শিরোনাম
◈ পাতে ক্যানসারের ঝুঁকি? ইউরোপে নিষিদ্ধ ক্যানসার সৃষ্টিকারী রাসায়নিকে চাষ হচ্ছে ভারতীয় কৃষিপণ্য! ◈ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা ◈ বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ বাড়াতে আনোয়ার ইব্রাহিমের সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান ◈ খেলার দুই অ‌র্ধে হাইড্রেশন ব্রেক কিছুই দিচ্ছে না, কেড়ে নিচ্ছে ফুটবলের সৌন্দর্য: উরুগু‌য়ে কোচ ◈ জুলাই মা‌সে অস্ট্রেলিয়া সফরই হ‌বে বাংলাদেশের আসল পরীক্ষা, বললেন ব্র্যাড হগ ◈ ‘সিস্টার-সিটি’ হতে যাচ্ছে ঢাকা-ইসলামাবাদ ◈ শুরু হলো তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ◈ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য মাউশির বড় সুখবর, বাড়ল ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা ◈ চূড়ান্ত নকশা সম্পন্ন, বাস্তবায়নের পথে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প ◈ পুত্রজায়ায় রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী, মালয়েশিয়ার সঙ্গে একাধিক চুক্তি সই আজ

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাদিয়া নাসরিন: সঙ-সার, সঙ সাজাই সার

সাদিয়া নাসরীন:  গরুটা ভালোই ছিলো। কিন্তু আমার ‘সমাজ‘ এতো বড় যে প্রতিবছর কমপক্ষে তিনটা গরু কোরবানি দিতে হয়। সেই সমাজ একটা গরু দিয়ে বুঝ দেয়া লাগলে কী অবস্থা হয় ভেবে দেখেন!! অন্যবার যাদের চার পাঁচ কেজি মাংস দিতে পারতাম এইবার সেইটা দুইকেজিতে নেমে আসছে। মন তো ভরেনা।

যাই হোক, আমার এলাকায় কোরবানির অনুমতি ছিলোনা। তাই অফিসে কোরবানি করসি। সকাল থেকে চারবার মিরপুর টু বনানী গাড়ি চালিয়ে আসা যাওয়া, মাংস কাটার লোকজনদের জন্য অফিসে এক প্রস্ত রান্না করা, মাংস মাপামাপি বিলি বন্টন করে সন্ধ্যায় বাসায় আসছি।

আমার বাসার জন্য বিশ কেজি মাংস নিয়ে আসছে। তাও অফিসের মেয়েগুলো জোর করে দিলো বলে। এবং বাসায় এসেই আমি মাংস সব রান্না করে ফেলসি বড় পাতিলে। মেজবানি মাংস। রান্না করে নিচের গার্ড, ক্লিনারদের খাইয়ে দিসি, প্রতিবেশীদের বিলি করসি। কোরবানির গল্প শেষ।

বাচ্চারাও খাইসে। সারাদিনের মধ্যে এইটাই ছিলো বাচ্চাদের কোরবানির মাংস খাওয়া। তারা সারাদিন ক্ষুধার্ত ছিলো। খেতে বসে বাচ্চাদের বাপরে জিজ্ঞেস করলাম রান্না কেমন হইসে? সে বললো, ‘অদ্ভুত‘ রকমের মজা হইসে। এবং অবধারিতভাবে এই ‘অদ্ভুত‘ কোন কম্প্লিমেন্ট না। শত্রুর সাথে বসবাস করলে যা হয়!!

তো, মাংস না জুটলেও গরুর পায়া চারটা আমার কপালেই জুটসে। সেই জিনিস পরিষ্কার করে, চুলায় নেহারি বসায়ে দিয়ে, সকালের জন্য নানরুটি বানাই রেখে শাওয়ারে গেলাম। বাথরুম থেকে বের হয়ে আর নিজেরে খুঁজে পাইনা। ল্যাপটাই গেসি। বয়স!!

সেই সকাল থেকে শুরু হইসে চুলা ঠেলা, রাত বারোটায় শেষ হইলো। পুরা শেষও হয়নায়। নেহারী চেক করতে হবে একটু পরপর। এর মধ্যে সাজুগুজু, বাচ্চাদের নিয়া ল্যাটকালেটকি তো ছিলোই।

‘সঙ-সার‘ এর নাম!! সঙ সাজাই যেখানে সার!!

ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়