শিরোনাম
◈ স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে যে দেশের সরকার ◈ জুলাইয়ের ঘটনায় ভুয়া মামলা, ফাঁসছেন বাদীরা ◈ ‌ডোনাল্ড ট্রা‌ম্পের স্বাক্ষ‌রের মূল‌্য নেই! সমঝোতা বাতিল? অন্তরাল থেকে মুখ খুললেন স‌র্বোচ্চ নেতা মোজতবা, মার্কিন বাহিনীকে হুঁশিয়ারি  ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে ভিসানীতিতে পরিবর্তন, জটিলতায় পড়তে পারেন পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা? ◈ বিশ্বকাপ ফাইনালে এক টিকিটের দাম সা‌ড়ে ৩৪ লাখ টাকা ◈ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র : মার্কিন সেনা নিহতের পর নিজ দেশেও চাপে ট্রাম্প ◈ ১০ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ফ্রান্সকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ইংল্যান্ড ◈ স্পে‌নের ইয়ামাল বয়সের তুলনায় অনেক বেশি প্রতিভাবান, বল‌লেন আ‌র্জেন্টিনার কোচ  ◈ ওয়ান‌ডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার লড়াইয়ে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ  ◈ শেখ হাসিনা-রেহানার বিরুদ্ধে নতুন মামলার প্রস্তুতি

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১২:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাদিয়া নাসরিন: সঙ-সার, সঙ সাজাই সার

সাদিয়া নাসরীন:  গরুটা ভালোই ছিলো। কিন্তু আমার ‘সমাজ‘ এতো বড় যে প্রতিবছর কমপক্ষে তিনটা গরু কোরবানি দিতে হয়। সেই সমাজ একটা গরু দিয়ে বুঝ দেয়া লাগলে কী অবস্থা হয় ভেবে দেখেন!! অন্যবার যাদের চার পাঁচ কেজি মাংস দিতে পারতাম এইবার সেইটা দুইকেজিতে নেমে আসছে। মন তো ভরেনা।

যাই হোক, আমার এলাকায় কোরবানির অনুমতি ছিলোনা। তাই অফিসে কোরবানি করসি। সকাল থেকে চারবার মিরপুর টু বনানী গাড়ি চালিয়ে আসা যাওয়া, মাংস কাটার লোকজনদের জন্য অফিসে এক প্রস্ত রান্না করা, মাংস মাপামাপি বিলি বন্টন করে সন্ধ্যায় বাসায় আসছি।

আমার বাসার জন্য বিশ কেজি মাংস নিয়ে আসছে। তাও অফিসের মেয়েগুলো জোর করে দিলো বলে। এবং বাসায় এসেই আমি মাংস সব রান্না করে ফেলসি বড় পাতিলে। মেজবানি মাংস। রান্না করে নিচের গার্ড, ক্লিনারদের খাইয়ে দিসি, প্রতিবেশীদের বিলি করসি। কোরবানির গল্প শেষ।

বাচ্চারাও খাইসে। সারাদিনের মধ্যে এইটাই ছিলো বাচ্চাদের কোরবানির মাংস খাওয়া। তারা সারাদিন ক্ষুধার্ত ছিলো। খেতে বসে বাচ্চাদের বাপরে জিজ্ঞেস করলাম রান্না কেমন হইসে? সে বললো, ‘অদ্ভুত‘ রকমের মজা হইসে। এবং অবধারিতভাবে এই ‘অদ্ভুত‘ কোন কম্প্লিমেন্ট না। শত্রুর সাথে বসবাস করলে যা হয়!!

তো, মাংস না জুটলেও গরুর পায়া চারটা আমার কপালেই জুটসে। সেই জিনিস পরিষ্কার করে, চুলায় নেহারি বসায়ে দিয়ে, সকালের জন্য নানরুটি বানাই রেখে শাওয়ারে গেলাম। বাথরুম থেকে বের হয়ে আর নিজেরে খুঁজে পাইনা। ল্যাপটাই গেসি। বয়স!!

সেই সকাল থেকে শুরু হইসে চুলা ঠেলা, রাত বারোটায় শেষ হইলো। পুরা শেষও হয়নায়। নেহারী চেক করতে হবে একটু পরপর। এর মধ্যে সাজুগুজু, বাচ্চাদের নিয়া ল্যাটকালেটকি তো ছিলোই।

‘সঙ-সার‘ এর নাম!! সঙ সাজাই যেখানে সার!!

ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়