শিরোনাম
◈ করদাতাদের স্বস্তি দিতে অর্থমন্ত্রীর কাছে যেসব পরিবর্তনের প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭১৬ ◈ এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব ◈ আমাদের লক্ষ্য মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের কবল থেকে অর্থনীতিকে মুক্ত করা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়ায় নতুন শর্ত ও কঠোরতা ◈ দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত? ◈ সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ, কারাগার থেকে আনা হলো ঢামেকে ◈ তিস্তা ব্যারেজ, কৃষি থেকে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, কৃষক ও প্রবাসীদের জন্য নতুন সুবিধা: বাজেট আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ মেগা পরিকল্পনা ◈ আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার অন্ধকারের মুখে, দ্রুত চালুর দাবি জামায়াতের ◈ ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি রোগী মেঝেতে শুয়ে থাকার দৃশ্যকে অত্যন্ত লজ্জাজনক: বিরোধীদলীয় নেতা

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাদিয়া নাসরিন: সঙ-সার, সঙ সাজাই সার

সাদিয়া নাসরীন:  গরুটা ভালোই ছিলো। কিন্তু আমার ‘সমাজ‘ এতো বড় যে প্রতিবছর কমপক্ষে তিনটা গরু কোরবানি দিতে হয়। সেই সমাজ একটা গরু দিয়ে বুঝ দেয়া লাগলে কী অবস্থা হয় ভেবে দেখেন!! অন্যবার যাদের চার পাঁচ কেজি মাংস দিতে পারতাম এইবার সেইটা দুইকেজিতে নেমে আসছে। মন তো ভরেনা।

যাই হোক, আমার এলাকায় কোরবানির অনুমতি ছিলোনা। তাই অফিসে কোরবানি করসি। সকাল থেকে চারবার মিরপুর টু বনানী গাড়ি চালিয়ে আসা যাওয়া, মাংস কাটার লোকজনদের জন্য অফিসে এক প্রস্ত রান্না করা, মাংস মাপামাপি বিলি বন্টন করে সন্ধ্যায় বাসায় আসছি।

আমার বাসার জন্য বিশ কেজি মাংস নিয়ে আসছে। তাও অফিসের মেয়েগুলো জোর করে দিলো বলে। এবং বাসায় এসেই আমি মাংস সব রান্না করে ফেলসি বড় পাতিলে। মেজবানি মাংস। রান্না করে নিচের গার্ড, ক্লিনারদের খাইয়ে দিসি, প্রতিবেশীদের বিলি করসি। কোরবানির গল্প শেষ।

বাচ্চারাও খাইসে। সারাদিনের মধ্যে এইটাই ছিলো বাচ্চাদের কোরবানির মাংস খাওয়া। তারা সারাদিন ক্ষুধার্ত ছিলো। খেতে বসে বাচ্চাদের বাপরে জিজ্ঞেস করলাম রান্না কেমন হইসে? সে বললো, ‘অদ্ভুত‘ রকমের মজা হইসে। এবং অবধারিতভাবে এই ‘অদ্ভুত‘ কোন কম্প্লিমেন্ট না। শত্রুর সাথে বসবাস করলে যা হয়!!

তো, মাংস না জুটলেও গরুর পায়া চারটা আমার কপালেই জুটসে। সেই জিনিস পরিষ্কার করে, চুলায় নেহারি বসায়ে দিয়ে, সকালের জন্য নানরুটি বানাই রেখে শাওয়ারে গেলাম। বাথরুম থেকে বের হয়ে আর নিজেরে খুঁজে পাইনা। ল্যাপটাই গেসি। বয়স!!

সেই সকাল থেকে শুরু হইসে চুলা ঠেলা, রাত বারোটায় শেষ হইলো। পুরা শেষও হয়নায়। নেহারী চেক করতে হবে একটু পরপর। এর মধ্যে সাজুগুজু, বাচ্চাদের নিয়া ল্যাটকালেটকি তো ছিলোই।

‘সঙ-সার‘ এর নাম!! সঙ সাজাই যেখানে সার!!

ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়