শিরোনাম
◈ থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : বিমানমন্ত্রী ◈ ১৮ মাস পর নিজ প্রতিষ্ঠানে ফিরলেন ড. ইউনূস ◈ পরাজয় দিয়ে মৌসুম শুরু ‌মে‌সির ইন্টার মায়ামির ◈ নতুন সরকারের সামনে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, পোশাক খাতে শঙ্কা: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বিশ্লেষণ ◈ পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান ◈ বগুড়া ও শেরপুরের উপনির্বাচন কবে নাগাদ, জানালো ইসি ◈ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল বিষয়ে সভা ◈ জামায়াত আমিরের স্ত্রীসহ সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনায় যারা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার আরমান!

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১১:৩৫ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২০, ১১:৩৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মো. শামসুল ইসলাম: কোরবানি ও বাঙালির ক্রন্দন

মো. শামসুল ইসলাম: বেশ কয়েকবছর থেকে দেখছি একশ্রেণির বাঙালি মুসলমান বুদ্ধিজীবী কোরবানির ঈদ আসলে কয়েক পর্যায়ে কান্নাকাটি করেন।

১. ঈদের বেশ আগে থেকে তাদের পশুপ্রেম উথলে পড়ে। খাবার জন্য নির্বিচারে পশু হত্যা করা হবে একারণে তাদের চোখের পানি আটকানো যায় না।

টিস্যু পেপার এগিয়ে দিয়ে তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে হয় তারা ফি বছর নিজেরা কত পরিমাণে গরু, ছাগল, ভেড়া সাবার করেন। বার্গার সহ যেসব মজাদার সব খাবার তারা খান তা স্মরণ করিয়ে দিলে তাদের কান্না কিছুটা থামে।

২. এরপর বলেন, এভাবে ছুরি, চাকু হাতে ঘোরাঘুরি করে পশুহত্যা অমানবিক। সভ্য দেশে এরকম হয় না। তাদের স্লটার হাউজ আছে। বাঙালি নাকি এসব দেখে খুনাখুনি শিখে। এসব বলে তারা কান্নাকাটি করতে থাকেন।

তখন সেই সব সভ্য দেশগুলো বোমা মেরে প্রতিবছর যে লাখ লাখ লোক মারছে তা স্মরণ করিয়ে দিতে হয়। বাঙালিরা সে তুলনায় খুনাখুনি কম করে। এটা শোনার পরে তারা কান্নায় ক্ষান্ত দেন।

৩. পশু খামারিরা ক্রেতা পাচ্ছে না সেটা নিয়ে তারা একবার কান্নাকাটি করেন। তারা একবার কোরবানি বন্ধ করতে চান, অন্যদিকে গরুর ব্যবসা ভালো চান অর্থাৎ ক্রেতা চান - এই বিপরীত দর্শন আমরা বুঝতে পারিনা।

৪. আবার ঈদের আগ মূহুর্তে গরুর দাম যখন খুব চড়া, মার্কেটে আর গরু পাওয়া যাচ্ছে না তখন তারা আরেকবার কান্নাকাটি করেন। নিজেরা গরু না পেয়ে গরুর খামারিদের গালিগালাজ করেন।

৫. কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার নিয়ে একবার কান্নাকাটি করেন। সিটি কর্পোরেশনের নির্দিষ্ট স্থান থাকলেও সেখানে কেউ কোরবানি দেন না। নিজের বাসায়, রাস্তায় কোরবানি দিয়ে নিজেরা পরিষ্কার করেন না। তাদের কান্নাকাটি চলতে থাকে কয়েকদিন।

৬. সবশেষে অতিরিক্ত গরু খেয়ে হাইপ্রেসার, হার্টের রোগ বাড়িয়ে ফেলে কান্নাকাটি করেন আরেকবার। হার্টের হসপিটালের ডাক্তাররা বলেন কোরবানির পরে তাদের রুগী বেড়ে যায় অনেক।

গরু কোরবানির বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করেছিলেন তাদের মধ্যেই যে কোরবানির পর হার্টের রোগী সংখ্যায় হয় বেশি তা বলাবাহুল্য!

কয়েকধাপে ফি বছর বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের এ কান্না দেখতে হচ্ছে। তাদের জন্য ব্যাপক সমবেদনা! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়