শিরোনাম
◈ ডিমের বাজারে অস্বাভাবিক দাম ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে কড়া বার্তা বাণিজ্যমন্ত্রীর, ব্যবসায়ীদের যা বললেন ◈ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি, আবেদন করতে পারবেন যারা ◈ আকাশসীমার জটিলতা কাটল, ১ অক্টোবর থেকে আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম ◈ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার জন্য প্রস্তুত: পাকিস্তানকে রাজনাথ সিংয়ের কড়া বার্তা ◈ এবার লাইভে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কড়া বার্তা দিলেন সালমান মুক্তাদির! (ভিডিও) ◈ অর্থনৈতিক দৃশ্যপট বদলে যাবে: ৩৯৬ কোটিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নতুন গতি, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার ◈ আদালতে হাজিরা শেষে প্রিজন ভ্যান থেকে পালাল ‘পিচ্চি রাজা’ ◈ কারিগরি শিক্ষায় ‘শিখবে-তৈরি করবে-আয় করবে’ মডেলের প্রস্তাব ◈ লাইসেন্সবিহীন ২২ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেন না করার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের ◈ সংবিধান সংশোধনে সর্বস্তরের মতামত গ্রহণে উদ্যোগ, ডিসেম্বরেই প্রতিবেদন প্রস্তুতের লক্ষ্য

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাদিয়া নাসরিন: সঙ-সার, সঙ সাজাই সার

সাদিয়া নাসরীন:  গরুটা ভালোই ছিলো। কিন্তু আমার ‘সমাজ‘ এতো বড় যে প্রতিবছর কমপক্ষে তিনটা গরু কোরবানি দিতে হয়। সেই সমাজ একটা গরু দিয়ে বুঝ দেয়া লাগলে কী অবস্থা হয় ভেবে দেখেন!! অন্যবার যাদের চার পাঁচ কেজি মাংস দিতে পারতাম এইবার সেইটা দুইকেজিতে নেমে আসছে। মন তো ভরেনা।

যাই হোক, আমার এলাকায় কোরবানির অনুমতি ছিলোনা। তাই অফিসে কোরবানি করসি। সকাল থেকে চারবার মিরপুর টু বনানী গাড়ি চালিয়ে আসা যাওয়া, মাংস কাটার লোকজনদের জন্য অফিসে এক প্রস্ত রান্না করা, মাংস মাপামাপি বিলি বন্টন করে সন্ধ্যায় বাসায় আসছি।

আমার বাসার জন্য বিশ কেজি মাংস নিয়ে আসছে। তাও অফিসের মেয়েগুলো জোর করে দিলো বলে। এবং বাসায় এসেই আমি মাংস সব রান্না করে ফেলসি বড় পাতিলে। মেজবানি মাংস। রান্না করে নিচের গার্ড, ক্লিনারদের খাইয়ে দিসি, প্রতিবেশীদের বিলি করসি। কোরবানির গল্প শেষ।

বাচ্চারাও খাইসে। সারাদিনের মধ্যে এইটাই ছিলো বাচ্চাদের কোরবানির মাংস খাওয়া। তারা সারাদিন ক্ষুধার্ত ছিলো। খেতে বসে বাচ্চাদের বাপরে জিজ্ঞেস করলাম রান্না কেমন হইসে? সে বললো, ‘অদ্ভুত‘ রকমের মজা হইসে। এবং অবধারিতভাবে এই ‘অদ্ভুত‘ কোন কম্প্লিমেন্ট না। শত্রুর সাথে বসবাস করলে যা হয়!!

তো, মাংস না জুটলেও গরুর পায়া চারটা আমার কপালেই জুটসে। সেই জিনিস পরিষ্কার করে, চুলায় নেহারি বসায়ে দিয়ে, সকালের জন্য নানরুটি বানাই রেখে শাওয়ারে গেলাম। বাথরুম থেকে বের হয়ে আর নিজেরে খুঁজে পাইনা। ল্যাপটাই গেসি। বয়স!!

সেই সকাল থেকে শুরু হইসে চুলা ঠেলা, রাত বারোটায় শেষ হইলো। পুরা শেষও হয়নায়। নেহারী চেক করতে হবে একটু পরপর। এর মধ্যে সাজুগুজু, বাচ্চাদের নিয়া ল্যাটকালেটকি তো ছিলোই।

‘সঙ-সার‘ এর নাম!! সঙ সাজাই যেখানে সার!!

ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ