শিরোনাম
◈ শ্রমিকদের ব্যবহার করে অস্থিরতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ গাজীপুর-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি; পুলিশের গাড়িতে আগুন, আহত সাংবাদিক ও বিজিবি সদস্য ◈ পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার দায় স্বীকার, ফেসবুক পোস্টের সূত্র ধরে আটক ◈ টানবাজারে ৮১.৬ টন কেমিক্যালের সন্ধান, বন্ড সুবিধার ৪৫ টন কেমিক্যাল উধাও ◈ ১৪ বছর পর অ্যানফিল্ডে আর্সেনালের জয় ◈ উচ্চশিক্ষায় সাড়ে আট লাখ আসন ফাঁকা থাকার শঙ্কা, সংকটে পড়বে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ◈ রিয়াল মা‌দ্রিদের জয় ◈ ইসরা‌য়েল ও আ‌মে‌রিকার মোকা‌বিলায় ইরান নতুন টা‌র্গেট প্রস্তুত কর‌ছে, এবারের জবাব হবে আরও কঠোর ◈ বিপিএল বন্ধের প্রভাব পড়েছে ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে: লুৎফর রহমান বাদল ◈ গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষ অব্যাহত, মহাসড়কে বিক্ষোভ; ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাদিয়া নাসরিন: সঙ-সার, সঙ সাজাই সার

সাদিয়া নাসরীন:  গরুটা ভালোই ছিলো। কিন্তু আমার ‘সমাজ‘ এতো বড় যে প্রতিবছর কমপক্ষে তিনটা গরু কোরবানি দিতে হয়। সেই সমাজ একটা গরু দিয়ে বুঝ দেয়া লাগলে কী অবস্থা হয় ভেবে দেখেন!! অন্যবার যাদের চার পাঁচ কেজি মাংস দিতে পারতাম এইবার সেইটা দুইকেজিতে নেমে আসছে। মন তো ভরেনা।

যাই হোক, আমার এলাকায় কোরবানির অনুমতি ছিলোনা। তাই অফিসে কোরবানি করসি। সকাল থেকে চারবার মিরপুর টু বনানী গাড়ি চালিয়ে আসা যাওয়া, মাংস কাটার লোকজনদের জন্য অফিসে এক প্রস্ত রান্না করা, মাংস মাপামাপি বিলি বন্টন করে সন্ধ্যায় বাসায় আসছি।

আমার বাসার জন্য বিশ কেজি মাংস নিয়ে আসছে। তাও অফিসের মেয়েগুলো জোর করে দিলো বলে। এবং বাসায় এসেই আমি মাংস সব রান্না করে ফেলসি বড় পাতিলে। মেজবানি মাংস। রান্না করে নিচের গার্ড, ক্লিনারদের খাইয়ে দিসি, প্রতিবেশীদের বিলি করসি। কোরবানির গল্প শেষ।

বাচ্চারাও খাইসে। সারাদিনের মধ্যে এইটাই ছিলো বাচ্চাদের কোরবানির মাংস খাওয়া। তারা সারাদিন ক্ষুধার্ত ছিলো। খেতে বসে বাচ্চাদের বাপরে জিজ্ঞেস করলাম রান্না কেমন হইসে? সে বললো, ‘অদ্ভুত‘ রকমের মজা হইসে। এবং অবধারিতভাবে এই ‘অদ্ভুত‘ কোন কম্প্লিমেন্ট না। শত্রুর সাথে বসবাস করলে যা হয়!!

তো, মাংস না জুটলেও গরুর পায়া চারটা আমার কপালেই জুটসে। সেই জিনিস পরিষ্কার করে, চুলায় নেহারি বসায়ে দিয়ে, সকালের জন্য নানরুটি বানাই রেখে শাওয়ারে গেলাম। বাথরুম থেকে বের হয়ে আর নিজেরে খুঁজে পাইনা। ল্যাপটাই গেসি। বয়স!!

সেই সকাল থেকে শুরু হইসে চুলা ঠেলা, রাত বারোটায় শেষ হইলো। পুরা শেষও হয়নায়। নেহারী চেক করতে হবে একটু পরপর। এর মধ্যে সাজুগুজু, বাচ্চাদের নিয়া ল্যাটকালেটকি তো ছিলোই।

‘সঙ-সার‘ এর নাম!! সঙ সাজাই যেখানে সার!!

ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ