয়া, মাংস কাটার লোকজনদের জন্য অফিসে এক প্রস্ত রান্না করা, মাংস মাপামাপি বিলি বন্টন করে সন্ধ্যায় বাসায় আসছি।

আমার বাসার জন্য বিশ কেজি মাংস নিয়ে আসছে। তাও অফিসের মেয়েগুলো জোর করে দিলো বলে। এবং বাসায় এসেই আমি মাংস সব রান্না করে ফেলসি বড় পাতিলে। মেজবানি মাংস। রান্না করে নিচের গার্ড, ক্লিনারদের খাইয়ে দিসি, প্রতিবেশীদের বিলি করসি। কোরবানির গল্প শেষ।

বাচ্চারাও খাইসে। সারাদিনের মধ্যে এইটাই ছিলো বাচ্চাদের কোরবানির মাংস খাওয়া। তারা সারাদিন ক্ষুধার্ত ছিলো। খেতে বসে বাচ্চাদের বাপরে জিজ্ঞেস করলাম রান্না কেমন হইসে? সে বললো, ‘অদ্ভুত‘ রকমের মজা হইসে। এবং অবধারিতভাবে এই ‘অদ্ভুত‘ কোন কম্প্লিমেন্ট না। শত্রুর সাথে বসবাস করলে যা হয়!!

তো, মাংস না জুটলেও গরুর পায়া চারটা আমার কপালেই জুটসে। সেই জিনিস পরিষ্কার করে, চুলায় নেহারি বসায়ে দিয়ে, সকালের জন্য নানরুটি বানাই রেখে শাওয়ারে গেলাম। বাথরুম থেকে বের হয়ে আর নিজেরে খুঁজে পাইনা। ল্যাপটাই গেসি। বয়স!!

সেই সকাল থেকে শুরু হইসে চুলা ঠেলা, রাত বারোটায় শেষ হইলো। পুরা শেষও হয়নায়। নেহারী চেক করতে হবে একটু পরপর। এর মধ্যে সাজুগুজু, বাচ্চাদের নিয়া ল্যাটকালেটকি তো ছিলোই।

‘সঙ-সার‘ এর নাম!! সঙ সাজাই যেখানে সার!!

ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ