প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিদেশে অবস্থারত নাথান লসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে হংকং

লিহান লিমা: [২] চীনের রাষ্ট্রায়াত্ত টেলিভিশন বলছে, হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের লঙ্ঘন করায় পুলিশের গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় রয়েছেন হংকংয়ে ব্রিটিশ দূতাবাসের সাবেক কর্মী সাইমন চেং, হংকংয়ের জনপ্রিয় অধিকার কর্মী নাথাল ল (২৭), মার্কিন নাগরিক স্যামুয়েল চু, গণতন্ত্রপন্থী অধিকার কর্মী রে ওং, লাও হং (১৮) এবং ওয়ানি চাং। তাদেরকে ‘সমস্যাসৃষ্টিকারী’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন আইনে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাপন্থী বিক্ষোভ, চীন বিরোধী কার্যকলাপ, ছাত্র-রাজনীতি এবং বিদেশী শক্তির সঙ্গে আঁতাত নিষিদ্ধ করে যাবজ্জীবন পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। বিবিসি

[৩] সাইমনকে গত আগস্টে চীনে এক ব্যবসায়িক সফরের সময় আটক করা হয়েছিলো। বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, তাকে মারধর এবং মিথ্যে স্বীকারোক্তি দিতে জোর করা হয়েছিলো। সম্প্রতি তিনি ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়েছেন।

[৪] নাথাল ল ২০১৪ সালে হংকংয়ের ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনিও এখন ব্রিটেনে বসবাস করছেন। তবে অনলাইনে হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

[৫] স্যামুয়েল চু ২০১৪ সালে ‘আমব্রেলা মুভমেন্ট’ প্রতিষ্ঠা করা বাপিস্ট মন্ত্রী চু ইয়ো মিং এর সন্তান। স্যামুয়েল ওয়াশিংটনে হংকং ডেমোক্রেসি কাউন্সিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমিই প্রথম কোনো অ-চীনা নাগরিক। কিন্তু আমি শেষ নই। যদি আমাকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয় তবে হংকংয়ের জন্য কাজ করা যে কোনো দেশের নাগরিকই এর কবলে পড়বেন।’

[৬] রে ওং ২০১৭ সালে জার্মানিতে পালিয়ে যান এবং এখন ব্রিটেনে অবস্থান করছেন।

[৭] ব্রিটেনে থাকা অধিকার কর্মী লাও হং (১৮) বলেন, আসুন, ব্রিটেনে এসে আমাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যান।

[৮] অধিকার কর্মী ওয়ানি চাং বলেন, ‘আমি যা ভোগ করছি তার চেয়ে অধিক হংকংয়ে অবস্থানরতরা পোহাচ্ছেন। আমি নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে ভাবছি না।’

[৯] হংকং পুলিশ এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

[১০] সাবেক ব্রিটিশ উপনৈবেশ হংকংকে ১৯৯৭ সালে চীনের কাছে প্রর্ত্যপর্ণ করা হয়। দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে ২০৪৭ পর্যন্ত হংকংয়ে স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিয়েছিলো বেইজিং। নতুন নিরাপত্তা আইন সেই সমঝোতার লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করছে পশ্চিমা দেশগুলো। ইতোমধ্যেই কানাডা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও নিউজিল্যান্ড হংকংয়ের সঙ্গে বর্হিসমপর্ণ চুক্তি বাতিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্র হংকংয়ের বিশেষ বাণিজ্যিক মর্যাদা প্রত্যাহার করেছে। সম্পাদনা: ইকবাল খান

সর্বাধিক পঠিত