শিরোনাম
◈ চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধসে ৪৩ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ ◈ বাদশা সালমানের রাজকীয় ফরমান, সৌদির শীর্ষ সরকারি পদে বড় পরিবর্তন ◈ স্ব‌স্তির জ‌য়ে জিম্বাবু‌য়ের বিরু‌দ্ধে হোয়াইটওয়াশ এড়া‌লো বাংলাদেশ ◈ ফরিদপুরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: উদ্ধারকাজ চলাকালে বাসচাপায় নিহত ৫ ◈ আইনি জটিলতায় এমবাপ্পে, হতে পারে তিন বছরের কারাদণ্ড ◈ ছয় মাসের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা: দায়িত্ব কমতে পারে কয়েকজন মন্ত্রীর, নতুন মুখ আসতে পারেন মন্ত্রিসভায় ◈ বাংলাদেশিদের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের কারণ জানাল মার্কিন দূতাবাস ◈ রাজস্ব ও ব্যাংকিং সংস্কারে জোর, নতুন ঋণ নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা শুরু ◈ বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ দফা নির্দেশনা, প্রয়োজনে ছুটি বাতিল ◈ বন্যা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর সমন্বিত পরিকল্পনা, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাদিয়া নাসরিন: সঙ-সার, সঙ সাজাই সার

সাদিয়া নাসরীন:  গরুটা ভালোই ছিলো। কিন্তু আমার ‘সমাজ‘ এতো বড় যে প্রতিবছর কমপক্ষে তিনটা গরু কোরবানি দিতে হয়। সেই সমাজ একটা গরু দিয়ে বুঝ দেয়া লাগলে কী অবস্থা হয় ভেবে দেখেন!! অন্যবার যাদের চার পাঁচ কেজি মাংস দিতে পারতাম এইবার সেইটা দুইকেজিতে নেমে আসছে। মন তো ভরেনা।

যাই হোক, আমার এলাকায় কোরবানির অনুমতি ছিলোনা। তাই অফিসে কোরবানি করসি। সকাল থেকে চারবার মিরপুর টু বনানী গাড়ি চালিয়ে আসা যাওয়া, মাংস কাটার লোকজনদের জন্য অফিসে এক প্রস্ত রান্না করা, মাংস মাপামাপি বিলি বন্টন করে সন্ধ্যায় বাসায় আসছি।

আমার বাসার জন্য বিশ কেজি মাংস নিয়ে আসছে। তাও অফিসের মেয়েগুলো জোর করে দিলো বলে। এবং বাসায় এসেই আমি মাংস সব রান্না করে ফেলসি বড় পাতিলে। মেজবানি মাংস। রান্না করে নিচের গার্ড, ক্লিনারদের খাইয়ে দিসি, প্রতিবেশীদের বিলি করসি। কোরবানির গল্প শেষ।

বাচ্চারাও খাইসে। সারাদিনের মধ্যে এইটাই ছিলো বাচ্চাদের কোরবানির মাংস খাওয়া। তারা সারাদিন ক্ষুধার্ত ছিলো। খেতে বসে বাচ্চাদের বাপরে জিজ্ঞেস করলাম রান্না কেমন হইসে? সে বললো, ‘অদ্ভুত‘ রকমের মজা হইসে। এবং অবধারিতভাবে এই ‘অদ্ভুত‘ কোন কম্প্লিমেন্ট না। শত্রুর সাথে বসবাস করলে যা হয়!!

তো, মাংস না জুটলেও গরুর পায়া চারটা আমার কপালেই জুটসে। সেই জিনিস পরিষ্কার করে, চুলায় নেহারি বসায়ে দিয়ে, সকালের জন্য নানরুটি বানাই রেখে শাওয়ারে গেলাম। বাথরুম থেকে বের হয়ে আর নিজেরে খুঁজে পাইনা। ল্যাপটাই গেসি। বয়স!!

সেই সকাল থেকে শুরু হইসে চুলা ঠেলা, রাত বারোটায় শেষ হইলো। পুরা শেষও হয়নায়। নেহারী চেক করতে হবে একটু পরপর। এর মধ্যে সাজুগুজু, বাচ্চাদের নিয়া ল্যাটকালেটকি তো ছিলোই।

‘সঙ-সার‘ এর নাম!! সঙ সাজাই যেখানে সার!!

ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়