শিরোনাম
◈ অপচয় রোধে সংসদে সতর্কবার্তা, সাউন্ড ও পানির সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ ◈ ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা: জাতিসংঘ কূটনীতিকের বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস ◈ আইএলও অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতি ৪৭ দেশের সমর্থন, শ্রম সংস্কারে অগ্রগতির প্রশংসা ◈ সংসদে ইলিয়াস আলীর খোঁজ চাইলেন স্ত্রী লুনা, গুমের বিচার দাবি ◈ ব‌কেয়া টাকা প‌রি‌শোধ না হওয়ায় টি- স্পোর্টসের সাথে চুক্তি বাতিল জিও স্টারের, দেখা যাবে না আইপিএল ◈ জ্বালানি মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, দেশজুড়ে উদ্ধার ২ লাখ লিটার তেল ◈ সাবেক সিএমপি কমিশনার জলিল গ্রেপ্তার ◈ রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৪ বিলিয়ন ডলার ◈ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস বাস্তবায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্দেশনা  ◈ পুলিশ সদস্যদের হতাহতের ঘটনাকে ‘যুদ্ধের ময়দানে ফয়সালা’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১১:৩৫ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১১:৩৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মো. শামসুল ইসলাম: কোরবানি ও বাঙালির ক্রন্দন

মো. শামসুল ইসলাম: বেশ কয়েকবছর থেকে দেখছি একশ্রেণির বাঙালি মুসলমান বুদ্ধিজীবী কোরবানির ঈদ আসলে কয়েক পর্যায়ে কান্নাকাটি করেন।

১. ঈদের বেশ আগে থেকে তাদের পশুপ্রেম উথলে পড়ে। খাবার জন্য নির্বিচারে পশু হত্যা করা হবে একারণে তাদের চোখের পানি আটকানো যায় না।

টিস্যু পেপার এগিয়ে দিয়ে তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে হয় তারা ফি বছর নিজেরা কত পরিমাণে গরু, ছাগল, ভেড়া সাবার করেন। বার্গার সহ যেসব মজাদার সব খাবার তারা খান তা স্মরণ করিয়ে দিলে তাদের কান্না কিছুটা থামে।

২. এরপর বলেন, এভাবে ছুরি, চাকু হাতে ঘোরাঘুরি করে পশুহত্যা অমানবিক। সভ্য দেশে এরকম হয় না। তাদের স্লটার হাউজ আছে। বাঙালি নাকি এসব দেখে খুনাখুনি শিখে। এসব বলে তারা কান্নাকাটি করতে থাকেন।

তখন সেই সব সভ্য দেশগুলো বোমা মেরে প্রতিবছর যে লাখ লাখ লোক মারছে তা স্মরণ করিয়ে দিতে হয়। বাঙালিরা সে তুলনায় খুনাখুনি কম করে। এটা শোনার পরে তারা কান্নায় ক্ষান্ত দেন।

৩. পশু খামারিরা ক্রেতা পাচ্ছে না সেটা নিয়ে তারা একবার কান্নাকাটি করেন। তারা একবার কোরবানি বন্ধ করতে চান, অন্যদিকে গরুর ব্যবসা ভালো চান অর্থাৎ ক্রেতা চান - এই বিপরীত দর্শন আমরা বুঝতে পারিনা।

৪. আবার ঈদের আগ মূহুর্তে গরুর দাম যখন খুব চড়া, মার্কেটে আর গরু পাওয়া যাচ্ছে না তখন তারা আরেকবার কান্নাকাটি করেন। নিজেরা গরু না পেয়ে গরুর খামারিদের গালিগালাজ করেন।

৫. কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার নিয়ে একবার কান্নাকাটি করেন। সিটি কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট স্থান থাকলেও সেখানে কেউ কোরবানি দেন না। নিজের বাসায়, রাস্তায় কোরবানি দিয়ে নিজেরা পরিষ্কার করেন না। তাদের কান্নাকাটি চলতে থাকে কয়েকদিন।

৬. সবশেষে অতিরিক্ত গরু খেয়ে হাইপ্রেসার, হার্টের রোগ বাড়িয়ে ফেলে কান্নাকাটি করেন আরেকবার। হার্টের হসপিটালের ডাক্তাররা বলেন কোরবানির পরে তাদের রুগী বেড়ে যায় অনেক।

গরু কোরবানির বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করেছিলেন তাদের মধ্যেই যে কোরবানির পর হার্টের রোগী সংখ্যায় হয় বেশি তা বলাবাহুল্য!

কয়েকধাপে ফি বছর বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের এ কান্না দেখতে হচ্ছে। তাদের জন্য ব্যাপক সমবেদনা! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়